স্ট্রিম ডেস্ক

জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দিতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ প্রত্যাহার, ক্ষতিপূরণসহ একাধিক শর্ত দিয়েছে ইরান। প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে ওমানের সঙ্গে সমঝোতা প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে বলেও জানিয়েছে দেশটি।
শনিবার (৮ আগস্ট) ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, হরমুজ প্রণালিতে নতুন একটি নৌপথ চালুর বিষয়ে ওমানের সঙ্গে আলোচনা চূড়ান্তের ‘খুব কাছাকাছি’ পর্যায়ে রয়েছে। তবে এই সমঝোতা হলেই প্রণালিটি পুরোপুরি খুলে দেওয়া হবে না। এর জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের কিছু শর্ত মেনে নিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, জুনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া একটি সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) ওয়াশিংটন যে প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছিল, সেগুলো বাস্তবায়ন না করায় তেহরান অসন্তুষ্ট। হরমুজ পুরোপুরি খুলে দেওয়ার ক্ষেত্রে ওই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে ইরান।
এসব শর্তের বিষয়ে ইরানের শীর্ষ জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার সচিব মোহাম্মদ বাঘের জোলকদর বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বিরুদ্ধে হুমকি ও হামলা বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে ইরান ও তার মিত্র লেবানন, ফিলিস্তিন, ইয়েমেন ও ইরাকের বিরুদ্ধে আগ্রাসন বন্ধ, ইরানের ওপর অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং বিদেশে আটকে থাকা ইরানি সম্পদ ছেড়ে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।
এ ছাড়া চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণও চেয়েছে তেহরান। আরাগচি বলেন, হরমুজ খুলে দেওয়ার বিষয়টি কেবল ইরান এবং ওমানের মধ্যে নৌপথ নিয়ে সমঝোতার ওপর নির্ভর করছে না। যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপও এখানে গুরুত্বপূর্ণ।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) মুখপাত্র হোসেইন মোহেবি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের শর্ত মেনে নিলেই হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে। ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘হরমুজ খোলার সিদ্ধান্ত ইরান-ওমান আলোচনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।’
এদিকে, হরমুজে জাহাজ চলাচল নিয়ে ইরানের সঙ্গে ইতিবাচক ও গঠনমূলক আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছে ওমান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, আলোচনার অগ্রগতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে—এমন যেকোনো পদক্ষেপ এড়িয়ে চলা উচিত।
আরাগচি জানান, হরমুজে এতদিন চালু থাকা জাহাজ চলাচল ব্যবস্থা তেহরানের কাছে আর গ্রহণযোগ্য নয়। স্থায়ী নতুন ব্যবস্থা নিয়ে কারিগরি ও আইনি বিষয়গুলো সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ওমানের সঙ্গে একটি অস্থায়ী নৌপথ চালুর বিষয়ে আলোচনা চলছে।
ওই ব্যবস্থায় জাহাজ চলাচলের পথের স্থানাঙ্কও নির্ধারণ করেছে দেশ দুটি। এতে ইরানের জলসীমায় উত্তর দিকের একটি লেন ব্যবহার করে জাহাজ হরমুজে ঢুকবে। আর বের হওয়ার সময় ওমানের জলসীমার দক্ষিণের লেন ব্যবহার করবে জাহাজগুলো। তবে দক্ষিণের এই নৌপথও ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিচালিত হবে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত অন্তর্বর্তী ব্যবস্থাটি ৬০ দিনের জন্য কার্যকর হতে পারে। পরে এর মেয়াদ বাড়ানো যেতে পারে। এ ছাড়া হরমুজের কেন্দ্রীয় একটি করিডর থেকে সমুদ্র মাইন অপসারণ, সামরিক জাহাজ চলাচল এবং জাহাজ পারাপারে সমন্বিত ফি নির্ধারণ নিয়েও আলোচনা চলছে।
তবে হরমুজ পুরোপুরি খুলতে দক্ষিণ ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ প্রত্যাহার এবং মার্কিন সামরিক উপস্থিতি কমানোর বিষয়টি এখনো বড় প্রশ্ন হয়ে আছে। ইরান বলে আসছে, এসব পদক্ষেপ ছাড়া প্রণালিতে স্বাভাবিক জাহাজ চলাচল পুরোপুরি ফিরবে না।
এদিকে, চলমান আলোচনার মধ্যেই হরমুজ প্রণালিতে আরও একটি জাহাজে হামলার অভিযোগ উঠেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত দাবি করেছে, দেশটির রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি জাহাজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় ইরান সেটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। অবশ্য কেউ আহত হননি।
যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য পর্যবেক্ষণ সংস্থা ইউকেএমটিও জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে একটি জাহাজ অজ্ঞাত কোনো বস্তুর আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে আগুন ধরে যায়। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। এতে পরিবেশগত ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি ইরান।
এর আগে শুক্রবার এক উচ্চপদস্থ মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেছিলেন, ইরান ও ওমানের মধ্যে শিগগিরই একটি সমঝোতা হতে পারে। এর ফলে হরমুজ দিয়ে স্বাভাবিক তেল পরিবহন আবার শুরু হওয়ার আশা করছে ওয়াশিংটন।
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল পুনরায় চালুর চুক্তি হলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপ করা অবরোধ তুলে নেবে। তবে এর জন্য তেহরানকে নিজেদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে হবে।
যুদ্ধের আগে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস পরিবহনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করত। চলমান সংঘাতের কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে জাহাজ চলাচল ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য এখনই সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। তবে হরমুজ খুলতে তেহরানের শর্তগুলো মেনে নিতে ওয়াশিংটন প্রস্তুত কি না, সেটিই এখন আলোচনার মূল বিষয়।
সূত্র : আলজাজিরা, রয়টার্স ও আনাদোলু এজেন্সি

জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দিতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ প্রত্যাহার, ক্ষতিপূরণসহ একাধিক শর্ত দিয়েছে ইরান। প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে ওমানের সঙ্গে সমঝোতা প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে বলেও জানিয়েছে দেশটি।
শনিবার (৮ আগস্ট) ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, হরমুজ প্রণালিতে নতুন একটি নৌপথ চালুর বিষয়ে ওমানের সঙ্গে আলোচনা চূড়ান্তের ‘খুব কাছাকাছি’ পর্যায়ে রয়েছে। তবে এই সমঝোতা হলেই প্রণালিটি পুরোপুরি খুলে দেওয়া হবে না। এর জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের কিছু শর্ত মেনে নিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, জুনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া একটি সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) ওয়াশিংটন যে প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছিল, সেগুলো বাস্তবায়ন না করায় তেহরান অসন্তুষ্ট। হরমুজ পুরোপুরি খুলে দেওয়ার ক্ষেত্রে ওই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে ইরান।
এসব শর্তের বিষয়ে ইরানের শীর্ষ জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার সচিব মোহাম্মদ বাঘের জোলকদর বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বিরুদ্ধে হুমকি ও হামলা বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে ইরান ও তার মিত্র লেবানন, ফিলিস্তিন, ইয়েমেন ও ইরাকের বিরুদ্ধে আগ্রাসন বন্ধ, ইরানের ওপর অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং বিদেশে আটকে থাকা ইরানি সম্পদ ছেড়ে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।
এ ছাড়া চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণও চেয়েছে তেহরান। আরাগচি বলেন, হরমুজ খুলে দেওয়ার বিষয়টি কেবল ইরান এবং ওমানের মধ্যে নৌপথ নিয়ে সমঝোতার ওপর নির্ভর করছে না। যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপও এখানে গুরুত্বপূর্ণ।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) মুখপাত্র হোসেইন মোহেবি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের শর্ত মেনে নিলেই হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে। ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘হরমুজ খোলার সিদ্ধান্ত ইরান-ওমান আলোচনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।’
এদিকে, হরমুজে জাহাজ চলাচল নিয়ে ইরানের সঙ্গে ইতিবাচক ও গঠনমূলক আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছে ওমান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, আলোচনার অগ্রগতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে—এমন যেকোনো পদক্ষেপ এড়িয়ে চলা উচিত।
আরাগচি জানান, হরমুজে এতদিন চালু থাকা জাহাজ চলাচল ব্যবস্থা তেহরানের কাছে আর গ্রহণযোগ্য নয়। স্থায়ী নতুন ব্যবস্থা নিয়ে কারিগরি ও আইনি বিষয়গুলো সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ওমানের সঙ্গে একটি অস্থায়ী নৌপথ চালুর বিষয়ে আলোচনা চলছে।
ওই ব্যবস্থায় জাহাজ চলাচলের পথের স্থানাঙ্কও নির্ধারণ করেছে দেশ দুটি। এতে ইরানের জলসীমায় উত্তর দিকের একটি লেন ব্যবহার করে জাহাজ হরমুজে ঢুকবে। আর বের হওয়ার সময় ওমানের জলসীমার দক্ষিণের লেন ব্যবহার করবে জাহাজগুলো। তবে দক্ষিণের এই নৌপথও ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিচালিত হবে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত অন্তর্বর্তী ব্যবস্থাটি ৬০ দিনের জন্য কার্যকর হতে পারে। পরে এর মেয়াদ বাড়ানো যেতে পারে। এ ছাড়া হরমুজের কেন্দ্রীয় একটি করিডর থেকে সমুদ্র মাইন অপসারণ, সামরিক জাহাজ চলাচল এবং জাহাজ পারাপারে সমন্বিত ফি নির্ধারণ নিয়েও আলোচনা চলছে।
তবে হরমুজ পুরোপুরি খুলতে দক্ষিণ ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ প্রত্যাহার এবং মার্কিন সামরিক উপস্থিতি কমানোর বিষয়টি এখনো বড় প্রশ্ন হয়ে আছে। ইরান বলে আসছে, এসব পদক্ষেপ ছাড়া প্রণালিতে স্বাভাবিক জাহাজ চলাচল পুরোপুরি ফিরবে না।
এদিকে, চলমান আলোচনার মধ্যেই হরমুজ প্রণালিতে আরও একটি জাহাজে হামলার অভিযোগ উঠেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত দাবি করেছে, দেশটির রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি জাহাজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় ইরান সেটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। অবশ্য কেউ আহত হননি।
যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য পর্যবেক্ষণ সংস্থা ইউকেএমটিও জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে একটি জাহাজ অজ্ঞাত কোনো বস্তুর আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে আগুন ধরে যায়। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। এতে পরিবেশগত ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি ইরান।
এর আগে শুক্রবার এক উচ্চপদস্থ মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেছিলেন, ইরান ও ওমানের মধ্যে শিগগিরই একটি সমঝোতা হতে পারে। এর ফলে হরমুজ দিয়ে স্বাভাবিক তেল পরিবহন আবার শুরু হওয়ার আশা করছে ওয়াশিংটন।
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল পুনরায় চালুর চুক্তি হলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপ করা অবরোধ তুলে নেবে। তবে এর জন্য তেহরানকে নিজেদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে হবে।
যুদ্ধের আগে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস পরিবহনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করত। চলমান সংঘাতের কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে জাহাজ চলাচল ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য এখনই সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। তবে হরমুজ খুলতে তেহরানের শর্তগুলো মেনে নিতে ওয়াশিংটন প্রস্তুত কি না, সেটিই এখন আলোচনার মূল বিষয়।
সূত্র : আলজাজিরা, রয়টার্স ও আনাদোলু এজেন্সি
.png)

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া একটি আবাসিক ভবনের নিচ থেকে ১৯টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। শনিবার (৮ আগস্ট) গাজার সিভিল ডিফেন্স এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছে। খবর আলজাজিরার।
২২ মিনিট আগে
ইউরোপের দুটি দেশে অজ্ঞাতনামা ড্রোন দেখা যাওয়ায় নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি বুলগেরিয়ায় ড্রোন বিস্ফোরিত হয়েছে। জার্মানির একটি সামরিক ঘাঁটির ওপর দুটি ড্রোন উড়তে দেখা গেছে। ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়ার চলমান যুদ্ধের মধ্যে এসব ঘটনা ঘটল।
১১ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ায় বিরল খনিজ স্ক্যান্ডিয়ামের একটি খনিতে ৪০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিবে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির প্রতিরক্ষা বিভাগ শুক্রবার (৭ জুলাই) এই ঘোষণা দেয়।
১৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ক্ষতিপূরণ না দিলে হরমুজ প্রণালি খোলা হবে না বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।শনিবার (৮ আগস্ট) সামাজিক মাধ্যম টেলিগ্রামে এ কথা জানান তিনি। আরাঘচি বলেন, ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ক্ষতিপূরণ না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ পুনরায় খোলার সম্ভাবনা নেই।
১৪ ঘণ্টা আগে