স্ট্রিম ডেস্ক

ইরানের বিভিন্ন স্থানে নতুন করে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। নজিরবিহীন এ হামলায় অন্তত ৮ জন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
এদিকে, একইসময়ে তেহরানও উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর পাল্টা হামলা জোরদার করেছে। পাশাপাশি নিজেদের বিদ্যুৎকেন্দ্রে আঘাত করলে ইসরায়েলসহ আঞ্চলিক দেশগুলোর বিদ্যুৎ স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করার হুমকি দিয়েছে তেহরান।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী সোমবার জানায়, তারা তেহরানে অবকাঠামো লক্ষ্য করে ‘বৃহৎ পরিসরের হামলা’ শুরু করেছে। তবে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার দাবি করেন, ইরান জনবসতিপূর্ণ এলাকা থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়ছে। ফলে এসব এলাকা লক্ষ্যবস্তু হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি। তবে এ দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানায়, তারা ইরানের কোম প্রদেশে একটি টারবাইন ইঞ্জিন উৎপাদন কেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এই স্থাপনাটি ড্রোন ও সামরিক বিমানের যন্ত্রাংশ তৈরির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে দাবি করা হয়েছে।
তেহরান থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক জানান, রাজধানীতে বিস্ফোরণের মাত্রা ও তীব্রতা ‘নজিরবিহীন বা অভূতপূর্ব’, বিশেষ করে শহরের পূর্বাঞ্চলে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ফার্স জানায়, খোররামাবাদ শহরের একটি আবাসিক ভবনে হামলায় এক শিশু নিহত এবং কয়েকজন আহত হয়েছে। তাবরিজ শহরে আবাসিক এলাকায় হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এছাড়া দেশের আরও কয়েকটি শহরে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। বন্দর আব্বাসে একটি রেডিও স্টেশন লক্ষ্য করে হামলায় একজন নিহত হয়েছে। ইসফাহান, কারাজ ও আহভাজ শহরেও বড় ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। আহভাজে একটি হাসপাতাল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির তথ্যমতে, এই হামলায় ৮০ হাজারের বেশি বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে কিছু পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনার মধ্যে হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং মানবিক সহায়তা সংস্থার স্থাপনাও রয়েছে।
অন্যদিকে, ইসরায়েলেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত রেখেছে ইরান। দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ার খবর পাওয়া গেছে।
উত্তর ইসরায়েলে সাইরেন বেজে ওঠার পর দেশটির কর্তৃপক্ষ জানায়, হিজবুল্লাহ ও ইরান যৌথভাবে হামলা চালাতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ইসরায়েলের কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিচ্ছেন, তারা ইরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ চালিয়ে যাবে এবং লেবাননের হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘাতও কেবল শুরু হয়েছে।
সব মিলিয়ে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান এই সংঘাত এখন নতুন মাত্রা পেয়েছে এবং এর প্রভাব পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বাড়ছে।
সর্বশেষ এই হামলার ঢেউ শুরু হয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর আল্টিমেটামের পর। তিনি শনিবার ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়ে হরমুজ প্রণালি সব জাহাজের জন্য খুলে দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করেন, এই নির্দেশনা মানা না হলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ করে দেওয়া হবে।
এর জবাবে তেহরান জানায়, এমন হামলা হলে তারা হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেবে। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবহন হয়, ফলে এর প্রভাব বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে ব্যাপক হতে পারে।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি) সোমবার এক বিবৃতিতে জানায়, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের বিদ্যুৎ স্থাপনায় হামলা চালায়, তাহলে তারা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী স্থাপনাসহ যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থসংশ্লিষ্ট সব অর্থনৈতিক, শিল্প ও জ্বালানি অবকাঠামোতে আঘাত হানবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা এটি করব—এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।’ একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সক্ষমতাকে অবমূল্যায়ন করছে বলেও মন্তব্য করা হয়।
এদিকে, বেসামরিক অবকাঠামোতে পাল্টাপাল্টি হামলার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক তেলবাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এশিয়ার বাজারে তেলের দাম ওঠানামা করছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার প্রধান ফাতিহ বিরোল সতর্ক করে বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি ‘অত্যন্ত গুরুতর’ এবং এটি ১৯৭০-এর দশকের দুটি জ্বালানি সংকটের চেয়েও বেশি ভয়াবহ হতে পারে।
অন্যদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে একটি শিল্প এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার সময় ছিটকে পড়া ধ্বংসাবশেষে এক ভারতীয় নাগরিক আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
আইআরজিসির খতম আল-আনবিয়া সদর দপ্তরের এক মুখপাত্র জানান, তাদের বাহিনী সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনে অবস্থানরত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
বাহরাইন ও কুয়েতে সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হয়েছে। আর সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তারা রিয়াদগামী একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে এবং দেশের পূর্বাঞ্চলের তেলসমৃদ্ধ এলাকায় উড়ন্ত ড্রোন ধ্বংস করেছে।
সব মিলিয়ে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত এখন আরও বিস্তৃত আকার ধারণ করছে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে।
প্রসঙ্গত, চলমান যুদ্ধে ইরানে নিহতের সংখ্যা এক হাজার ৫০০ ছাড়িয়েছে বলে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। অন্যদিকে, ইরানের হামলায় ইসরায়েলে অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

ইরানের বিভিন্ন স্থানে নতুন করে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। নজিরবিহীন এ হামলায় অন্তত ৮ জন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
এদিকে, একইসময়ে তেহরানও উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর পাল্টা হামলা জোরদার করেছে। পাশাপাশি নিজেদের বিদ্যুৎকেন্দ্রে আঘাত করলে ইসরায়েলসহ আঞ্চলিক দেশগুলোর বিদ্যুৎ স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করার হুমকি দিয়েছে তেহরান।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী সোমবার জানায়, তারা তেহরানে অবকাঠামো লক্ষ্য করে ‘বৃহৎ পরিসরের হামলা’ শুরু করেছে। তবে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার দাবি করেন, ইরান জনবসতিপূর্ণ এলাকা থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়ছে। ফলে এসব এলাকা লক্ষ্যবস্তু হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি। তবে এ দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানায়, তারা ইরানের কোম প্রদেশে একটি টারবাইন ইঞ্জিন উৎপাদন কেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এই স্থাপনাটি ড্রোন ও সামরিক বিমানের যন্ত্রাংশ তৈরির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে দাবি করা হয়েছে।
তেহরান থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক জানান, রাজধানীতে বিস্ফোরণের মাত্রা ও তীব্রতা ‘নজিরবিহীন বা অভূতপূর্ব’, বিশেষ করে শহরের পূর্বাঞ্চলে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ফার্স জানায়, খোররামাবাদ শহরের একটি আবাসিক ভবনে হামলায় এক শিশু নিহত এবং কয়েকজন আহত হয়েছে। তাবরিজ শহরে আবাসিক এলাকায় হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এছাড়া দেশের আরও কয়েকটি শহরে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। বন্দর আব্বাসে একটি রেডিও স্টেশন লক্ষ্য করে হামলায় একজন নিহত হয়েছে। ইসফাহান, কারাজ ও আহভাজ শহরেও বড় ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। আহভাজে একটি হাসপাতাল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির তথ্যমতে, এই হামলায় ৮০ হাজারের বেশি বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে কিছু পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনার মধ্যে হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং মানবিক সহায়তা সংস্থার স্থাপনাও রয়েছে।
অন্যদিকে, ইসরায়েলেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত রেখেছে ইরান। দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ার খবর পাওয়া গেছে।
উত্তর ইসরায়েলে সাইরেন বেজে ওঠার পর দেশটির কর্তৃপক্ষ জানায়, হিজবুল্লাহ ও ইরান যৌথভাবে হামলা চালাতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ইসরায়েলের কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিচ্ছেন, তারা ইরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ চালিয়ে যাবে এবং লেবাননের হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘাতও কেবল শুরু হয়েছে।
সব মিলিয়ে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান এই সংঘাত এখন নতুন মাত্রা পেয়েছে এবং এর প্রভাব পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বাড়ছে।
সর্বশেষ এই হামলার ঢেউ শুরু হয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর আল্টিমেটামের পর। তিনি শনিবার ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়ে হরমুজ প্রণালি সব জাহাজের জন্য খুলে দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করেন, এই নির্দেশনা মানা না হলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ করে দেওয়া হবে।
এর জবাবে তেহরান জানায়, এমন হামলা হলে তারা হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেবে। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবহন হয়, ফলে এর প্রভাব বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে ব্যাপক হতে পারে।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি) সোমবার এক বিবৃতিতে জানায়, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের বিদ্যুৎ স্থাপনায় হামলা চালায়, তাহলে তারা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী স্থাপনাসহ যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থসংশ্লিষ্ট সব অর্থনৈতিক, শিল্প ও জ্বালানি অবকাঠামোতে আঘাত হানবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা এটি করব—এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।’ একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সক্ষমতাকে অবমূল্যায়ন করছে বলেও মন্তব্য করা হয়।
এদিকে, বেসামরিক অবকাঠামোতে পাল্টাপাল্টি হামলার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক তেলবাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এশিয়ার বাজারে তেলের দাম ওঠানামা করছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার প্রধান ফাতিহ বিরোল সতর্ক করে বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি ‘অত্যন্ত গুরুতর’ এবং এটি ১৯৭০-এর দশকের দুটি জ্বালানি সংকটের চেয়েও বেশি ভয়াবহ হতে পারে।
অন্যদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে একটি শিল্প এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার সময় ছিটকে পড়া ধ্বংসাবশেষে এক ভারতীয় নাগরিক আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
আইআরজিসির খতম আল-আনবিয়া সদর দপ্তরের এক মুখপাত্র জানান, তাদের বাহিনী সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনে অবস্থানরত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
বাহরাইন ও কুয়েতে সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হয়েছে। আর সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তারা রিয়াদগামী একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে এবং দেশের পূর্বাঞ্চলের তেলসমৃদ্ধ এলাকায় উড়ন্ত ড্রোন ধ্বংস করেছে।
সব মিলিয়ে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত এখন আরও বিস্তৃত আকার ধারণ করছে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে।
প্রসঙ্গত, চলমান যুদ্ধে ইরানে নিহতের সংখ্যা এক হাজার ৫০০ ছাড়িয়েছে বলে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। অন্যদিকে, ইরানের হামলায় ইসরায়েলে অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা থেকে সরে এলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর এর কারণ হিসেবে তিনি জানিয়েছেন, যুদ্ধ বন্ধে ইরানের সঙ্গে ‘খুব ভালো ও গঠনমূলক’ আলোচনা হয়েছে।
৪১ মিনিট আগে
হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম এবং ইরানের পাল্টা হুমকিতে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। তেহরান জানিয়েছে, ট্রাম্প যদি তাদের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালায় ইরান পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলের আরব দেশগুলোর জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালাবে।
৭ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকা লক্ষ্য করে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। রোববার রাতভর জেরুজালেম, মধ্য ইসরায়েলসহ দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে একাধিকবার সতর্ক সংকেত (অ্যালার্ট) বাজানো হয়। ওই হামলার পর ভোররাতের দিকে ভারী বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে ইরানের রাজধানী তেহরান। খবর আল-জাজিরার।
৮ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ কাজে লাগিয়ে সেখান দিয়ে জাহাজ চলাচলের বিনিময়ে অর্থ আদায়ের দিকে এগোচ্ছে ইরান। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে কোন দেশের জাহাজ কী শর্তে চলাচল করবে, তা এখন তেহরানই নিয়ন্ত্রণ করছে।
১৯ ঘণ্টা আগে