স্ট্রিম ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে চটেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর জন্য দেশটির শীর্ষ তেল কোম্পানি এক্সনমোবিল ও শেভরনকে কাঠগড়ায় তুলেছেন তিনি। কোম্পানি দুটির বিরুদ্ধে অতিরিক্ত মুনাফা করার অভিযোগ তুলে অবিলম্বে খুচরা পর্যায়ে দাম কমাতেও বলেছেন তিনি।
সোমবার (৩ আগস্ট) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি এটা পছন্দ করি না। শেভরন খুব বেশি টাকা আয় করছে। এক্সনমোবিলও খুব বেশি আয় করছে। জনগণের কাছে সেই অর্থের কিছু অংশ ফিরিয়ে দেওয়া উচিত।’
মাত্র তিন দিন আগে প্রকাশিত দ্বিতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদনে কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মুনাফার কথা জানিয়েছে এক্সনমোবিল ও শেভরন। ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়ায় কোম্পানি দুটির আয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
এর আগে, সোমবার নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে শেভরনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাইক ওয়ার্থের সমালোচনা করেন ট্রাম্প। ফক্স নিউজে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জ্বালানি মূল্য নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্প প্রশাসনের ভূমিকার কথা উল্লেখ না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
ট্রাম্প লেখেন, ‘তিনি শুধু একটা বিষয়ই সুবিধাজনকভাবে ভুলে গেছেন- ট্রাম্প প্রশাসনের দূরদর্শিতা, শক্তি ও স্থিতিশীলতা না থাকলে তেল শিল্প এবং আমাদের দেশই ধ্বংস হয়ে যেত।’
একই পোস্টে ভেনিজুয়েলায় শেভরনের কার্যক্রম পুনরায় সম্প্রসারণের কৃতিত্বও নিজের প্রশাসনকে দেন ট্রাম্প। তবে বাস্তবে কোম্পানিটি এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে ভেনিজুয়েলায় কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ২০০৭ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট হুগো শ্যাভেজ তেল প্রকল্প জাতীয়করণ করলে দেশটি ছাড়তে বাধ্য হয়। তবে পরবর্তীতে ফের কার্যক্রমে ফেরে।
এদিকে এক্সনমোবিল ও শেভরনের পাশে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের তেল শিল্পের সংগঠন আমেরিকান পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউট (এপিআই)। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে দেওয়া এক বিবৃতিতে সংগঠনটি জানিয়েছে, তেলের বর্তমান মূল্যবৃদ্ধির জন্য কোনো একক কোম্পানি দায়ী নয়। বৈশ্বিক চাহিদা-সরবরাহ, হরমুজ প্রণালিতে অনিশ্চয়তা এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণেই জ্বালানির দাম বেড়েছে।
দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফেরার পর থেকেই জ্বালানি উৎপাদন বাড়ানোর ওপর জোর দিয়ে আসছেন ট্রাম্প। ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানির দাম কম রাখতে তেল কোম্পানিগুলোর ওপর ধারাবাহিক চাপও দিয়ে আসছেন তিনি।
সোমবারও ট্রাম্প বলেন, ‘তাদের খুচরা দাম কমাতেই হবে।’ তার দাবি, ইরানকে ঘিরে সংঘাত শেষ হলে তেলের দাম ‘একেবারে তলানিতে’ নেমে যাবে।
চলতি বছরের শুরুতে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান শুরুর পর দেশটিতে খুচরা পর্যায়ে পেট্রোলের দাম ৩০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি গ্যালন পেট্রোলের গড় দাম প্রায় ৪ দশমিক ১০ ডলার।
বিশ্লেষকদের মতে, নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং জ্বালানির উচ্চ মূল্য ট্রাম্প ও তার দল রিপাবলিকান পার্টির জন্য রাজনৈতিক চাপ তৈরি করতে পারে।
সূত্র : সিএনএন ও রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে চটেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর জন্য দেশটির শীর্ষ তেল কোম্পানি এক্সনমোবিল ও শেভরনকে কাঠগড়ায় তুলেছেন তিনি। কোম্পানি দুটির বিরুদ্ধে অতিরিক্ত মুনাফা করার অভিযোগ তুলে অবিলম্বে খুচরা পর্যায়ে দাম কমাতেও বলেছেন তিনি।
সোমবার (৩ আগস্ট) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি এটা পছন্দ করি না। শেভরন খুব বেশি টাকা আয় করছে। এক্সনমোবিলও খুব বেশি আয় করছে। জনগণের কাছে সেই অর্থের কিছু অংশ ফিরিয়ে দেওয়া উচিত।’
মাত্র তিন দিন আগে প্রকাশিত দ্বিতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদনে কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মুনাফার কথা জানিয়েছে এক্সনমোবিল ও শেভরন। ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়ায় কোম্পানি দুটির আয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
এর আগে, সোমবার নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে শেভরনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাইক ওয়ার্থের সমালোচনা করেন ট্রাম্প। ফক্স নিউজে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জ্বালানি মূল্য নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্প প্রশাসনের ভূমিকার কথা উল্লেখ না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
ট্রাম্প লেখেন, ‘তিনি শুধু একটা বিষয়ই সুবিধাজনকভাবে ভুলে গেছেন- ট্রাম্প প্রশাসনের দূরদর্শিতা, শক্তি ও স্থিতিশীলতা না থাকলে তেল শিল্প এবং আমাদের দেশই ধ্বংস হয়ে যেত।’
একই পোস্টে ভেনিজুয়েলায় শেভরনের কার্যক্রম পুনরায় সম্প্রসারণের কৃতিত্বও নিজের প্রশাসনকে দেন ট্রাম্প। তবে বাস্তবে কোম্পানিটি এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে ভেনিজুয়েলায় কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ২০০৭ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট হুগো শ্যাভেজ তেল প্রকল্প জাতীয়করণ করলে দেশটি ছাড়তে বাধ্য হয়। তবে পরবর্তীতে ফের কার্যক্রমে ফেরে।
এদিকে এক্সনমোবিল ও শেভরনের পাশে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের তেল শিল্পের সংগঠন আমেরিকান পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউট (এপিআই)। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে দেওয়া এক বিবৃতিতে সংগঠনটি জানিয়েছে, তেলের বর্তমান মূল্যবৃদ্ধির জন্য কোনো একক কোম্পানি দায়ী নয়। বৈশ্বিক চাহিদা-সরবরাহ, হরমুজ প্রণালিতে অনিশ্চয়তা এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণেই জ্বালানির দাম বেড়েছে।
দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফেরার পর থেকেই জ্বালানি উৎপাদন বাড়ানোর ওপর জোর দিয়ে আসছেন ট্রাম্প। ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানির দাম কম রাখতে তেল কোম্পানিগুলোর ওপর ধারাবাহিক চাপও দিয়ে আসছেন তিনি।
সোমবারও ট্রাম্প বলেন, ‘তাদের খুচরা দাম কমাতেই হবে।’ তার দাবি, ইরানকে ঘিরে সংঘাত শেষ হলে তেলের দাম ‘একেবারে তলানিতে’ নেমে যাবে।
চলতি বছরের শুরুতে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান শুরুর পর দেশটিতে খুচরা পর্যায়ে পেট্রোলের দাম ৩০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি গ্যালন পেট্রোলের গড় দাম প্রায় ৪ দশমিক ১০ ডলার।
বিশ্লেষকদের মতে, নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং জ্বালানির উচ্চ মূল্য ট্রাম্প ও তার দল রিপাবলিকান পার্টির জন্য রাজনৈতিক চাপ তৈরি করতে পারে।
সূত্র : সিএনএন ও রয়টার্স
.png)

ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পের পর এক মাস ১০ দিনে ৬ হাজার ১২৫ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করেছে দেশটি। সোমবার (৩ আগস্ট) দেশটির ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির প্রেসিডেন্ট হোর্হে রদ্রিগেজ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ভূমিকম্পে আহত অন্তত ৬১ হাজার মানুষ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। খবর আলজাজিরার।
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে নতুন করে আলোচনার উদ্যোগকে সমঝোতায় পৌঁছানোর ‘শেষ সুযোগ’ বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (৩ আগস্ট) হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এ কথা বলেন। খবর বার্তা সংস্থা এপির।
৫ ঘণ্টা আগে
গৃহবন্দি মিয়ানমারের নোবেলজয়ী সাবেক রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চির সঙ্গে আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির (আইসিআরসি) এক প্রতিনিধি সাক্ষাৎ করেছেন। সোমবার (৩ আগস্ট) সাক্ষাতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে আইসিআরসি।
১৯ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে নতুন করে আলোচনা শুরুর দাবি করলেও তা সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে তেহরান। ইরান জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো আলোচনা চলছে না। বরং হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করতে ওমানের সঙ্গে একটি অস্থায়ী নৌ-করিডোর গঠনের বিষয়ে কাজ করছে তারা।
১ দিন আগে