স্ট্রিম ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের ৬৯ শতাংশ নাগরিক ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধের বিরুদ্ধে নিজের মত দিয়েছেন। এরই প্রভাবে দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তাও রেকর্ড তলানিতে পৌঁছেছে। মাত্র ৩৩ শতাংশ নাগরিক তাঁর কাজকে সমর্থন করছেন, যা মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
রয়টার্স ও ইপসোসের নতুন জনমত জরিপে এমন চিত্র উঠে এসেছে। চার দিনের এই জরিপ সোমবার শেষ হয়। জরিপে বলা হয়েছে, মাত্র ৩১ শতাংশ আমেরিকান ইরান যুদ্ধকে সমর্থন করেন। গত মার্চে এই হার ছিল ৩৭ শতাংশ। রিপাবলিকানদের মধ্যেও যুদ্ধের সমর্থন কমে যাওয়ায় সামগ্রিক হার কমেছে। এবার ৬৯ শতাংশ রিপাবলিকান যুদ্ধকে সমর্থন করেছেন, যা মার্চে ছিল ৭৭।
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায়ও। এবার মাত্র ৩৩ শতাংশ মানুষ তাঁর কাজের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। ট্রাম্পের বর্তমান মেয়াদে আগে কখনোই সমর্থন ৩৩ শতাংশের নিচে নামেনি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা চালালে যুদ্ধটি শুরু হয়। সাম্প্রতিক সংঘাত কিছুটা কমলেও, ইরান অঞ্চলটির তেল রপ্তানির ওপর কার্যত অবরোধ বজায় রেখেছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রলের দাম প্রায় রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। যুদ্ধ শুরুর পর দেশটিতে পেট্রলের দাম গ্যালনপ্রতি এক ডলারের বেশি বেড়েছে।
ট্রাম্প ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর হুমকি দিয়েছেন। তিনি সতর্ক করেন, দেশটিকে ‘যেকোনো ধরনের সহায়তা’ দেওয়া হলে সংশ্লিষ্ট দেশের বিরুদ্ধেও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সোমবার মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট ইরানকে বৈশ্বিক অর্থব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন করতে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ অভিযান শুরু করেন।
২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারে ট্রাম্প মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে না জড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান শুরুর পর তিনি প্রথমে বলেছিলেন, কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই যুদ্ধ শেষ হবে। তবে তাঁর দাবি, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখতেই এই অভিযান প্রয়োজন।
সর্বশেষ জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ৮৩ শতাংশ মানুষ মনে করেন– যুদ্ধ ‘দীর্ঘ সময় ধরে’ চলবে। চলতি মাসের শুরুতে এই হার ছিল ৮০ শতাংশ। এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের রিপাবলিকান মিত্রদের ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে। আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসে অল্প ব্যবধানে থাকা সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখার লড়াই করতে হবে।
জরিপে কংগ্রেস নির্বাচনে রিপাবলিকানদের চেয়ে ডেমোক্র্যাটদের প্রতি বেশি সমর্থন দেখা গেছে। এখনই নির্বাচন হলে কাকে ভোট দেবেন– এমন প্রশ্নের জবাবে ৩৩ শতাংশ স্বতন্ত্র ভোটার ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে এবং ১৯ শতাংশ রিপাবলিকানদের পক্ষে মত দিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ৬৯ শতাংশ নাগরিক ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধের বিরুদ্ধে নিজের মত দিয়েছেন। এরই প্রভাবে দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তাও রেকর্ড তলানিতে পৌঁছেছে। মাত্র ৩৩ শতাংশ নাগরিক তাঁর কাজকে সমর্থন করছেন, যা মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
রয়টার্স ও ইপসোসের নতুন জনমত জরিপে এমন চিত্র উঠে এসেছে। চার দিনের এই জরিপ সোমবার শেষ হয়। জরিপে বলা হয়েছে, মাত্র ৩১ শতাংশ আমেরিকান ইরান যুদ্ধকে সমর্থন করেন। গত মার্চে এই হার ছিল ৩৭ শতাংশ। রিপাবলিকানদের মধ্যেও যুদ্ধের সমর্থন কমে যাওয়ায় সামগ্রিক হার কমেছে। এবার ৬৯ শতাংশ রিপাবলিকান যুদ্ধকে সমর্থন করেছেন, যা মার্চে ছিল ৭৭।
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায়ও। এবার মাত্র ৩৩ শতাংশ মানুষ তাঁর কাজের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। ট্রাম্পের বর্তমান মেয়াদে আগে কখনোই সমর্থন ৩৩ শতাংশের নিচে নামেনি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা চালালে যুদ্ধটি শুরু হয়। সাম্প্রতিক সংঘাত কিছুটা কমলেও, ইরান অঞ্চলটির তেল রপ্তানির ওপর কার্যত অবরোধ বজায় রেখেছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রলের দাম প্রায় রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। যুদ্ধ শুরুর পর দেশটিতে পেট্রলের দাম গ্যালনপ্রতি এক ডলারের বেশি বেড়েছে।
ট্রাম্প ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর হুমকি দিয়েছেন। তিনি সতর্ক করেন, দেশটিকে ‘যেকোনো ধরনের সহায়তা’ দেওয়া হলে সংশ্লিষ্ট দেশের বিরুদ্ধেও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সোমবার মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট ইরানকে বৈশ্বিক অর্থব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন করতে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ অভিযান শুরু করেন।
২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারে ট্রাম্প মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে না জড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান শুরুর পর তিনি প্রথমে বলেছিলেন, কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই যুদ্ধ শেষ হবে। তবে তাঁর দাবি, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখতেই এই অভিযান প্রয়োজন।
সর্বশেষ জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ৮৩ শতাংশ মানুষ মনে করেন– যুদ্ধ ‘দীর্ঘ সময় ধরে’ চলবে। চলতি মাসের শুরুতে এই হার ছিল ৮০ শতাংশ। এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের রিপাবলিকান মিত্রদের ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে। আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসে অল্প ব্যবধানে থাকা সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখার লড়াই করতে হবে।
জরিপে কংগ্রেস নির্বাচনে রিপাবলিকানদের চেয়ে ডেমোক্র্যাটদের প্রতি বেশি সমর্থন দেখা গেছে। এখনই নির্বাচন হলে কাকে ভোট দেবেন– এমন প্রশ্নের জবাবে ৩৩ শতাংশ স্বতন্ত্র ভোটার ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে এবং ১৯ শতাংশ রিপাবলিকানদের পক্ষে মত দিয়েছেন।
.png)

যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়ের আবেদন করা বা বর্তমানে আশ্রয়প্রার্থী বিদেশিদের ভিসা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে ব্যবসায়িক ও পর্যটন ভিসায় দেশটিতে অবস্থান করা প্রায় ২ লাখ বিদেশি নাগরিকের ভিসা বাতিল হতে পারে।
৩৪ মিনিট আগে
ইরানকে বৈশ্বিক অর্থব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন করতে আনুষ্ঠানিকভাবে বড় ধরনের অর্থনৈতিক অভিযান শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ নামের এ অভিযানে ইরানের আয়ের পথ বন্ধ করার পাশাপাশি, দেশটির সঙ্গে ব্যবসা করা অন্য দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলোকেও চাপে ফেলতে চায় ওয়াশিংটন।
১১ ঘণ্টা আগে
১৯৮২ সালের পর গত ৪৪ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তেলের মজুত। যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহে ২৯ কোটি ব্যারেলের নিচে নেমে এসেছে এই মজুত। ইরান যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যে সরবরাহ সংকটের মধ্যে গত কয়েক মাস ধরেই মজুত থেকে তেল ছাড়ছে ওয়াশিংটন।
১১ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের সংলাপ ভেস্তে যাওয়ার পর এবার দেশটির বিরুদ্ধে সর্বাত্মক ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধ’ শুরু করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে এটি হতে যাচ্ছে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞা’। নতুন এই নিষেধাজ্ঞার মূল লক্ষ্য হবে ইরানের বাণিজ্য মিত্ররা।
১৫ ঘণ্টা আগে