স্ট্রিম ডেস্ক

পশ্চিমা গণমাধ্যমের হরমুজ প্রণালি বন্ধের দাবি সত্য নয় উল্লেখ করে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, শুধু শত্রু দেশগুলোর জন্য বন্ধ থাকলেও ‘বন্ধু’ রাষ্ট্রগুলোর জন্য হরমুজ উন্মুক্ত রয়েছে।
বৃহস্পতিবার ইরানের সংবাদসংস্থা তাসনিম নিউজ ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাতে এ খবর জানিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি বলেছেন, ‘যেসব দেশ আমাদের বন্ধু, তাদের জন্য হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতের অনুমতি দিয়েছেন। আমরা চীন, রাশিয়া, ভারত, ইরাক এবং পাকিস্তানকে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছি। তবে আমাদের শত্রুদের হরমুজ প্রণালি দিয়ে যেতে দেওয়ার কোনো কারণ নেই।’
গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের এক-পঞ্চমাংশ পরিবহনের এই রুটে কড়াকড়ি আরোপ করে ইরান। লয়েডস লিস্ট ও অ্যানালিটিক্স ফার্ম কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এই প্রণালি দিয়ে জ্বালানি পরিবহন ৯৫ শতাংশ কমে গেছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি-সংকট তৈরি হয়েছে।
ইরানের এই পাল্টা পদক্ষেপের সাফল্য তুলে ধরে আরাগচি বলেন, আগ্রাসনকারীরা শুরুতে তেহরানের ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ দাবি করলেও এখন তারা আলোচনার কথা বলছে। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘তারা এখন যে আলোচনার কথা বলছে, তা কি তাদের পরাজয়ের স্বীকারোক্তি নয়? তারাই তো নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের কথা বলেছিল, তাহলে এখন কেন আলোচনার জন্য তাদের সর্বোচ্চ কর্মকর্তাদের কাজে লাগাচ্ছে?’
এদিকে, ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি তাদের এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে, নিরাপদ যাতায়াতের জন্য ইরানের করা এই ‘বন্ধু রাষ্ট্র’র তালিকায় বাংলাদেশও রয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভির বরাতে এনডিটিভি কয়েক রাত আগে ভারতের দুটি জাহাজ পার হয়েছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচিকে উদ্ধৃত করে বলে, ‘আপনারা খবরে দেখেছেন চীন, রাশিয়া, পাকিস্তান, ইরাক, ভারতসহ আরও কিছু দেশ রয়েছে এবং যার মধ্যে আমি বিশ্বাস করি বাংলাদেশও আছে। এরা আমাদের সঙ্গে কথা বলেছে এবং সমন্বয় করেছে। যুদ্ধের পরও ভবিষ্যতে এই ধারা অব্যাহত থাকবে।’
তবে ভারতীয় গণমাধ্যমের এই দাবির প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারকে জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি ব্যবহার নিয়ে ইরানের কাছ থেকে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বার্তা পায়নি।
তবে ওই কর্মকর্তা স্পষ্ট করে বলেন, ‘আমরা কোনো শত্রু দেশ নই। তাই আমাদের জাহাজ চলাচলের অনুমতি না দেওয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না।’

পশ্চিমা গণমাধ্যমের হরমুজ প্রণালি বন্ধের দাবি সত্য নয় উল্লেখ করে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, শুধু শত্রু দেশগুলোর জন্য বন্ধ থাকলেও ‘বন্ধু’ রাষ্ট্রগুলোর জন্য হরমুজ উন্মুক্ত রয়েছে।
বৃহস্পতিবার ইরানের সংবাদসংস্থা তাসনিম নিউজ ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাতে এ খবর জানিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি বলেছেন, ‘যেসব দেশ আমাদের বন্ধু, তাদের জন্য হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতের অনুমতি দিয়েছেন। আমরা চীন, রাশিয়া, ভারত, ইরাক এবং পাকিস্তানকে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছি। তবে আমাদের শত্রুদের হরমুজ প্রণালি দিয়ে যেতে দেওয়ার কোনো কারণ নেই।’
গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের এক-পঞ্চমাংশ পরিবহনের এই রুটে কড়াকড়ি আরোপ করে ইরান। লয়েডস লিস্ট ও অ্যানালিটিক্স ফার্ম কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এই প্রণালি দিয়ে জ্বালানি পরিবহন ৯৫ শতাংশ কমে গেছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি-সংকট তৈরি হয়েছে।
ইরানের এই পাল্টা পদক্ষেপের সাফল্য তুলে ধরে আরাগচি বলেন, আগ্রাসনকারীরা শুরুতে তেহরানের ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ দাবি করলেও এখন তারা আলোচনার কথা বলছে। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘তারা এখন যে আলোচনার কথা বলছে, তা কি তাদের পরাজয়ের স্বীকারোক্তি নয়? তারাই তো নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের কথা বলেছিল, তাহলে এখন কেন আলোচনার জন্য তাদের সর্বোচ্চ কর্মকর্তাদের কাজে লাগাচ্ছে?’
এদিকে, ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি তাদের এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে, নিরাপদ যাতায়াতের জন্য ইরানের করা এই ‘বন্ধু রাষ্ট্র’র তালিকায় বাংলাদেশও রয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভির বরাতে এনডিটিভি কয়েক রাত আগে ভারতের দুটি জাহাজ পার হয়েছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচিকে উদ্ধৃত করে বলে, ‘আপনারা খবরে দেখেছেন চীন, রাশিয়া, পাকিস্তান, ইরাক, ভারতসহ আরও কিছু দেশ রয়েছে এবং যার মধ্যে আমি বিশ্বাস করি বাংলাদেশও আছে। এরা আমাদের সঙ্গে কথা বলেছে এবং সমন্বয় করেছে। যুদ্ধের পরও ভবিষ্যতে এই ধারা অব্যাহত থাকবে।’
তবে ভারতীয় গণমাধ্যমের এই দাবির প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারকে জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি ব্যবহার নিয়ে ইরানের কাছ থেকে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বার্তা পায়নি।
তবে ওই কর্মকর্তা স্পষ্ট করে বলেন, ‘আমরা কোনো শত্রু দেশ নই। তাই আমাদের জাহাজ চলাচলের অনুমতি না দেওয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না।’

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যস্থতায় কাজ করছে পাকিস্তান, মিসর, তুরস্কসহ কয়েকটি দেশ। ইতিমধ্যে তেহরানের কাছে ১৫ দফার শান্তি প্রস্তাব হস্তান্তর করেছে পাকিস্তান।
২২ মিনিট আগে
ইরানের সঙ্গে চলমান সমঝোতা আলোচনা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য সময় ফুরিয়ে আসছে, ইরানকে দ্রুত সিরিয়াস হতে হবে।’
৩৬ মিনিট আগে
ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের মারকাপুরাম এলাকায় বৃহস্পতিবার ভোরে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে টিপার লরির সংঘর্ষের পর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এতে অন্তত ১২ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
তেহরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেছেন, গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী ‘ইরানের শত্রুরা’ একটি আঞ্চলিক প্রতিবেশী দেশের সহায়তায় ইরানের দ্বীপ দখলের পরিকল্পনা করছে।
৬ ঘণ্টা আগে