স্ট্রিম ডেস্ক

আমাদের নতুন আইডিয়া দরকার— যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিশ্লেষকদের কাছে সম্প্রতি এমন একটি ই-মেইল পাঠিয়েছেন ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। তাঁর বার্তায় ‘সৃজনশীল ও অভিনব’ উপায়ে ইরানকে চাপে ফেলার নতুন পরিকল্পনা চাওয়া হয়। সোমবার (৩ আগস্ট) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন বলা হয়, গত বুধবার সেন্টকমের গোয়েন্দা শাখার এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ই-মেইলে সামরিক বিশ্লেষকদের উদ্দেশে লেখেন, ‘আমরা ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি এবং দেশটিকে শাস্তি দেওয়ার জন্য নতুন, সৃজনশীল ও প্রচলিত ধারার বাইরের কিছু উপায় খুঁজছি।’
এরপর থেকেই নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, ইরানকে মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রচলিত সামরিক কৌশল কি আর কাঙ্ক্ষিত ফল দিচ্ছে না? সেই কারণেই কি সেন্টকমকে নতুন ও ব্যতিক্রমী কৌশল খুঁজতে হচ্ছে?
ইরান যুদ্ধ শুরুর পর আকাশ প্রতিরক্ষায় ব্যবহৃত মার্কিন ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসার তথ্য এখন পুরোনো। এবার বিশ্বের সর্বাধুনিক সেনাবাহিনীর সামরিক কৌশল শেষ হওয়ার বার্তাই পাওয়া যাচ্ছে এর মাধ্যমে।
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক সূত্রের ভাষ্য, এভাবে ই-মেইল পাঠিয়ে সবার কাছ থেকে নতুন কৌশল চাওয়ার ঘটনা অত্যন্ত অস্বাভাবিক। তাদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের সামনে থাকা প্রচলিত কৌশল শেষ হয়ে এসেছে, নয়তো প্রত্যাশিত ফল দিচ্ছে না। তাই নতুন পথ খোঁজা চেষ্টা চলছে।
সেন্টকমের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিমোথি হকিন্স অবশ্য বলেছেন অন্য কথা। তাঁর ভাষায়, বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে নতুন আইডিয়া নেওয়া তাদের দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক সংস্কৃতির অংশ।
এদিকে, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা ও ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির (ডিআইএ) সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যেকোনো ধরনের হামলা ইরানের অবস্থান পরিবর্তন করতে পারছে না। একই ধরনের মন্তব্য করেছেন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন। তার ভাষায়, শুধু আকাশে আধিপত্য দিয়ে যুদ্ধের সব লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়।
যুদ্ধক্ষেত্রে অবশ্য এখনও প্রচলিত সামরিক কৌশলেই এগোচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতা সত্ত্বেও হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করতে এবং তেহরানকে আলোচনায় ফিরিয়ে আনতে সম্প্রতি টানা বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানে অবশিষ্ট পারমাণবিক স্থাপনা, এমনকি বিদ্যুৎ-জ্বালানির মতো বেসামরিক অবকাঠামোতে বড় ধরনের হামলা চালানোর হুমকিও দিয়েছে।
তবে ওই হামলার পরিকল্পনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ইরানের পিকঅ্যাক্স পর্বতসহ কয়েকটি স্থানে ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণাগার এতটাই গভীরে যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে শক্তিশালী বোমাও সেগুলো ধ্বংসের জন্য যথেষ্ট নয়। এসব স্থাপনায় কার্যকর হামলা চালাতে স্থলসেনা মোতায়েন করা লাগবে। তবে এটি বড় ধরনের সামরিক ও রাজনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করবে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রচলিত যুদ্ধ কৌশলের আরেকটি বড় সীমাবদ্ধতাও সামনে এসেছে। সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জেনারেল ড্যান কেইন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ প্রতিরক্ষায় ব্যবহৃত ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত দ্রুত কমে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইউক্রেনে এবং ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটি সুরক্ষায় বিপুল পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের কারণে এই চাপ তৈরি হয়েছে।
সবমিলিয়ে ইরানে অনেকটা আটকা পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রচলিত যুদ্ধকৌশলের শেষ অস্ত্র এখন স্থল সেনা পাঠানো। ইরানে স্থল সেনা পাঠিয়ে খার্গ দ্বীপ দখল বা দেশটির উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম জব্দ করার কথা একাধিকবার বলেছেন ট্রাম্প।
তবে এ নিয়েও বিপদে আছেন ট্রাম্প। স্থল সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত কার্যত ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির লঙ্ঘন। কারণ, ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি তোমাদের এমন অন্তহীন ও অর্থহীন বিদেশি যুদ্ধে পাঠাব না, যেখানে গিয়ে প্রাণ দিতে হবে।’
এমন বাস্তবতায় তাই ট্রাম্প প্রশাসনের হাতে খুব বেশি বিকল্প নেই। সাধারণ কৌশলে এই যুদ্ধ জেতা অসম্ভব, আবার হার মেনে ফিরে আসাও ট্রাম্পের জন্য সম্ভব নয়। দুই কূল রক্ষা করতে তাই অপ্রচলিত ও অভিনব কোনো কৌশলই এখন প্রয়োজন যুক্তরাষ্ট্রের।

আমাদের নতুন আইডিয়া দরকার— যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিশ্লেষকদের কাছে সম্প্রতি এমন একটি ই-মেইল পাঠিয়েছেন ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। তাঁর বার্তায় ‘সৃজনশীল ও অভিনব’ উপায়ে ইরানকে চাপে ফেলার নতুন পরিকল্পনা চাওয়া হয়। সোমবার (৩ আগস্ট) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন বলা হয়, গত বুধবার সেন্টকমের গোয়েন্দা শাখার এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ই-মেইলে সামরিক বিশ্লেষকদের উদ্দেশে লেখেন, ‘আমরা ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি এবং দেশটিকে শাস্তি দেওয়ার জন্য নতুন, সৃজনশীল ও প্রচলিত ধারার বাইরের কিছু উপায় খুঁজছি।’
এরপর থেকেই নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, ইরানকে মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রচলিত সামরিক কৌশল কি আর কাঙ্ক্ষিত ফল দিচ্ছে না? সেই কারণেই কি সেন্টকমকে নতুন ও ব্যতিক্রমী কৌশল খুঁজতে হচ্ছে?
ইরান যুদ্ধ শুরুর পর আকাশ প্রতিরক্ষায় ব্যবহৃত মার্কিন ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসার তথ্য এখন পুরোনো। এবার বিশ্বের সর্বাধুনিক সেনাবাহিনীর সামরিক কৌশল শেষ হওয়ার বার্তাই পাওয়া যাচ্ছে এর মাধ্যমে।
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক সূত্রের ভাষ্য, এভাবে ই-মেইল পাঠিয়ে সবার কাছ থেকে নতুন কৌশল চাওয়ার ঘটনা অত্যন্ত অস্বাভাবিক। তাদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের সামনে থাকা প্রচলিত কৌশল শেষ হয়ে এসেছে, নয়তো প্রত্যাশিত ফল দিচ্ছে না। তাই নতুন পথ খোঁজা চেষ্টা চলছে।
সেন্টকমের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিমোথি হকিন্স অবশ্য বলেছেন অন্য কথা। তাঁর ভাষায়, বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে নতুন আইডিয়া নেওয়া তাদের দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক সংস্কৃতির অংশ।
এদিকে, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা ও ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির (ডিআইএ) সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যেকোনো ধরনের হামলা ইরানের অবস্থান পরিবর্তন করতে পারছে না। একই ধরনের মন্তব্য করেছেন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন। তার ভাষায়, শুধু আকাশে আধিপত্য দিয়ে যুদ্ধের সব লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়।
যুদ্ধক্ষেত্রে অবশ্য এখনও প্রচলিত সামরিক কৌশলেই এগোচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতা সত্ত্বেও হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করতে এবং তেহরানকে আলোচনায় ফিরিয়ে আনতে সম্প্রতি টানা বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানে অবশিষ্ট পারমাণবিক স্থাপনা, এমনকি বিদ্যুৎ-জ্বালানির মতো বেসামরিক অবকাঠামোতে বড় ধরনের হামলা চালানোর হুমকিও দিয়েছে।
তবে ওই হামলার পরিকল্পনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ইরানের পিকঅ্যাক্স পর্বতসহ কয়েকটি স্থানে ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণাগার এতটাই গভীরে যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে শক্তিশালী বোমাও সেগুলো ধ্বংসের জন্য যথেষ্ট নয়। এসব স্থাপনায় কার্যকর হামলা চালাতে স্থলসেনা মোতায়েন করা লাগবে। তবে এটি বড় ধরনের সামরিক ও রাজনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করবে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রচলিত যুদ্ধ কৌশলের আরেকটি বড় সীমাবদ্ধতাও সামনে এসেছে। সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জেনারেল ড্যান কেইন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ প্রতিরক্ষায় ব্যবহৃত ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত দ্রুত কমে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইউক্রেনে এবং ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটি সুরক্ষায় বিপুল পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের কারণে এই চাপ তৈরি হয়েছে।
সবমিলিয়ে ইরানে অনেকটা আটকা পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রচলিত যুদ্ধকৌশলের শেষ অস্ত্র এখন স্থল সেনা পাঠানো। ইরানে স্থল সেনা পাঠিয়ে খার্গ দ্বীপ দখল বা দেশটির উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম জব্দ করার কথা একাধিকবার বলেছেন ট্রাম্প।
তবে এ নিয়েও বিপদে আছেন ট্রাম্প। স্থল সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত কার্যত ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির লঙ্ঘন। কারণ, ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি তোমাদের এমন অন্তহীন ও অর্থহীন বিদেশি যুদ্ধে পাঠাব না, যেখানে গিয়ে প্রাণ দিতে হবে।’
এমন বাস্তবতায় তাই ট্রাম্প প্রশাসনের হাতে খুব বেশি বিকল্প নেই। সাধারণ কৌশলে এই যুদ্ধ জেতা অসম্ভব, আবার হার মেনে ফিরে আসাও ট্রাম্পের জন্য সম্ভব নয়। দুই কূল রক্ষা করতে তাই অপ্রচলিত ও অভিনব কোনো কৌশলই এখন প্রয়োজন যুক্তরাষ্ট্রের।
.png)

যুক্তরাষ্ট্রে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে চটেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দাম বাড়ার জন্য দেশটির শীর্ষ তেল কোম্পানি এক্সনমোবিল ও শেভরনকে কাঠগড়ায় তুলেছেন তিনি। কোম্পানি দুটির বিরুদ্ধে অতিরিক্ত মুনাফা করার অভিযোগ তুলে অবিলম্বে খুচরা পর্যায়ে দাম কমানোর দাবি জানিয়েছেন তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পের পর এক মাস ১০ দিনে ৬ হাজার ১২৫ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করেছে দেশটি। সোমবার (৩ আগস্ট) দেশটির ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির প্রেসিডেন্ট হোর্হে রদ্রিগেজ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ভূমিকম্পে আহত অন্তত ৬১ হাজার মানুষ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। খবর আলজাজিরার।
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে নতুন করে আলোচনার উদ্যোগকে সমঝোতায় পৌঁছানোর ‘শেষ সুযোগ’ বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (৩ আগস্ট) হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এ কথা বলেন। খবর বার্তা সংস্থা এপির।
৭ ঘণ্টা আগে
গৃহবন্দি মিয়ানমারের নোবেলজয়ী সাবেক রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চির সঙ্গে আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির (আইসিআরসি) এক প্রতিনিধি সাক্ষাৎ করেছেন। সোমবার (৩ আগস্ট) সাক্ষাতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে আইসিআরসি।
২১ ঘণ্টা আগে