স্ট্রিম ডেস্ক

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া একটি আবাসিক ভবনের নিচ থেকে ১৯টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। শনিবার (৮ আগস্ট) গাজার সিভিল ডিফেন্স এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছে। খবর আলজাজিরার।
উদ্ধার অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া মোহাম্মদ আবু দান জানান, গাজার পশ্চিমাঞ্চলে ‘করম’ নামের ভবনটিতে টানা চার দিন ধরে অনুসন্ধান চালান তারা। শনিবার তা শেষ হয়। এই অভিযানে অংশ নেওয়া বিশেষ চিকিৎসা দল ও সিভিল ডিফেন্স কর্মীরা এখন গাজার অন্য একটি স্থানে অনুসন্ধান শুরু করবেন।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি হামলায় গাজা উপত্যকা কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। মৃতের সংখ্যা ৭৩ হাজার ৩০০ ছাড়িয়েছে। আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭৪ হাজারের বেশি।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সবশেষ হিসাব অনুযায়ী, গত বছরের ১১ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও ইসরায়েলি হামলায় ১ হাজার ২৫৪ জন নিহত এবং ৪ হাজার ১২১ জন আহত হয়েছে। এই সময়ে ধ্বংসস্তূপ থেকে ৮০৪টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গাজাজুড়ে এখনও ৮ হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে তাদের দেহাবশেষ উদ্ধারে এসব অভিযান চালানো হচ্ছে।
তবে এসব অনুসন্ধান অভিযান কংক্রিট সরানোর প্রয়োজনীয় ভারী যন্ত্রপাতির সংকটের কারণে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। গাজাবাসী মূলত ধীরগতির ও হস্তচালিত যন্ত্র ব্যবহার করে ধ্বংসস্তূপ সরাচ্ছেন।
সিভিল ডিফেন্স কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংস হওয়া কংক্রিটের স্ল্যাবগুলো সরানোর মতো ভারী সরঞ্জাম না থাকায় উদ্ধারকারী দলগুলোকে প্রাথমিক স্তরের সরঞ্জাম ও ক্লান্তিকর কায়িক শ্রমের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।
এর আগে মঙ্গলবার গাজা সিটিতে আবু শারিয়া ও আল-হাসায়না পরিবারের ১১২ সদস্যের যৌথ জানাজা হয়। তাদের দেহাবশেষ ২০২৩ সালের নভেম্বরে ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংসপ্রাপ্ত গাজার সাবরা এলাকার একটি আবাসিক ব্লকে পাওয়া যায়।

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া একটি আবাসিক ভবনের নিচ থেকে ১৯টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। শনিবার (৮ আগস্ট) গাজার সিভিল ডিফেন্স এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছে। খবর আলজাজিরার।
উদ্ধার অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া মোহাম্মদ আবু দান জানান, গাজার পশ্চিমাঞ্চলে ‘করম’ নামের ভবনটিতে টানা চার দিন ধরে অনুসন্ধান চালান তারা। শনিবার তা শেষ হয়। এই অভিযানে অংশ নেওয়া বিশেষ চিকিৎসা দল ও সিভিল ডিফেন্স কর্মীরা এখন গাজার অন্য একটি স্থানে অনুসন্ধান শুরু করবেন।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি হামলায় গাজা উপত্যকা কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। মৃতের সংখ্যা ৭৩ হাজার ৩০০ ছাড়িয়েছে। আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭৪ হাজারের বেশি।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সবশেষ হিসাব অনুযায়ী, গত বছরের ১১ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও ইসরায়েলি হামলায় ১ হাজার ২৫৪ জন নিহত এবং ৪ হাজার ১২১ জন আহত হয়েছে। এই সময়ে ধ্বংসস্তূপ থেকে ৮০৪টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গাজাজুড়ে এখনও ৮ হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে তাদের দেহাবশেষ উদ্ধারে এসব অভিযান চালানো হচ্ছে।
তবে এসব অনুসন্ধান অভিযান কংক্রিট সরানোর প্রয়োজনীয় ভারী যন্ত্রপাতির সংকটের কারণে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। গাজাবাসী মূলত ধীরগতির ও হস্তচালিত যন্ত্র ব্যবহার করে ধ্বংসস্তূপ সরাচ্ছেন।
সিভিল ডিফেন্স কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংস হওয়া কংক্রিটের স্ল্যাবগুলো সরানোর মতো ভারী সরঞ্জাম না থাকায় উদ্ধারকারী দলগুলোকে প্রাথমিক স্তরের সরঞ্জাম ও ক্লান্তিকর কায়িক শ্রমের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।
এর আগে মঙ্গলবার গাজা সিটিতে আবু শারিয়া ও আল-হাসায়না পরিবারের ১১২ সদস্যের যৌথ জানাজা হয়। তাদের দেহাবশেষ ২০২৩ সালের নভেম্বরে ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংসপ্রাপ্ত গাজার সাবরা এলাকার একটি আবাসিক ব্লকে পাওয়া যায়।
.png)

জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দিতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ প্রত্যাহার, ক্ষতিপূরণসহ একাধিক শর্ত দিয়েছে ইরান। প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে ওমানের সঙ্গে সমঝোতা প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে বলেও জানিয়েছে দেশটি।
২ ঘণ্টা আগে
ইউরোপের দুটি দেশে অজ্ঞাতনামা ড্রোন দেখা যাওয়ায় নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি বুলগেরিয়ায় ড্রোন বিস্ফোরিত হয়েছে। জার্মানির একটি সামরিক ঘাঁটির ওপর দুটি ড্রোন উড়তে দেখা গেছে। ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়ার চলমান যুদ্ধের মধ্যে এসব ঘটনা ঘটল।
১২ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ায় বিরল খনিজ স্ক্যান্ডিয়ামের একটি খনিতে ৪০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিবে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির প্রতিরক্ষা বিভাগ শুক্রবার (৭ জুলাই) এই ঘোষণা দেয়।
১৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ক্ষতিপূরণ না দিলে হরমুজ প্রণালি খোলা হবে না বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।শনিবার (৮ আগস্ট) সামাজিক মাধ্যম টেলিগ্রামে এ কথা জানান তিনি। আরাঘচি বলেন, ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ক্ষতিপূরণ না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ পুনরায় খোলার সম্ভাবনা নেই।
১৪ ঘণ্টা আগে