স্ট্রিম ডেস্ক
নারীবাদী লেখক তসলিমা নাসরিন নব্বইয়ের দশক থেকেই নানা কারণে আলোচিত। দীর্ঘদিন ধরে তিনি সাহিত্য, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং ধর্মীয় মৌলবাদ—এই তিন বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। কেউ তাঁকে সাহসী লেখক হিসেবে দেখেন, কেউ তাঁর বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন। কিন্তু একটি বিষয় নিয়ে দ্বিমত নেই—গত তিন দশক ধরে তাঁর জীবন শুধু একজন লেখকের জীবন নয়। নির্বাসন, বিতর্ক এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে তিনি সব সময় আছেন উচ্চকিত।
প্রায় ১৯ বছর পর গতকাল শনিবার (১ আগস্ট) পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিতি সেই পুরোনো অধ্যায়কেই আবার আলোচনায় নিয়ে এসেছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে এবং তিনি বলেছেন, তসলিমা পশ্চিমবঙ্গে যখন খুশি আসতে পারবেন।
বাংলাদেশ ছাড়তে হয়েছিল কেন
১৯৬২ সালের ২৫ আগস্ট ময়মনসিংহে জন্ম নেওয়া তসলিমা নাসরিন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করে চিকিৎসক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। পাশাপাশি আশির দশক থেকেই কবিতা, কলাম ও প্রবন্ধ লিখতে থাকেন।
নব্বইয়ের দশকে নারী অধিকার, ধর্মীয় রক্ষণশীলতা এবং সমাজের বৈষম্য নিয়ে লেখালেখি তাঁকে দ্রুত আলোচনায় নিয়ে আসে। ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত তাঁর ‘লজ্জা’ উপন্যাস বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি আলোচিত বইগুলোর একটি হয়ে ওঠে। বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পর বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারের ওপর নির্যাতনের প্রেক্ষাপটে লেখা বইটি একদিকে প্রশংসিত হয়, অন্যদিকে তীব্র বিরোধিতার মুখেও পড়ে।
১৯৯৪ সালে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়, বিভিন্ন সংগঠন তাঁর মৃত্যুদণ্ড দাবি করে এবং জনসমাবেশে তাঁর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়। নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হলে তিনি বাংলাদেশ ছাড়তে বাধ্য হন। এরপর তিনি ইউরোপে রাজনৈতিক আশ্রয় নেন।
দেশে দেশে তসলিমা
বাংলাদেশ ছাড়ার পর তসলিমা নাসরিন প্রায় এক দশক পশ্চিম ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন দেশে কাটান। এ সময় তাঁর বাংলাদেশের পাসপোর্ট বাতিল হয়ে যায়। পরে সুইডেন সরকার তাঁকে নাগরিকত্ব দেয় এবং তিনি জার্মানিতে আশ্রয় নেন। ভারতে প্রবেশের ভিসা পেতে তাঁকে প্রায় ছয় বছর অপেক্ষা করতে হয়। অবশেষে ১৯৯৯ সালে তিনি প্রথমবার ভারতের ভিসা পান।
এর আগের বছর, ১৯৯৮ সালে তিনি তাঁর আত্মজীবনীর প্রথম খণ্ড ‘মেয়েবেলা’ প্রকাশ করেন। পরে জার্মানি, ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্রেও বিভিন্ন সময় লেখক-আবাস, ফেলোশিপ এবং সাহিত্যিক আমন্ত্রণে থেকেছেন। এই সময়েও তিনি নিয়মিত বই লিখেছেন, আত্মজীবনীর একাধিক খণ্ড প্রকাশ করেছেন এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও নারীর অধিকার নিয়ে কথা বলেছেন।
দ্বিতীয় ঠিকানা কলকাতা
২০০৪ সালে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর তিনি ভারতে আসেন এবং কলকাতায় বসবাস শুরু করেন। বাংলা ভাষায় লেখালেখি করা একজন লেখকের কাছে কলকাতা ছিল স্বাভাবিকভাবেই গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। সাহিত্যচর্চা, প্রকাশনা এবং পাঠকের কাছাকাছি থাকার সুযোগ তাঁকে শহরটির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত করে। কিন্তু সেই অধ্যায়ও দীর্ঘস্থায়ী হয়নি।

২০০৭ সালের নভেম্বরে তাঁর আত্মজীবনীর একটি খণ্ড ‘দ্বিখণ্ডিত’ নিয়ে বিতর্কের মধ্যে কলকাতায় বিক্ষোভ ও সহিংসতার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে তাঁকে নিরাপত্তার স্বার্থে কলকাতা ছাড়তে হয়। এরপর প্রথমে তাঁকে রাজস্থানের জয়পুরে এবং পরে দিল্লিতে নেওয়া হয়।
দিল্লির বছরগুলো
দিল্লিতে তাঁর জীবন ছিল অনেকটাই সীমাবদ্ধ। ভারত সরকারের নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্যে দীর্ঘ সময় তাঁকে থাকতে হয়েছে। প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া, অবাধে চলাফেরা করা কিংবা কলকাতায় ফিরে যাওয়া—সবই ছিল সীমিত।
তার পরও লেখালেখি থেমে থাকেনি। এই সময়েও তিনি আত্মজীবনী, উপন্যাস, প্রবন্ধ ও কলাম লিখে গেছেন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সাহিত্য উৎসব, মানবাধিকারবিষয়ক সম্মেলন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আমন্ত্রণে বিদেশ সফরও করেছেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তিনি মূলত দিল্লি ও বিদেশে সময় কাটিয়েছেন।
প্রায় দুই দশক পর আবার কলকাতায় ফেরা
দীর্ঘ ১৯ বছর পর গতকাল শনিবার (১ আগস্ট) তসলিমা নাসরিন আবার কলকাতায় ফিরে আসেন। রবীন্দ্র সদনে মৌলবাদবিরোধী একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর তাঁকে ঐতিহ্যবাহী সংবর্ধনা দেওয়া হয়। শঙ্খধ্বনি, ফুল এবং শুভেচ্ছায় তাঁকে স্বাগত জানান আয়োজকেরা। আবেগাপ্লুত তসলিমা বলেন, কলকাতায় ফিরে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত।
অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তসলিমা নাসরিন যখন ইচ্ছা পশ্চিমবঙ্গে আসতে পারবেন এবং তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্ব রাজ্য সরকার নেবে। অন্যদিকে তসলিমা বলেন, তাঁর এই প্রত্যাবর্তন প্রমাণ করে, দীর্ঘদিন অন্যায় চললেও তা চিরস্থায়ী হয় না।
নারীবাদী লেখক তসলিমা নাসরিন নব্বইয়ের দশক থেকেই নানা কারণে আলোচিত। দীর্ঘদিন ধরে তিনি সাহিত্য, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং ধর্মীয় মৌলবাদ—এই তিন বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। কেউ তাঁকে সাহসী লেখক হিসেবে দেখেন, কেউ তাঁর বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন। কিন্তু একটি বিষয় নিয়ে দ্বিমত নেই—গত তিন দশক ধরে তাঁর জীবন শুধু একজন লেখকের জীবন নয়। নির্বাসন, বিতর্ক এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে তিনি সব সময় আছেন উচ্চকিত।
প্রায় ১৯ বছর পর গতকাল শনিবার (১ আগস্ট) পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিতি সেই পুরোনো অধ্যায়কেই আবার আলোচনায় নিয়ে এসেছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে এবং তিনি বলেছেন, তসলিমা পশ্চিমবঙ্গে যখন খুশি আসতে পারবেন।
বাংলাদেশ ছাড়তে হয়েছিল কেন
১৯৬২ সালের ২৫ আগস্ট ময়মনসিংহে জন্ম নেওয়া তসলিমা নাসরিন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করে চিকিৎসক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। পাশাপাশি আশির দশক থেকেই কবিতা, কলাম ও প্রবন্ধ লিখতে থাকেন।
নব্বইয়ের দশকে নারী অধিকার, ধর্মীয় রক্ষণশীলতা এবং সমাজের বৈষম্য নিয়ে লেখালেখি তাঁকে দ্রুত আলোচনায় নিয়ে আসে। ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত তাঁর ‘লজ্জা’ উপন্যাস বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি আলোচিত বইগুলোর একটি হয়ে ওঠে। বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পর বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারের ওপর নির্যাতনের প্রেক্ষাপটে লেখা বইটি একদিকে প্রশংসিত হয়, অন্যদিকে তীব্র বিরোধিতার মুখেও পড়ে।
১৯৯৪ সালে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়, বিভিন্ন সংগঠন তাঁর মৃত্যুদণ্ড দাবি করে এবং জনসমাবেশে তাঁর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়। নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হলে তিনি বাংলাদেশ ছাড়তে বাধ্য হন। এরপর তিনি ইউরোপে রাজনৈতিক আশ্রয় নেন।
দেশে দেশে তসলিমা
বাংলাদেশ ছাড়ার পর তসলিমা নাসরিন প্রায় এক দশক পশ্চিম ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন দেশে কাটান। এ সময় তাঁর বাংলাদেশের পাসপোর্ট বাতিল হয়ে যায়। পরে সুইডেন সরকার তাঁকে নাগরিকত্ব দেয় এবং তিনি জার্মানিতে আশ্রয় নেন। ভারতে প্রবেশের ভিসা পেতে তাঁকে প্রায় ছয় বছর অপেক্ষা করতে হয়। অবশেষে ১৯৯৯ সালে তিনি প্রথমবার ভারতের ভিসা পান।
এর আগের বছর, ১৯৯৮ সালে তিনি তাঁর আত্মজীবনীর প্রথম খণ্ড ‘মেয়েবেলা’ প্রকাশ করেন। পরে জার্মানি, ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্রেও বিভিন্ন সময় লেখক-আবাস, ফেলোশিপ এবং সাহিত্যিক আমন্ত্রণে থেকেছেন। এই সময়েও তিনি নিয়মিত বই লিখেছেন, আত্মজীবনীর একাধিক খণ্ড প্রকাশ করেছেন এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও নারীর অধিকার নিয়ে কথা বলেছেন।
দ্বিতীয় ঠিকানা কলকাতা
২০০৪ সালে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর তিনি ভারতে আসেন এবং কলকাতায় বসবাস শুরু করেন। বাংলা ভাষায় লেখালেখি করা একজন লেখকের কাছে কলকাতা ছিল স্বাভাবিকভাবেই গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। সাহিত্যচর্চা, প্রকাশনা এবং পাঠকের কাছাকাছি থাকার সুযোগ তাঁকে শহরটির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত করে। কিন্তু সেই অধ্যায়ও দীর্ঘস্থায়ী হয়নি।

২০০৭ সালের নভেম্বরে তাঁর আত্মজীবনীর একটি খণ্ড ‘দ্বিখণ্ডিত’ নিয়ে বিতর্কের মধ্যে কলকাতায় বিক্ষোভ ও সহিংসতার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে তাঁকে নিরাপত্তার স্বার্থে কলকাতা ছাড়তে হয়। এরপর প্রথমে তাঁকে রাজস্থানের জয়পুরে এবং পরে দিল্লিতে নেওয়া হয়।
দিল্লির বছরগুলো
দিল্লিতে তাঁর জীবন ছিল অনেকটাই সীমাবদ্ধ। ভারত সরকারের নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্যে দীর্ঘ সময় তাঁকে থাকতে হয়েছে। প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া, অবাধে চলাফেরা করা কিংবা কলকাতায় ফিরে যাওয়া—সবই ছিল সীমিত।
তার পরও লেখালেখি থেমে থাকেনি। এই সময়েও তিনি আত্মজীবনী, উপন্যাস, প্রবন্ধ ও কলাম লিখে গেছেন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সাহিত্য উৎসব, মানবাধিকারবিষয়ক সম্মেলন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আমন্ত্রণে বিদেশ সফরও করেছেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তিনি মূলত দিল্লি ও বিদেশে সময় কাটিয়েছেন।
প্রায় দুই দশক পর আবার কলকাতায় ফেরা
দীর্ঘ ১৯ বছর পর গতকাল শনিবার (১ আগস্ট) তসলিমা নাসরিন আবার কলকাতায় ফিরে আসেন। রবীন্দ্র সদনে মৌলবাদবিরোধী একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর তাঁকে ঐতিহ্যবাহী সংবর্ধনা দেওয়া হয়। শঙ্খধ্বনি, ফুল এবং শুভেচ্ছায় তাঁকে স্বাগত জানান আয়োজকেরা। আবেগাপ্লুত তসলিমা বলেন, কলকাতায় ফিরে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত।
অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তসলিমা নাসরিন যখন ইচ্ছা পশ্চিমবঙ্গে আসতে পারবেন এবং তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্ব রাজ্য সরকার নেবে। অন্যদিকে তসলিমা বলেন, তাঁর এই প্রত্যাবর্তন প্রমাণ করে, দীর্ঘদিন অন্যায় চললেও তা চিরস্থায়ী হয় না।
.png)

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় সোয়াত উপত্যকায় থানার বাইরে আয়োজিত শান্তি সমাবেশে আত্মঘাতী বোমাহামলায় ৫ পুলিশ কর্মকর্তাসহ অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। হামলায় আরও ২২ জন আহত হয়েছেন। রোববার (২ আগস্ট) সন্ধ্যায় আফগানিস্তান সীমান্তসংলগ্ন খাইবার পাখতুনখাওয়ার সোয়াটে এই ঘটনা ঘটে।
৪৩ মিনিট আগে
মরক্কো থেকে স্পেনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল সেউতায় প্রায় ৬০ হাজার অভিবাসীর প্রবেশের ঘটনায় তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কোনো তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই এ সংকটের পেছনে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা থাকতে পারে বলে অভিযোগ তুলেছেন স্পেনের কয়েকজন রাজনীতিক ও বিশ্লেষক।
২ ঘণ্টা আগে
গত তিন বছর মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো সামরিক ও রাজনৈতিক চাপের মুখে ছিল। তবে গোষ্ঠীগুলো আবার সক্রিয় হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, এতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতে তেহরানের কৌশলগত অবস্থান আরও শক্তিশালী হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে
সামাজিক মাধ্যমে রায় নিয়ে গুজব ছড়িয়ে পড়ে– সমুদ্রপথে কেউ স্পেনে পৌঁছালে, তাঁকে ফেরত পাঠানো হবে না। এরপরই অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ঢল নামে উত্তর আফ্রিকায় স্পেনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল সেউতায়।
৬ ঘণ্টা আগে