স্ট্রিম ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রধান জানাজা আগামীকাল শনিবার। এই জানাজা ঘিরে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন– আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলে এবং ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এতে অংশ নেবেন কিনা।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ওই হামলায় মোজতবা নিজেও গুরুতর আহত হন। বাবার সঙ্গে মা এবং স্ত্রীকেও হারান। এরপর তিনি আরও জনসম্মুখে আসেননি। কণ্ঠস্বরও কেউ শোনেননি। কেবল লিখিত বিবৃতির মাধ্যমেই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ স্তরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন তিনি। খবর সিএনএনের।
ইরানি কর্মকর্তারা অবশ্য মোজতবা খামেনি পুরোপুরি সুস্থ বলে দেখানোর চেষ্টা করছেন। তাদের দাবি, সর্বোচ্চ নেতা ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেহরানের চলমান আলোচনার দিকনির্দেশনাও দিচ্ছেন।
আয়াতুল্লাহ খামেনির জানাজায় তাঁর উপস্থিতি হবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও ঐতিহাসিক। এটি যেমন হবে যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবার তার জনসমক্ষে আসা, তেমনি দেশের ভেতর তাঁর বৈধতা ও গ্রহণযোগ্যতা প্রতিষ্ঠা করতেও এটি সাহায্য করবে।
কিন্তু তিনি যদি শেষ পর্যন্ত উপস্থিত না হন, তবে তাঁর শারীরিক সুস্থতা নিয়ে সংশয় বাড়বে। একসঙ্গে দেশ আসলে কে চালাচ্ছে—তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠবে। যেমন গত বুধবার তিনি নিজের প্রয়াত স্ত্রীর এক ব্যক্তিগত স্মরণসভায় উপস্থিত হননি।
ইরান সরকার অবশ্য এ বিষয়ে এখনও কিছু স্পষ্ট করেনি। চলতি সপ্তাহে খামেনির উপস্থিতির ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে জানাজা আয়োজক কমিটির প্রধান আলী আকবর পুরজামশিদিয়ান প্রশ্নটি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের এখতিয়ারভুক্ত নয় এবং এ বিষয়ে সম্পূর্ণ সিদ্ধান্ত সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয় থেকেই নেওয়া হবে।’
এদিকে, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ মোজতবা খামেনি ‘হত্যার তালিকায়’ রয়েছেন জানানোর পর বুধবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, দেশটির নেতৃত্বের বিরুদ্ধে যেকোনো হুমকির তাৎক্ষণিক ও শক্তিশালী জবাব দেবে তেহরান।
সেক্ষেত্রে তাঁর জানাজায় অংশ না নেওয়াটাকে ইরানের পক্ষ থেকে ‘প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা’ হিসেবে প্রচার করার সম্ভাবনা রয়েছে। তবুও এটি বহু প্রশ্নের জন্ম দেবে এবং মোজতবা খামেনির স্বাস্থ্য ও নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা নিয়ে সংশয়কে আরও ঘনীভূত করবে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রধান জানাজা আগামীকাল শনিবার। এই জানাজা ঘিরে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন– আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলে এবং ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এতে অংশ নেবেন কিনা।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ওই হামলায় মোজতবা নিজেও গুরুতর আহত হন। বাবার সঙ্গে মা এবং স্ত্রীকেও হারান। এরপর তিনি আরও জনসম্মুখে আসেননি। কণ্ঠস্বরও কেউ শোনেননি। কেবল লিখিত বিবৃতির মাধ্যমেই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ স্তরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন তিনি। খবর সিএনএনের।
ইরানি কর্মকর্তারা অবশ্য মোজতবা খামেনি পুরোপুরি সুস্থ বলে দেখানোর চেষ্টা করছেন। তাদের দাবি, সর্বোচ্চ নেতা ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেহরানের চলমান আলোচনার দিকনির্দেশনাও দিচ্ছেন।
আয়াতুল্লাহ খামেনির জানাজায় তাঁর উপস্থিতি হবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও ঐতিহাসিক। এটি যেমন হবে যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবার তার জনসমক্ষে আসা, তেমনি দেশের ভেতর তাঁর বৈধতা ও গ্রহণযোগ্যতা প্রতিষ্ঠা করতেও এটি সাহায্য করবে।
কিন্তু তিনি যদি শেষ পর্যন্ত উপস্থিত না হন, তবে তাঁর শারীরিক সুস্থতা নিয়ে সংশয় বাড়বে। একসঙ্গে দেশ আসলে কে চালাচ্ছে—তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠবে। যেমন গত বুধবার তিনি নিজের প্রয়াত স্ত্রীর এক ব্যক্তিগত স্মরণসভায় উপস্থিত হননি।
ইরান সরকার অবশ্য এ বিষয়ে এখনও কিছু স্পষ্ট করেনি। চলতি সপ্তাহে খামেনির উপস্থিতির ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে জানাজা আয়োজক কমিটির প্রধান আলী আকবর পুরজামশিদিয়ান প্রশ্নটি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের এখতিয়ারভুক্ত নয় এবং এ বিষয়ে সম্পূর্ণ সিদ্ধান্ত সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয় থেকেই নেওয়া হবে।’
এদিকে, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ মোজতবা খামেনি ‘হত্যার তালিকায়’ রয়েছেন জানানোর পর বুধবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, দেশটির নেতৃত্বের বিরুদ্ধে যেকোনো হুমকির তাৎক্ষণিক ও শক্তিশালী জবাব দেবে তেহরান।
সেক্ষেত্রে তাঁর জানাজায় অংশ না নেওয়াটাকে ইরানের পক্ষ থেকে ‘প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা’ হিসেবে প্রচার করার সম্ভাবনা রয়েছে। তবুও এটি বহু প্রশ্নের জন্ম দেবে এবং মোজতবা খামেনির স্বাস্থ্য ও নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা নিয়ে সংশয়কে আরও ঘনীভূত করবে।
.png)

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানের আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে আগ্রাসন শুরু করার প্রথম দিনে বিমান হামলায় নিহত হন খামেনি। তাঁর জানাজাকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের ‘ভুল হিসাব’ বা হামলা চালানো হলে কঠোর প
২ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্প আঘাত হানার ৮ দিন পর একজনকে ধসে পড়া ভবনের নিচ থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার তাঁকে উদ্ধার করা হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের একটি ক্যাফেতে বোমা বিস্ফোরণে অন্তত পাঁচজন নিহত এবং ১৬ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, দামেস্কের জাস্টিস প্যালেসের (আদালত ভবন) কাছে আল-নাসর স্ট্রিটের একটি ক্যাফেতে এই বিস্ফোরণ ঘটে।
১৬ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে মৃত ও নিখোঁজের সংখ্যার সরকারি হিসাব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ওই বিপর্যয়ের এক সপ্তাহ পর বুধবার দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অন্তত ২ হাজার ২৯৫ জন নিহত হয়েছেন। তবে দেশটির মানুষ ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মত, সরকারি হিসাবের চেয়ে প্রকৃত মৃতের সংখ্যা অনেক বেশি।
২১ ঘণ্টা আগে