স্ট্রিম ডেস্ক

ইয়েমেনে হুতিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করেছে সরকারি বাহিনী। মারিব ও হাদরামাউত প্রদেশে হুতিদের হামলায় সরকারি বাহিনীর ১৭ সদস্য নিহত হওয়ার পর শনিবার (৮ আগস্ট) পাল্টা এ অভিযান শুরু করল দেশটির সরকারি বাহিনী।
ইয়েমেনের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল মাজিদ আল-নুজাইলি জানান, একাধিক ফ্রন্টে হুতি সদস্য ও তাদের সামরিক সরঞ্জাম লক্ষ্য করে অভিযান চালানো হয়েছে। হুতিদের সাম্প্রতিক হামলার জবাব দিতেই এ অভিযান চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
এর আগে বৃহস্পতিবার মারিব ও হাদরামাউতে ইয়েমেনি সেনাদের অবস্থান লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় হুতিরা। এতে কয়েকজন কর্মকর্তাসহ মোট ১৭ সেনাসদস্য নিহত এবং আরও অনেকে আহত হন বলে জানিয়েছিল ইয়েমেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
গত জুলাই থেকে হুতিদের সঙ্গে সরকারি বাহিনীর সংঘাত আবারও বাড়তে শুরু করেছে। বিভিন্ন ফ্রন্টে দুই পক্ষের মধ্যে লড়াইয়ের পাশাপাশি হুতিদের হামলায় আঞ্চলিক উত্তেজনাও বাড়ছে। কয়েক বছর তুলনামূলক শান্ত থাকার পর নতুন করে সংঘাত তীব্র হওয়ায় ইয়েমেনের পরিস্থিতি আবারও অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে।
হুতিদের বিরুদ্ধে অভিযানের ঘোষণা দিয়ে নুজাইলি বলেন, বিদেশি স্বার্থের সঙ্গে তাল মিলিয়ে হুতিরা ইয়েমেনকে আঞ্চলিক সংঘাতে জড়িয়ে ফেলছে। তাঁর দাবি, হুতিদের কর্মকাণ্ডে ইয়েমেনের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং সাম্প্রদায়িক বিভাজন বেড়েছে।
হুতিদের হামলা অব্যাহত থাকলে কোনো দ্বিধা ছাড়াই জবাব দেওয়া হবে বলে সতর্ক করেন তিনি। চলমান উত্তেজনা আরও বাড়লে এর দায় হুতি ও তাদের পেছনে থাকা শক্তিগুলোকে নিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন নুজাইলি।
তবে সরকারি বাহিনীর সর্বশেষ অভিযানের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি হুতি।
২০১৪ সালে হুতিরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা দখল করার পর দেশটিতে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। এরপর সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট সরকারি বাহিনীকে সমর্থন দিয়ে হুতিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালায়। ২০২২ সালের যুদ্ধবিরতির পর বড় ধরনের লড়াই কমে এলেও দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা পুরোপুরি শেষ হয়নি। সাম্প্রতিক সংঘর্ষে সেই পুরোনো যুদ্ধ আবারও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি

ইয়েমেনে হুতিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করেছে সরকারি বাহিনী। মারিব ও হাদরামাউত প্রদেশে হুতিদের হামলায় সরকারি বাহিনীর ১৭ সদস্য নিহত হওয়ার পর শনিবার (৮ আগস্ট) পাল্টা এ অভিযান শুরু করল দেশটির সরকারি বাহিনী।
ইয়েমেনের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল মাজিদ আল-নুজাইলি জানান, একাধিক ফ্রন্টে হুতি সদস্য ও তাদের সামরিক সরঞ্জাম লক্ষ্য করে অভিযান চালানো হয়েছে। হুতিদের সাম্প্রতিক হামলার জবাব দিতেই এ অভিযান চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
এর আগে বৃহস্পতিবার মারিব ও হাদরামাউতে ইয়েমেনি সেনাদের অবস্থান লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় হুতিরা। এতে কয়েকজন কর্মকর্তাসহ মোট ১৭ সেনাসদস্য নিহত এবং আরও অনেকে আহত হন বলে জানিয়েছিল ইয়েমেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
গত জুলাই থেকে হুতিদের সঙ্গে সরকারি বাহিনীর সংঘাত আবারও বাড়তে শুরু করেছে। বিভিন্ন ফ্রন্টে দুই পক্ষের মধ্যে লড়াইয়ের পাশাপাশি হুতিদের হামলায় আঞ্চলিক উত্তেজনাও বাড়ছে। কয়েক বছর তুলনামূলক শান্ত থাকার পর নতুন করে সংঘাত তীব্র হওয়ায় ইয়েমেনের পরিস্থিতি আবারও অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে।
হুতিদের বিরুদ্ধে অভিযানের ঘোষণা দিয়ে নুজাইলি বলেন, বিদেশি স্বার্থের সঙ্গে তাল মিলিয়ে হুতিরা ইয়েমেনকে আঞ্চলিক সংঘাতে জড়িয়ে ফেলছে। তাঁর দাবি, হুতিদের কর্মকাণ্ডে ইয়েমেনের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং সাম্প্রদায়িক বিভাজন বেড়েছে।
হুতিদের হামলা অব্যাহত থাকলে কোনো দ্বিধা ছাড়াই জবাব দেওয়া হবে বলে সতর্ক করেন তিনি। চলমান উত্তেজনা আরও বাড়লে এর দায় হুতি ও তাদের পেছনে থাকা শক্তিগুলোকে নিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন নুজাইলি।
তবে সরকারি বাহিনীর সর্বশেষ অভিযানের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি হুতি।
২০১৪ সালে হুতিরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা দখল করার পর দেশটিতে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। এরপর সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট সরকারি বাহিনীকে সমর্থন দিয়ে হুতিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালায়। ২০২২ সালের যুদ্ধবিরতির পর বড় ধরনের লড়াই কমে এলেও দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা পুরোপুরি শেষ হয়নি। সাম্প্রতিক সংঘর্ষে সেই পুরোনো যুদ্ধ আবারও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি
.png)

স্পেনের সেউতা দ্বীপে সম্প্রতি অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ঢলের পর স্পেন থেকে যাওয়া যাত্রীদের তল্লাশিতে কড়াকড়ি আরোপ করেছিল ইতালি। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইতালি থেকে আসা যাত্রীদেরও কড়া তল্লাশির আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্পেন। খবর রয়টার্সের।
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে ক্রমেই সীমিত হয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিকল্প। এমন পরিস্থিতিতে যুদ্ধ থেকে বের হওয়ার পথ বা ‘অফ-র্যাম্প’ খুঁজছেন মার্কিন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন। বিষয়টি নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গেও তিনি আলোচনা করছেন বলে জানিয়েছে সিএনএন।
৮ ঘণ্টা আগে
লিবিয়া থেকে গ্রিসের ক্রিট দ্বীপে পৌঁছানো দুই শতাধিক অভিবাসীকে উদ্ধার করেছে দেশটির কোস্টগার্ড। উদ্ধার হওয়াদের মধ্যে অন্তত ৭২ জন বাংলাদেশি রয়েছেন।
২০ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারে যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে সই করেছে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক। শুক্রবার (৭ আগস্ট) পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে আল জাজিরা ও রয়টার্স জানিয়েছে, সৌদি আরবের মক্কায় এই চুক্তি হয়েছে।
০৭ আগস্ট ২০২৬