পশ্চিম তীরে ৬২৭টি অবৈধ আবাসন ইউনিট নির্মাণের টেন্ডার দিল ইসরায়েল

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

প্রকাশ : ০৯ আগস্ট ২০২৬, ১৬: ০৭
অধিকৃত পশ্চিম তীরে অবৈধ বসতি নির্মাণের জন্য জমি প্রস্তুত করা হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ৬২৭টি নতুন আবাসন ইউনিট নির্মাণের টেন্ডার দিয়েছে ইসরায়েল। ফিলিস্তিনি কলোনাইজেশন অ্যান্ড ওয়াল রেজিস্ট্যান্স কমিশন (সিআরআরসি) জানিয়েছে, কোখাভ ইয়াকোভ নামের ইসরায়েলি বসতিতে এসব আবাসন নির্মাণ করা হবে। খবর আলজাজিরা

সংগঠনটি শনিবার (৮ আগস্ট) জানায়, প্রকল্পটির জন্য গত বৃহস্পতিবার টেন্ডার প্রকাশ করেছে ইসরায়েল ল্যান্ড অথরিটি। রামাল্লা ও আল-বিরেহ প্রদেশের জমিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।

নির্মাণ কোম্পানিগুলোকে আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে দরপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে।

কোখাভ ইয়াকোভ একটি অবৈধ ইসরায়েলি বসতি। এটি উত্তর জেরুজালেম ও রামাল্লা-আল-বিরেহ শহরের মাঝামাঝি এলাকায় অবস্থিত। ‘বিনইয়ামিন’ নামে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ যে বসতিগুলো পরিচালনা করে, কোখাভ ইয়াকোভ তার একটি অংশ।

সিআরআরসির তথ্য অনুযায়ী, নতুন প্রকল্পটি প্রায় ৬৩ একর জমিতে হবে। ২০২৫ সালের ২৭ এপ্রিল ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ প্রকল্পটির অনুমোদন দেয়।

সিআরআরসির মতে, ইসরায়েলের এই পদক্ষেপ শুধু আবাসন নির্মাণে বিনিয়োগের বিষয় নয়। বসতিগুলোর অর্থনৈতিক অবকাঠামো শক্তিশালী করতেও ইসরায়েল বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে।

সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ পশ্চিম তীরে ১২টি অবৈধ বসতি প্রকল্পের জন্য টেন্ডার দিয়েছে। এসব প্রকল্পে পাঁচটি প্রধান বসতিতে মোট ১ হাজার ১৩৮টি আবাসন ইউনিট রয়েছে। এ ছাড়া শিল্পাঞ্চল, কার্যালয়, হাসপাতাল ও পর্যটন স্থাপনার জন্যও টেন্ডার দেওয়া হয়েছে।

চলতি বছর অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফিলিস্তিনি পর্যবেক্ষকদের হিসাবে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বাহিনী ও বসতি স্থাপনকারীদের ১১ হাজারের বেশি হামলার ঘটনা ঘটেছে।

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বারবার বলেছেন, ইসরায়েলি বসতিগুলোর কোনো আইনি বৈধতা নেই। এসব বসতি আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন।

২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত জানায়, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলের দখলদারত্ব অবৈধ।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত