ইউরোপে অভিবাসী সংকট

সীমান্ত পারাপারে পাল্টাপাল্টি কড়াকড়ি স্পেন-ইতালির

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

প্রকাশ : ০৮ আগস্ট ২০২৬, ১২: ০২
অনুপ্রবেশের পর নিবন্ধনের জন্য স্পেনের সেউতার একটি পুলিশ স্টেশনের বাইরে অপেক্ষা করছে অভিবাসীরা। ছবি : রয়টার্স

স্পেনের সেউতা দ্বীপে সম্প্রতি অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ঢলের পর স্পেন থেকে যাওয়া যাত্রীদের তল্লাশিতে কড়াকড়ি আরোপ করেছিল ইতালি। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইতালি থেকে আসা যাত্রীদেরও কড়া তল্লাশির আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্পেন। খবর রয়টার্সের।

সেনজেনভুক্ত (ইউরোপের ২৯ দেশের পারস্পরিক সীমান্ত-মুক্ত অঞ্চল) দেশ দুটির পাল্টাপাল্টি সীমান্ত কড়াকড়ি ইউরোপে উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের আওতায় ইতালি থেকে স্পেনে আসা যাত্রীদের পাসপোর্ট, জাতীয়তা ও ভিসা পরীক্ষা করা হবে। স্পেন বলেছে, ইতালিতে চলমান অভিবাসীর চাপের কারণে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শনিবার (৮ আগস্ট) মধ্যরাত থেকে শুরু হয়ে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে।

গত ৩০ জুলাই প্রায় ৭৮ হাজার অবৈধ অভিবাসী মরক্কো থেকে স্পেনের সেউতায় ঢুকে পড়ে। এরপর স্পেন থেকে আসা যাত্রীদের পাসপোর্ট, জাতীয়তা ও ভিসায় বিধিনিষেধ চালু করে ইতালি। এ ঘটনার এক সপ্তাহ পর পাল্টা ব্যবস্থা নিল স্পেন। দেশটি জানায়, ইতালি সীমান্ত বিধিনিষেধ চালু রাখলে তারাও সীমান্তে নিয়ন্ত্রণ চালিয়ে যাবে।

এর আগে শুক্রবার সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ তুলে নিতে ইতালিকে দুই দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছিল স্পেন সরকার। তবে অন্তত ১৫ আগস্ট পর্যন্ত স্পেন থেকে আসা যাত্রীদের ওপর নিয়ম চালু রাখবে বলে জানায় ইতালি।

ইতালি সরকারের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, ইউরোপীয় দেশগুলোর নাগরিকদের ভোগান্তি কমাতে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। সীমান্তের তল্লাশি মূলত ইইউর বাইরের দেশগুলো থেকে আসা অভিবাসীদের জন্য।

তবে স্পেনের সংবাদপত্র ‘এল পাইস’ জানায়, ইতালির বিমানবন্দরে যাত্রীদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। সেখানে স্পেনের যাত্রীদের তল্লাশির জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা আলাদা লাইনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ইতালি দীর্ঘদিন ধরেই ইউরোপীয় ইউনিয়নে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে কঠোর নীতি অনুসরণের পক্ষে। সেউতা সংকটের পর অভিবাসীদের প্রবেশ ঠেকাতে তারা সাময়িকভাবে সেনজেনের সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ চালু করে। দেশটির জন্য এ ঘটনা অবশ্য নতুন নয়। বর্তমানে স্লোভেনিয়ার সঙ্গে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ চালু আছে ইতালির। স্পেনের উপর ইতালির সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছে ফিনল্যান্ড ও ডেনমার্কও।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত