স্ট্রিম ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের সংলাপ ভেস্তে যাওয়ার পর এবার দেশটির বিরুদ্ধে সর্বাত্মক ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধ’ শুরু করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে এটি হতে যাচ্ছে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞা’। নতুন এই নিষেধাজ্ঞার মূল লক্ষ্য হবে ইরানের বাণিজ্য মিত্ররা।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট স্থানীয় সময় সোমবার এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করতে পারেন বলে জানিয়েছে সিএনএনসহ একাধিক মার্কিন সংবাদমাধ্যম।
এর আগেই অবশ্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেছেন, ‘ইরানকে যেকোনো ধরনের সহায়তা দিলে সংশ্লিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
রোববার যুক্তরাজ্যভিত্তিক ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসে লেখা মার্কিন অর্থমন্ত্রীর একটি মতামত কলামেও এ বিষয়ে স্পষ্ট ইঙ্গিত রয়েছে। ঠিক কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে তা না জানিয়ে স্কট বেসেন্ট লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অর্থনীতিকে তোষণ করা ‘ভীতু দেশগুলোকেও’ টার্গেট করবে।
একাধিক সংবাদমাধ্যমের বিশ্লেষণ বলছে, ‘তোষণকারী ভীতু দেশগুলো’ বলতে মার্কিন অর্থমন্ত্রী মূলত চীন এবং ওমান, তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দেশগুলোর দিকে ইঙ্গিত করছেন।
ইরানের পেট্রোলিয়ামের সবচেয়ে বড় ক্রেতা চীন। তেহরানের মোট তেল রপ্তানির ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ যায় বেইজিংয়ের কাছে।
এ ছাড়া যেসব দেশের মুক্তবাণিজ্য এলাকা, লেনদেন প্রতিষ্ঠান ও অপ্রকাশ্য ব্যাংকিং ব্যবস্থা ইরানের অর্থপ্রবাহ সচল রাখছে, সেসবও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসতে পারে। বিশেষ করে এসব বিষয়ে ইরানের সঙ্গে ওমান, তুরস্ক এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সংশ্লিষ্টতা মার্কিন নজরদারিতে রয়েছে।
ইউরোপে ইরানি ব্যাংকের কার্যক্রম এবং দেশগুলোতে ইরানের উড়োজাহাজ চলাচল নিয়েও নাখোশ যুক্তরাষ্ট্র। আসন্ন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞায় ইউরোপকেও বাধ্যবাধকতায় ফেলতে চাইছে মার্কিন অর্থমন্ত্রণালয়।
মার্কিন প্রশাসনের দাবি, আন্তর্জাতিক বাজারে ইরানের তেল প্রায়ই ‘মালয়েশিয়ান ব্লেন্ড’ নাম দিয়ে ভুয়া শিপিং রেকর্ড ব্যবহার করে পাচার করা হচ্ছে। ইরাকের বেশ কিছু কোম্পানি ও ব্যাংকিং মাধ্যমকে ইরানের আর্থিক লাইফলাইন সচল রাখার জন্য শুল্ক বা লেনদেনের ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করার বিষয়েও ওয়াশিংটন সতর্ক করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সর্বাত্মক অর্থনৈতিক আক্রমণের হুঁশিয়ারির জবাবে ইরান পারস্য উপসাগর দিয়ে তেল রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার পাল্টা হুমকি দিয়েছে। বিনা অনুমতিতে একটি বাণিজ্যিক জাহাজকেও হরমুজ প্রণালী পার হতে দেওয়া হবে না। নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারী জাহাজগুলোকে জরিমানা ও বাজেয়াপ্ত করা হবে বলেও সতর্ক করেছে তেহরান।
এদিকে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা জোরদারে তোড়জোড় নিয়ে নিজস্ব অবস্থান স্পষ্ট করেছে চীন। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এসব নিষেধাজ্ঞা ও চাপ প্রয়োগের কৌশল কাজে আসবে না। বেইজিং নিজস্ব স্বার্থ রক্ষায় যা করা প্রয়োজন তা করবে।’
উল্লেখ্য, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা নতুন কিছু নয়। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের পর থেকেই মূলত দেশটি নানাভাবে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার মুখে রয়েছে।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের সংলাপ ভেস্তে যাওয়ার পর এবার দেশটির বিরুদ্ধে সর্বাত্মক ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধ’ শুরু করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে এটি হতে যাচ্ছে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞা’। নতুন এই নিষেধাজ্ঞার মূল লক্ষ্য হবে ইরানের বাণিজ্য মিত্ররা।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট স্থানীয় সময় সোমবার এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করতে পারেন বলে জানিয়েছে সিএনএনসহ একাধিক মার্কিন সংবাদমাধ্যম।
এর আগেই অবশ্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেছেন, ‘ইরানকে যেকোনো ধরনের সহায়তা দিলে সংশ্লিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
রোববার যুক্তরাজ্যভিত্তিক ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসে লেখা মার্কিন অর্থমন্ত্রীর একটি মতামত কলামেও এ বিষয়ে স্পষ্ট ইঙ্গিত রয়েছে। ঠিক কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে তা না জানিয়ে স্কট বেসেন্ট লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অর্থনীতিকে তোষণ করা ‘ভীতু দেশগুলোকেও’ টার্গেট করবে।
একাধিক সংবাদমাধ্যমের বিশ্লেষণ বলছে, ‘তোষণকারী ভীতু দেশগুলো’ বলতে মার্কিন অর্থমন্ত্রী মূলত চীন এবং ওমান, তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দেশগুলোর দিকে ইঙ্গিত করছেন।
ইরানের পেট্রোলিয়ামের সবচেয়ে বড় ক্রেতা চীন। তেহরানের মোট তেল রপ্তানির ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ যায় বেইজিংয়ের কাছে।
এ ছাড়া যেসব দেশের মুক্তবাণিজ্য এলাকা, লেনদেন প্রতিষ্ঠান ও অপ্রকাশ্য ব্যাংকিং ব্যবস্থা ইরানের অর্থপ্রবাহ সচল রাখছে, সেসবও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসতে পারে। বিশেষ করে এসব বিষয়ে ইরানের সঙ্গে ওমান, তুরস্ক এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সংশ্লিষ্টতা মার্কিন নজরদারিতে রয়েছে।
ইউরোপে ইরানি ব্যাংকের কার্যক্রম এবং দেশগুলোতে ইরানের উড়োজাহাজ চলাচল নিয়েও নাখোশ যুক্তরাষ্ট্র। আসন্ন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞায় ইউরোপকেও বাধ্যবাধকতায় ফেলতে চাইছে মার্কিন অর্থমন্ত্রণালয়।
মার্কিন প্রশাসনের দাবি, আন্তর্জাতিক বাজারে ইরানের তেল প্রায়ই ‘মালয়েশিয়ান ব্লেন্ড’ নাম দিয়ে ভুয়া শিপিং রেকর্ড ব্যবহার করে পাচার করা হচ্ছে। ইরাকের বেশ কিছু কোম্পানি ও ব্যাংকিং মাধ্যমকে ইরানের আর্থিক লাইফলাইন সচল রাখার জন্য শুল্ক বা লেনদেনের ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করার বিষয়েও ওয়াশিংটন সতর্ক করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সর্বাত্মক অর্থনৈতিক আক্রমণের হুঁশিয়ারির জবাবে ইরান পারস্য উপসাগর দিয়ে তেল রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার পাল্টা হুমকি দিয়েছে। বিনা অনুমতিতে একটি বাণিজ্যিক জাহাজকেও হরমুজ প্রণালী পার হতে দেওয়া হবে না। নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারী জাহাজগুলোকে জরিমানা ও বাজেয়াপ্ত করা হবে বলেও সতর্ক করেছে তেহরান।
এদিকে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা জোরদারে তোড়জোড় নিয়ে নিজস্ব অবস্থান স্পষ্ট করেছে চীন। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এসব নিষেধাজ্ঞা ও চাপ প্রয়োগের কৌশল কাজে আসবে না। বেইজিং নিজস্ব স্বার্থ রক্ষায় যা করা প্রয়োজন তা করবে।’
উল্লেখ্য, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা নতুন কিছু নয়। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের পর থেকেই মূলত দেশটি নানাভাবে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার মুখে রয়েছে।
.png)

ইউক্রেনে দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন বাড়াতে ব্রিটিশ গোপন প্রযুক্তি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে যুক্তরাজ্য। এর ফলে ফ্রান্স ও ইউক্রেন মিলে স্কাল্প বা স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির উদ্যোগ এগিয়ে নেবে। সোমবার কিয়েভ সফরে অনুমতির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম।
২ ঘণ্টা আগে
গাজা থেকে ঘুড়ি, বেলুন বা ড্রোন দেখা গেলে আবার হামলা জোরদারের হুমকি দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তার এই হুমকির পর ইতিমধ্যে ইসরায়েলি হামলায় চার বছরের এক শিশুসহ তিন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির সোমবার (২৪ আগস্ট) ইরান সফর যাচ্ছেন। অঞ্চলটিতে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতেই তিনি এই সফর করবেন। রোববার (২৩ আগস্ট) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গিনির রাজধানী কোনাক্রির সবচেয়ে বড় ময়লার ভাগাড়ের আবর্জনার স্তূপ ধসে অন্তত ৩০ জন নিহত ও ছয়জন গুরুতর আহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপের নিচে অনেকে আটকে থাকতে পারে বলে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। খবর আল-জাজিরার।
১২ ঘণ্টা আগে