সাংবাদিকতার প্রশিক্ষণে বক্তারা

পাঠকের জন্যই সাংবাদিকতার ধরনে পরিবর্তন জরুরি

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৯: ১৩
ফটোসেশনে প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থীরা। ছবি: সংগৃহীত
ফটোসেশনে প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থীরা। ছবি: সংগৃহীত

গতানুগতিক সাংবাদিকতায় শুধু সমস্যা উপস্থাপন করা হয়। দীর্ঘদিনের এই চর্চার কারণে পাঠকেরা গণমাধ্যম থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। তারা এখন সমস্যার সমাধানও দেখতে চান। ফলে গঠনমূলক সাংবাদিকতার পরিসর বাড়ানো দরকার।

মানিকগঞ্জে ‘গঠনমূলক সাংবাদিকতা’ বিষয়ে তিন দিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এই অভিমত দেন প্রশিক্ষকেরা। গত ২১ থেকে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত এই প্রশিক্ষণ কর্মশালার যৌথ আয়োজক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা– ভয়েসেস ফর ইন্ট্যারাকটিভ চয়েস অ্যান্ড এমপাওয়ারমেন্ট (ভয়েস) এবং ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়া সাপোর্ট (আইএমএস)।

আয়োজকেরা জানান, নতুন ও সম্ভাবনাময় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের ১৫ প্রতিনিধি প্রশিক্ষণে অংশ নেন। প্রশিক্ষণে ব্যবহারিক অনুশীলনের মাধ্যমে গঠনমূলক সাংবাদিকতার মূলনীতিগুলো তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি তথ্যের নির্ভুলতা নিশ্চিত, সমাধানমুখী প্রতিবেদন তৈরি এবং সামাজিক নানা সমস্যার কার্যকর সমাধান তুলে ধরার ওপর জোর দেওয়া হয়।

প্রশিক্ষণে আইএমএসের প্রশিক্ষকেরা গঠনমূলক সাংবাদিকতার পরিধি তুলে ধরেন। তারা জানান, গঠনমূলক সাংবাদিকতা শুধু সমস্যা তুলে ধরার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি সাংবাদিকদের সমাধান খুঁজতে, গঠনমূলক আলোচনার সুযোগ তৈরি করতে এবং ইতিবাচক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে উৎসাহিত করে।

ভয়েসের নির্বাহী পরিচালক আহমেদ স্বপন মাহমুদ বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বাস্তব জীবনের চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি সমস্যাগুলোর সমাধান এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের দিকগুলো প্রকাশ করা উচিত। সঠিক মাধ্যম নির্বাচন করতে পারলে সাংবাদিকেরা প্রতিবেদনকে আরও প্রাসঙ্গিক ও প্রভাবশালী করে তুলতে পারবেন।’

আইএমএসের প্রোগ্রাম ম্যানেজার সাখাওয়াত হোসাইন বলেন, গঠনমূলক সাংবাদিকতার ধারণাটি নতুন না হলেও, বাংলাদেশে এখনো ব্যাপক চর্চা শুরু হয়নি। এই প্রশিক্ষণ সংবাদমাধ্যমগুলোকে এই পদ্ধতি ভালোভাবে বুঝতে ও চর্চা করতে সাহায্য করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

কর্মশালায় সংবাদকর্মীর সুরক্ষা নিয়েও আলোচনা করা হয়। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সাংবাদিকেরা নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে এসব কৌশল প্রয়োগের মাধ্যমে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতায় ভূমিকা রাখবেন বলে আশা আয়োজকদের।

ভয়েস মূলত একটি অধিকারভিত্তিক গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান। সংস্থাটি দেশে মানবাধিকার, তথ্যের অধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ডিজিটাল নিরাপত্তা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করছে।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত