স্ট্রিম ডেস্ক

উত্তর কোরিয়া সম্প্রতি একটি কয়লা জাতীয় কঠিন (সলিড) জ্বালানিচালিত রকেট ইঞ্জিনের পরীক্ষা চালিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে দক্ষিণ কোরিয়া। তাঁদের দাবি, এই রকেট ইঞ্জিনটি কার্বন-ফাইবার দিয়ে তৈরি আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) নির্মাণে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে বানানো হচ্ছে। এর মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা বাড়ানো এবং একাধিক ওয়ারহেড বহনের সক্ষমতা অর্জনের চেষ্টা করছেন কিম জং উন। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
গত মার্চে উত্তর কোরিয়া একটি কঠিন জ্বালানিচালিত রকেট ইঞ্জিনের স্থল পরীক্ষা চালায়। বিশ্লেষকদের মতে, এটি দেশটির সর্বশেষ আইসিবিএমের জন্য তৈরি করা হচ্ছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার আইনপ্রণেতারা জানিয়েছেন, নতুন ইঞ্জিনটির থ্রাস্ট বা ধাক্কাশক্তি ২০২৪ সালে পরীক্ষিত আগের মডেলের তুলনায় বেশি হতে পারে। আগের মডেলটিকেই যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের যেকোনও স্থানে আঘাত হানার সক্ষম বলে মনে করা হয়েছিল।
উত্তর কোরিয়া তাদের দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সাধারণত উঁচু কোণে (লোফটেড ট্রাজেক্টরি) উৎক্ষেপণ করে, যাতে সেগুলো দেশের পূর্ব উপকূল সংলগ্ন সাগর বা জাপানের পূর্বদিকে সাগরে পতিত হয়। এভাবে তারা ক্ষেপণাস্ত্রের প্রকৃত দূরত্বে না পাঠিয়েই পরীক্ষা চালিয়ে থাকে।
দক্ষিণ কোরিয়ার সংসদ সদস্য পার্ক সান-ওয়ান জানান, সাম্প্রতিক ইঞ্জিন পরীক্ষার সময় উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যমে যে ক্ষেপণাস্ত্রের কাঠামো (এয়ারফ্রেম) দেখানো হয়েছে, তা কার্বন-ফাইবার দিয়ে তৈরি। এই উপাদানটি হালকা হলেও অত্যন্ত মজবুত, ফলে ক্ষেপণাস্ত্রটি একাধিক ওয়ারহেড বহনে সক্ষম হতে পারে।
তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা ন্যাশনাল ইনটেলিজেন্স সার্ভিসের (এনআইএস) বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন গত ২৮ মার্চের ওই পরীক্ষায় উপস্থিত ছিলেন এবং এটিকে দেশের কৌশলগত সামরিক সক্ষমতায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি বলেও উল্লেখ করেন পার্ক সান-ওয়ান।
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে উত্তর কোরিয়া ধারাবাহিকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে এবং আরও শক্তিশালী ও প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে।

উত্তর কোরিয়া সম্প্রতি একটি কয়লা জাতীয় কঠিন (সলিড) জ্বালানিচালিত রকেট ইঞ্জিনের পরীক্ষা চালিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে দক্ষিণ কোরিয়া। তাঁদের দাবি, এই রকেট ইঞ্জিনটি কার্বন-ফাইবার দিয়ে তৈরি আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) নির্মাণে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে বানানো হচ্ছে। এর মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা বাড়ানো এবং একাধিক ওয়ারহেড বহনের সক্ষমতা অর্জনের চেষ্টা করছেন কিম জং উন। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
গত মার্চে উত্তর কোরিয়া একটি কঠিন জ্বালানিচালিত রকেট ইঞ্জিনের স্থল পরীক্ষা চালায়। বিশ্লেষকদের মতে, এটি দেশটির সর্বশেষ আইসিবিএমের জন্য তৈরি করা হচ্ছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার আইনপ্রণেতারা জানিয়েছেন, নতুন ইঞ্জিনটির থ্রাস্ট বা ধাক্কাশক্তি ২০২৪ সালে পরীক্ষিত আগের মডেলের তুলনায় বেশি হতে পারে। আগের মডেলটিকেই যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের যেকোনও স্থানে আঘাত হানার সক্ষম বলে মনে করা হয়েছিল।
উত্তর কোরিয়া তাদের দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সাধারণত উঁচু কোণে (লোফটেড ট্রাজেক্টরি) উৎক্ষেপণ করে, যাতে সেগুলো দেশের পূর্ব উপকূল সংলগ্ন সাগর বা জাপানের পূর্বদিকে সাগরে পতিত হয়। এভাবে তারা ক্ষেপণাস্ত্রের প্রকৃত দূরত্বে না পাঠিয়েই পরীক্ষা চালিয়ে থাকে।
দক্ষিণ কোরিয়ার সংসদ সদস্য পার্ক সান-ওয়ান জানান, সাম্প্রতিক ইঞ্জিন পরীক্ষার সময় উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যমে যে ক্ষেপণাস্ত্রের কাঠামো (এয়ারফ্রেম) দেখানো হয়েছে, তা কার্বন-ফাইবার দিয়ে তৈরি। এই উপাদানটি হালকা হলেও অত্যন্ত মজবুত, ফলে ক্ষেপণাস্ত্রটি একাধিক ওয়ারহেড বহনে সক্ষম হতে পারে।
তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা ন্যাশনাল ইনটেলিজেন্স সার্ভিসের (এনআইএস) বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন গত ২৮ মার্চের ওই পরীক্ষায় উপস্থিত ছিলেন এবং এটিকে দেশের কৌশলগত সামরিক সক্ষমতায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি বলেও উল্লেখ করেন পার্ক সান-ওয়ান।
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে উত্তর কোরিয়া ধারাবাহিকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে এবং আরও শক্তিশালী ও প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে।
.png)

যুদ্ধ পরিস্থিতি ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বিষয় কীভাবে তুলে ধরা হবে, তা নিয়ে ইরান সরকার ও রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির সঙ্গে বিরোধ দেখা দিয়েছে। শুক্রবার (২৫ জুলাই) সরকারি তথ্য পরিষদ আইআরআইবির বিরুদ্ধে ‘সেন্সরশিপের’ অভিযোগ তোলে।
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানে টানা ১৫ রাতে হামলা চালানোর পর থেমেছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাষ্য ছিল, ‘সন্তুষ্ট’ না হওয়া পর্যন্ত হামলা চালিয়ে যাওয়ার। এখন হঠাৎ হামলা বন্ধের পর কারণ নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।
৩ ঘণ্টা আগে
কাস্পিয়ান সাগরে একটি ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। হামলায় জাহাজটির একজন নাবিক নিহত ও আরেকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে তেহরান। এ ঘটনাকে ‘শত্রুতাপূর্ণ ও অপরাধমূলক হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করে তেহরানে নিযুক্ত ইউক্রেনের ভারপ্রাপ্ত কূটনৈতিক প্রতিনিধিকে (চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স) তলব করেছে ইরান
৫ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় দফায় পাল্টাপাল্টি হামলা শুরুর পর গত ১৫ দিনে যুক্তরাষ্ট্রের ২০০’র বেশি সেনাকে হত্যার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৫টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার ধ্বংসের দাবিও করেছে বাহিনীটি।
৫ ঘণ্টা আগে