স্ট্রিম ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজায় নতুন যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা ঘোষণার পর উপত্যকাটিতে হামলার তীব্রতা বাড়িয়েছে ইসরায়েল। রোববার (২ আগস্ট) ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত গাজার বিভিন্ন এলাকায় বিমান ও ড্রোন হামলায় অন্তত ১৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের আশ্রয়শিবিরের পাশাপাশি গাজার দেইর আল-বালাহর আল-আকসা শহীদ হাসপাতালের ওষুধ সংরক্ষণাগারেও হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। খবর আল জাজিরা, আনাদোলু ও এপির।
গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, গত কয়েক সপ্তাহের মধ্যে একদিনে এটিই সর্বোচ্চ প্রাণহানির ঘটনা। এদিন গাজা সিটি, খান ইউনিস, দেইর আল-বালাহ, জাবালিয়া শরণার্থী শিবির ও আল-মাওয়াসিসহ উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় আবাসিক ভবন, বাস্তুচ্যুতদের তাঁবু এবং চলন্ত যানবাহন লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।
গাজা সিটির একটি বহুতল আবাসিক ভবনে বিমান হামলায় একই পরিবারের তিনজন নিহত হন। খান ইউনিসের আল-কারারা এলাকায় আরেকটি হামলায় প্রাণ হারান একই পরিবারের আরও তিন সদস্য। মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহে পৃথক হামলায় এক দম্পতি এবং মোটরসাইকেলে থাকা দুই ভাই নিহত হয়েছেন। এছাড়া জাবালিয়া শরণার্থী শিবির, আল-মাওয়াসি ও গাজা সিটির বিভিন্ন স্থানে চালানো হামলায় আরও ৯ জন নিহত হন।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মুনির আল-বুরশ জানান, আল-আকসা শহীদ হাসপাতালের চারটি ওষুধ সংরক্ষণাগারের মধ্যে দুটি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। বাকি দুটি গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, ওষুধ ও চিকিৎসা ব্যবস্থাকেও যুদ্ধের অস্ত্রে পরিণত করছে ইসরায়েল।
নিজস্ব সংবাদদাতাদের বরাতে আল জাজিরা জানিয়েছে, গত ৪৮ ঘণ্টায় গাজার বিভিন্ন এলাকায় খুব নিচু দিয়ে উড়ে একাধিক হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এসব হামলার আগে কোনো আগাম সতর্কতা বা স্থানীয়দের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়নি। হামলার লক্ষ্যবস্তুতে হামাস ও অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যরা অবস্থান করছিল বলে দাবি করেছে ইসরায়েল।
ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার মধ্যেই হামলা আরও জোরদার হওয়ায় এর কার্যকারিতা নিয়েও নতুন প্রশ্ন উঠেছে। শুক্রবার ট্রাম্প এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ২০ দফা গাজা শান্তি পরিকল্পনা তদারককারী বোর্ড অব পিস জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির পরবর্তী ধাপ বাস্তবায়নের একটি বিস্তারিত রোডম্যাপে সম্মতি দিয়েছে হামাস। তবে পরিকল্পনা ঘোষণার পরও হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেয়নি তেল আবিব।
রোববার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয়ের মুখপাত্র ডরন স্পিলম্যান বার্তা সংস্থা এপিকে জানান, হামাস পুরোপুরি নিরস্ত্র হওয়ার আগে গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে না ইসরায়েল। একই সঙ্গে ভবিষ্যতেও প্রয়োজন হলে গাজায় সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার নিশ্চয়তা চেয়েছে তেল আবিব। এছাড়া যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণে কাতার ও তুরস্কের ভূমিকা নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে ইসরায়েল।
ইসরায়েলের জ্বালানিমন্ত্রী এলি কোহেন বলেছেন, আলোচনার সময় হামলা বন্ধ রাখার মতো কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। হামাস নিরস্ত্র না হলে গাজার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অন্যদিকে হামাস অভিযোগ করেছে, যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন ব্যাহত করতেই হামলার তীব্রতা বাড়িয়েছে ইসরায়েল। সংগঠনটি জানিয়েছে, মধ্যস্থতাকারী দেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া সমঝোতা নস্যাৎ করতেই এসব হামলা চালানো হচ্ছে। মধ্যস্থতাকারী ও যুদ্ধবিরতির নিশ্চয়তা দেওয়া দেশগুলোর প্রতি ইসরায়েলের ওপর চাপ প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছে হামাস।
গাজা শান্তি পরিকল্পনার প্রধান দূত নিকোলাই ম্লাদেনভ বলেছেন, উত্তেজনা কমিয়ে যুদ্ধবিরতির রোডম্যাপ বাস্তবায়নের পরিবেশ তৈরিতে মধ্যস্থতাকারীরা নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছেন।
এদিকে, গাজায় ইসরায়েলের সর্বশেষ হামলার কঠোর সমালোচনা করেছে তুরস্ক। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, সাম্প্রতিক হামলা আবারও প্রমাণ করেছে যে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার শান্তি প্রতিষ্ঠায় আগ্রহী নয়।
নেতানিয়াহুর একমাত্র লক্ষ্য ফিলিস্তিনিদের নিজ ভূমি থেকে উৎখাত করা এবং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা ঠেকিয়ে দেওয়া। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে চলমান মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা নস্যাৎ করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছে আঙ্কারা।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ২৩০ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৪ হাজার ৭৬ জন আহত হয়েছেন। শুধু গত জুলাই মাসেই ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় গাজায় নিহত হয়েছেন ১৫২ জন, যা চলতি বছরের কোনো এক মাসে সর্বোচ্চ প্রাণহানি।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজায় নতুন যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা ঘোষণার পর উপত্যকাটিতে হামলার তীব্রতা বাড়িয়েছে ইসরায়েল। রোববার (২ আগস্ট) ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত গাজার বিভিন্ন এলাকায় বিমান ও ড্রোন হামলায় অন্তত ১৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের আশ্রয়শিবিরের পাশাপাশি গাজার দেইর আল-বালাহর আল-আকসা শহীদ হাসপাতালের ওষুধ সংরক্ষণাগারেও হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। খবর আল জাজিরা, আনাদোলু ও এপির।
গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, গত কয়েক সপ্তাহের মধ্যে একদিনে এটিই সর্বোচ্চ প্রাণহানির ঘটনা। এদিন গাজা সিটি, খান ইউনিস, দেইর আল-বালাহ, জাবালিয়া শরণার্থী শিবির ও আল-মাওয়াসিসহ উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় আবাসিক ভবন, বাস্তুচ্যুতদের তাঁবু এবং চলন্ত যানবাহন লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।
গাজা সিটির একটি বহুতল আবাসিক ভবনে বিমান হামলায় একই পরিবারের তিনজন নিহত হন। খান ইউনিসের আল-কারারা এলাকায় আরেকটি হামলায় প্রাণ হারান একই পরিবারের আরও তিন সদস্য। মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহে পৃথক হামলায় এক দম্পতি এবং মোটরসাইকেলে থাকা দুই ভাই নিহত হয়েছেন। এছাড়া জাবালিয়া শরণার্থী শিবির, আল-মাওয়াসি ও গাজা সিটির বিভিন্ন স্থানে চালানো হামলায় আরও ৯ জন নিহত হন।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মুনির আল-বুরশ জানান, আল-আকসা শহীদ হাসপাতালের চারটি ওষুধ সংরক্ষণাগারের মধ্যে দুটি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। বাকি দুটি গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, ওষুধ ও চিকিৎসা ব্যবস্থাকেও যুদ্ধের অস্ত্রে পরিণত করছে ইসরায়েল।
নিজস্ব সংবাদদাতাদের বরাতে আল জাজিরা জানিয়েছে, গত ৪৮ ঘণ্টায় গাজার বিভিন্ন এলাকায় খুব নিচু দিয়ে উড়ে একাধিক হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এসব হামলার আগে কোনো আগাম সতর্কতা বা স্থানীয়দের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়নি। হামলার লক্ষ্যবস্তুতে হামাস ও অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যরা অবস্থান করছিল বলে দাবি করেছে ইসরায়েল।
ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার মধ্যেই হামলা আরও জোরদার হওয়ায় এর কার্যকারিতা নিয়েও নতুন প্রশ্ন উঠেছে। শুক্রবার ট্রাম্প এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ২০ দফা গাজা শান্তি পরিকল্পনা তদারককারী বোর্ড অব পিস জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির পরবর্তী ধাপ বাস্তবায়নের একটি বিস্তারিত রোডম্যাপে সম্মতি দিয়েছে হামাস। তবে পরিকল্পনা ঘোষণার পরও হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেয়নি তেল আবিব।
রোববার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয়ের মুখপাত্র ডরন স্পিলম্যান বার্তা সংস্থা এপিকে জানান, হামাস পুরোপুরি নিরস্ত্র হওয়ার আগে গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে না ইসরায়েল। একই সঙ্গে ভবিষ্যতেও প্রয়োজন হলে গাজায় সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার নিশ্চয়তা চেয়েছে তেল আবিব। এছাড়া যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণে কাতার ও তুরস্কের ভূমিকা নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে ইসরায়েল।
ইসরায়েলের জ্বালানিমন্ত্রী এলি কোহেন বলেছেন, আলোচনার সময় হামলা বন্ধ রাখার মতো কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। হামাস নিরস্ত্র না হলে গাজার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অন্যদিকে হামাস অভিযোগ করেছে, যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন ব্যাহত করতেই হামলার তীব্রতা বাড়িয়েছে ইসরায়েল। সংগঠনটি জানিয়েছে, মধ্যস্থতাকারী দেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া সমঝোতা নস্যাৎ করতেই এসব হামলা চালানো হচ্ছে। মধ্যস্থতাকারী ও যুদ্ধবিরতির নিশ্চয়তা দেওয়া দেশগুলোর প্রতি ইসরায়েলের ওপর চাপ প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছে হামাস।
গাজা শান্তি পরিকল্পনার প্রধান দূত নিকোলাই ম্লাদেনভ বলেছেন, উত্তেজনা কমিয়ে যুদ্ধবিরতির রোডম্যাপ বাস্তবায়নের পরিবেশ তৈরিতে মধ্যস্থতাকারীরা নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছেন।
এদিকে, গাজায় ইসরায়েলের সর্বশেষ হামলার কঠোর সমালোচনা করেছে তুরস্ক। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, সাম্প্রতিক হামলা আবারও প্রমাণ করেছে যে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার শান্তি প্রতিষ্ঠায় আগ্রহী নয়।
নেতানিয়াহুর একমাত্র লক্ষ্য ফিলিস্তিনিদের নিজ ভূমি থেকে উৎখাত করা এবং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা ঠেকিয়ে দেওয়া। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে চলমান মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা নস্যাৎ করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছে আঙ্কারা।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ২৩০ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৪ হাজার ৭৬ জন আহত হয়েছেন। শুধু গত জুলাই মাসেই ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় গাজায় নিহত হয়েছেন ১৫২ জন, যা চলতি বছরের কোনো এক মাসে সর্বোচ্চ প্রাণহানি।
.png)

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় সোয়াত উপত্যকায় থানার বাইরে আয়োজিত শান্তি সমাবেশে আত্মঘাতী বোমাহামলায় ৫ পুলিশ কর্মকর্তাসহ অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। হামলায় আরও ২২ জন আহত হয়েছেন। রোববার (২ আগস্ট) সন্ধ্যায় আফগানিস্তান সীমান্তসংলগ্ন খাইবার পাখতুনখাওয়ার সোয়াটে এই ঘটনা ঘটে।
১১ ঘণ্টা আগেনারীবাদী লেখক তসলিমা নাসরিন নব্বইয়ের দশক থেকেই নানা কারণে আলোচিত। দীর্ঘদিন ধরে তিনি সাহিত্য, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং ধর্মীয় মৌলবাদ—এই তিন বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। কেউ তাঁকে সাহসী লেখক হিসেবে দেখেন, কেউ তাঁর বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন।
১২ ঘণ্টা আগে
মরক্কো থেকে স্পেনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল সেউতায় প্রায় ৬০ হাজার অভিবাসীর প্রবেশের ঘটনায় তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কোনো তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই এ সংকটের পেছনে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা থাকতে পারে বলে অভিযোগ তুলেছেন স্পেনের কয়েকজন রাজনীতিক ও বিশ্লেষক।
১৩ ঘণ্টা আগে
গত তিন বছর মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো সামরিক ও রাজনৈতিক চাপের মুখে ছিল। তবে গোষ্ঠীগুলো আবার সক্রিয় হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, এতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতে তেহরানের কৌশলগত অবস্থান আরও শক্তিশালী হচ্ছে।
১৫ ঘণ্টা আগে