স্ট্রিম ডেস্ক

১৯৮২ সালের পর গত ৪৪ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তেলের মজুত। যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহে ২৯ কোটি ব্যারেলের নিচে নেমে এসেছে এই মজুত। ইরান যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যে সরবরাহ সংকটের মধ্যে গত কয়েক মাস ধরেই মজুত থেকে তেল ছাড়ছে ওয়াশিংটন।
মার্কিন জ্বালানি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ২১ আগস্ট পর্যন্ত দেশটির কৌশলগত তেলের মজুত ছিল ২৮ কোটি ৯৭ লাখ ব্যারেল। আগের সপ্তাহে এর পরিমাণ ছিল ২৯ কোটি ৩৪ লাখ ব্যারেল। এক সপ্তাহে মজুত কমেছে প্রায় ৩৭ লাখ ব্যারেল।
এর আগে ১৯৮২ সালের নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তেলের মজুত ২৮ কোটি ৮২ লাখ ব্যারেলে নেমেছিল। এরপর গত ৪৪ বছরে জরুরি পরিস্থিতির জন্য সংরক্ষিত তেল ভাণ্ডারের মজুত আর কখনো এত নিচে নামেনি।
যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান মজুতে ৯ কোটি ৮৭ লাখ ব্যারেল কম সালফারযুক্ত অপরিশোধিত তেল এবং ১৯ কোটি ১০ লাখ ব্যারেল বেশি সালফারযুক্ত অপরিশোধিত তেল রয়েছে। ৭১ কোটি ৪০ লাখ ব্যারেল ধারণক্ষমতার তুলনায় বর্তমানে মজুত রয়েছে প্রায় ৪১ শতাংশ।
ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তেলের মজুত ছিল ৪১ কোটি ৫৪ লাখ ব্যারেল। এরপর মজুত কমেছে ১২ কোটি ৫০ লাখ ব্যারেলের বেশি, অর্থাৎ প্রায় ৩০ শতাংশ।
মধ্যপ্রাচ্যে তেল সরবরাহে বিঘ্ন এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে ইরানি বিধিনিষেধের পরিপ্রেক্ষিতে গত মার্চ মাসে জরুরি কর্মসূচির আওতায় কৌশলগত মজুত থেকে তেল ছাড়ার উদ্যোগ নেয় যুক্তরাষ্ট্র।
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) সমন্বিত উদ্যোগের অংশ হিসেবে মজুত থেকে ১৭ কোটি ২০ লাখ ব্যারেল তেল ছাড়ার অনুমোদন দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই উদ্যোগে বৈশ্বিক বাজারে মোট ৪০ কোটি ব্যারেল তেল ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য সরবরাহের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।
জ্বালানি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে এখন পর্যন্ত কৌশলগত মজুত থেকে ১ কোটি ৫১ লাখ ব্যারেল তেল ছাড়া হয়েছে। জুলাইয়ে ১ কোটি ৭৪ লাখ, জুনে ৩ কোটি ৩০ লাখ এবং মে মাসে ৩ কোটি ৯৪ লাখ ব্যারেল তেল ছাড়া হয়েছিল।

১৯৮২ সালের পর গত ৪৪ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তেলের মজুত। যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহে ২৯ কোটি ব্যারেলের নিচে নেমে এসেছে এই মজুত। ইরান যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যে সরবরাহ সংকটের মধ্যে গত কয়েক মাস ধরেই মজুত থেকে তেল ছাড়ছে ওয়াশিংটন।
মার্কিন জ্বালানি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ২১ আগস্ট পর্যন্ত দেশটির কৌশলগত তেলের মজুত ছিল ২৮ কোটি ৯৭ লাখ ব্যারেল। আগের সপ্তাহে এর পরিমাণ ছিল ২৯ কোটি ৩৪ লাখ ব্যারেল। এক সপ্তাহে মজুত কমেছে প্রায় ৩৭ লাখ ব্যারেল।
এর আগে ১৯৮২ সালের নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তেলের মজুত ২৮ কোটি ৮২ লাখ ব্যারেলে নেমেছিল। এরপর গত ৪৪ বছরে জরুরি পরিস্থিতির জন্য সংরক্ষিত তেল ভাণ্ডারের মজুত আর কখনো এত নিচে নামেনি।
যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান মজুতে ৯ কোটি ৮৭ লাখ ব্যারেল কম সালফারযুক্ত অপরিশোধিত তেল এবং ১৯ কোটি ১০ লাখ ব্যারেল বেশি সালফারযুক্ত অপরিশোধিত তেল রয়েছে। ৭১ কোটি ৪০ লাখ ব্যারেল ধারণক্ষমতার তুলনায় বর্তমানে মজুত রয়েছে প্রায় ৪১ শতাংশ।
ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তেলের মজুত ছিল ৪১ কোটি ৫৪ লাখ ব্যারেল। এরপর মজুত কমেছে ১২ কোটি ৫০ লাখ ব্যারেলের বেশি, অর্থাৎ প্রায় ৩০ শতাংশ।
মধ্যপ্রাচ্যে তেল সরবরাহে বিঘ্ন এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে ইরানি বিধিনিষেধের পরিপ্রেক্ষিতে গত মার্চ মাসে জরুরি কর্মসূচির আওতায় কৌশলগত মজুত থেকে তেল ছাড়ার উদ্যোগ নেয় যুক্তরাষ্ট্র।
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) সমন্বিত উদ্যোগের অংশ হিসেবে মজুত থেকে ১৭ কোটি ২০ লাখ ব্যারেল তেল ছাড়ার অনুমোদন দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই উদ্যোগে বৈশ্বিক বাজারে মোট ৪০ কোটি ব্যারেল তেল ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য সরবরাহের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।
জ্বালানি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে এখন পর্যন্ত কৌশলগত মজুত থেকে ১ কোটি ৫১ লাখ ব্যারেল তেল ছাড়া হয়েছে। জুলাইয়ে ১ কোটি ৭৪ লাখ, জুনে ৩ কোটি ৩০ লাখ এবং মে মাসে ৩ কোটি ৯৪ লাখ ব্যারেল তেল ছাড়া হয়েছিল।
.png)

ইরানকে বৈশ্বিক অর্থব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন করতে আনুষ্ঠানিকভাবে বড় ধরনের অর্থনৈতিক অভিযান শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ নামের এ অভিযানে ইরানের আয়ের পথ বন্ধ করার পাশাপাশি, দেশটির সঙ্গে ব্যবসা করা অন্য দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলোকেও চাপে ফেলতে চায় ওয়াশিংটন।
৩৬ মিনিট আগে
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের সংলাপ ভেস্তে যাওয়ার পর এবার দেশটির বিরুদ্ধে সর্বাত্মক ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধ’ শুরু করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে এটি হতে যাচ্ছে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞা’। নতুন এই নিষেধাজ্ঞার মূল লক্ষ্য হবে ইরানের বাণিজ্য মিত্ররা।
৪ ঘণ্টা আগে
ইউক্রেনে দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন বাড়াতে ব্রিটিশ গোপন প্রযুক্তি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে যুক্তরাজ্য। এর ফলে ফ্রান্স ও ইউক্রেন মিলে স্কাল্প বা স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির উদ্যোগ এগিয়ে নেবে। সোমবার কিয়েভ সফরে অনুমতির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম।
৬ ঘণ্টা আগে
গাজা থেকে ঘুড়ি, বেলুন বা ড্রোন দেখা গেলে আবার হামলা জোরদারের হুমকি দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তার এই হুমকির পর ইতিমধ্যে ইসরায়েলি হামলায় চার বছরের এক শিশুসহ তিন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে