স্ট্রিম ডেস্ক

জন্তর মন্তরের আশপাশসহ দিল্লির কয়েকটি এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করেছে ভারত সরকার। বিক্ষোভস্থল থেকে দুই কিলোমিটার দূরে মান্ডি হাউস মেট্রো স্টেশন এলাকাতেও মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ রয়েছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এ তথ্য জানিয়েছে।
টেলিযোগাযোগ খাতের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, প্রথমে বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত ইন্টারনেট বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। জন্তর মন্তরের চারপাশে প্রায় দেড় কিলোমিটার এলাকাজুড়ে এ নির্দেশ কার্যকর ছিল। পরে সময় বাড়িয়ে মধ্যরাত পর্যন্ত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ভোর থেকে মধ্য দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় ইন্টারনেট ছিল সেবা পেতে সমস্যা হচ্ছিল। অনেক জায়গায় একেবারেই সংযোগ পাওয়া যায়নি। এতে শুধু আন্দোলনকারীরা নন, কাজের প্রয়োজনে সাধারণ মানুষও ভোগান্তিতে পড়েন। আন্দোলনে অংশ নিতে আসা হাজারো মানুষ কল করতে বা বার্তা পাঠাতে পারেননি।
বৃহস্পতিবার সকালে মান্ডি হাউস এলাকায় থাকা এক এয়ারটেল গ্রাহকের ফোনে পাঠানো বার্তায় বলা হয়, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী আপনার এলাকায় সাময়িকভাবে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে সৃষ্ট অসুবিধার জন্য আমরা দুঃখিত।
ভারতে বিক্ষোভ বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে নির্দিষ্ট এলাকায় ইন্টারনেট বন্ধ করার ঘটনা নতুন নয়। সরকারের দাবি, এতে গুজব ছড়ানো ও সহিংসতা ঠেকানো সহজ হয়। তবে এতে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত হয়। ডিজিটাল লেনদেন, অ্যাপভিত্তিক পরিবহন, যোগাযোগ, নেভিগেশন এবং বিভিন্ন অনলাইন সেবায় বিঘ্ন ঘটে। একই সঙ্গে ক্ষতির মুখে পড়েন ব্যবসায়ী ও দিনমজুরেরা।
তবে ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ এখনো প্রকাশ করেনি সরকার।
ইন্টারনেট বন্ধের কারণ, মেয়াদ এবং কোন কোন এলাকায় এটি কার্যকর হয়েছে— এসব বিষয়ে জানতে এয়ারটেল, রিলায়েন্স জিও, ভোডাফোন আইডিয়া, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে প্রশ্ন পাঠিয়েছিল দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস। তবে প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত কোনো পক্ষই জবাব দেয়নি।
এর আগে, গত ২০ জুলাই শিক্ষার্থীদের আন্দোলন জোরালো হলে মধ্য দিল্লির কয়েকটি এলাকায় একইভাবে মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করা হয়েছিল। সেই নির্দেশের কপিও এখন পর্যন্ত প্রকাশ করা হয়নি।

জন্তর মন্তরের আশপাশসহ দিল্লির কয়েকটি এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করেছে ভারত সরকার। বিক্ষোভস্থল থেকে দুই কিলোমিটার দূরে মান্ডি হাউস মেট্রো স্টেশন এলাকাতেও মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ রয়েছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এ তথ্য জানিয়েছে।
টেলিযোগাযোগ খাতের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, প্রথমে বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত ইন্টারনেট বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। জন্তর মন্তরের চারপাশে প্রায় দেড় কিলোমিটার এলাকাজুড়ে এ নির্দেশ কার্যকর ছিল। পরে সময় বাড়িয়ে মধ্যরাত পর্যন্ত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ভোর থেকে মধ্য দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় ইন্টারনেট ছিল সেবা পেতে সমস্যা হচ্ছিল। অনেক জায়গায় একেবারেই সংযোগ পাওয়া যায়নি। এতে শুধু আন্দোলনকারীরা নন, কাজের প্রয়োজনে সাধারণ মানুষও ভোগান্তিতে পড়েন। আন্দোলনে অংশ নিতে আসা হাজারো মানুষ কল করতে বা বার্তা পাঠাতে পারেননি।
বৃহস্পতিবার সকালে মান্ডি হাউস এলাকায় থাকা এক এয়ারটেল গ্রাহকের ফোনে পাঠানো বার্তায় বলা হয়, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী আপনার এলাকায় সাময়িকভাবে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে সৃষ্ট অসুবিধার জন্য আমরা দুঃখিত।
ভারতে বিক্ষোভ বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে নির্দিষ্ট এলাকায় ইন্টারনেট বন্ধ করার ঘটনা নতুন নয়। সরকারের দাবি, এতে গুজব ছড়ানো ও সহিংসতা ঠেকানো সহজ হয়। তবে এতে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত হয়। ডিজিটাল লেনদেন, অ্যাপভিত্তিক পরিবহন, যোগাযোগ, নেভিগেশন এবং বিভিন্ন অনলাইন সেবায় বিঘ্ন ঘটে। একই সঙ্গে ক্ষতির মুখে পড়েন ব্যবসায়ী ও দিনমজুরেরা।
তবে ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ এখনো প্রকাশ করেনি সরকার।
ইন্টারনেট বন্ধের কারণ, মেয়াদ এবং কোন কোন এলাকায় এটি কার্যকর হয়েছে— এসব বিষয়ে জানতে এয়ারটেল, রিলায়েন্স জিও, ভোডাফোন আইডিয়া, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে প্রশ্ন পাঠিয়েছিল দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস। তবে প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত কোনো পক্ষই জবাব দেয়নি।
এর আগে, গত ২০ জুলাই শিক্ষার্থীদের আন্দোলন জোরালো হলে মধ্য দিল্লির কয়েকটি এলাকায় একইভাবে মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করা হয়েছিল। সেই নির্দেশের কপিও এখন পর্যন্ত প্রকাশ করা হয়নি।
.png)

শিক্ষার্থীদের ওপর ‘পুলিশি নির্যাতনের’ অভিযোগে আগামীকাল দেশব্যাপী শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দলটি সমর্থক, ছাত্রসংগঠন ও নাগরিক সমাজের বিভিন্ন সংগঠনকে নিজ নিজ জেলায় কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানিয়েছে তাঁরা। খবর হিন্দুস্থান টাইমস।
৪ ঘণ্টা আগে
ভারতের দিল্লিতে চলমান শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী আলিয়া ভাট। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাহস ও দৃঢ়তার প্রশংসা করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দিল্লিতে চলমান শিক্ষার্থী আন্দোলন যন্তর মন্তর থেকে ভারতজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে। এর মধ্যেই প্রশ্নফাঁসকারীদের দ্রুত বিচারের জন্য ফাস্টট্র্যাক আদালত গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি তিনি।
৮ ঘণ্টা আগে
১৯৯৭ সালে ওডিশায় প্রশ্নপত্র ফাঁসবিরোধী আন্দোলনের সামনের সারির ছাত্রনেতা ছিলেন বর্তমান ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। প্রায় তিন দশক পর নিট-ইউজি প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে এবার তাঁরই পদত্যাগ দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলছে। এতে অতীতের সেই আন্দোলন আবারও নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
১১ ঘণ্টা আগে