স্ট্রিম ডেস্ক

মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ‘পছন্দ করেন’। তবে ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাতের চলমান অবস্থা নিয়ে হতাশ তিনি।
গত মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিউইয়র্ক পোস্টের পডকাস্ট ‘পড ফোর্স ওয়ানে’ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা পুতিনকে চিনি। আমার স্ত্রী (মেলানিয়া) পুতিনকে পছন্দ করে। আমিও তার (পুতিনের) সঙ্গে খুব ভালোভাবে মিশেছি।’
চলতি বছর ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে ট্রাম্প বলে আসছেন, তিনি রাশিয়া ও পুতিন উভয়কেই সম্মান করেন এবং সংঘাতের কূটনৈতিক সমাধান খুঁজতে চান। তবে সাম্প্রতিক সময়ে শান্তি প্রক্রিয়ায় আশানুরূপ অগ্রগতি না হওয়ায় ট্রাম্প হতাশা প্রকাশ করেন এবং মস্কোর বিরুদ্ধে আরও নিষেধাজ্ঞার হুমকি দেন।
সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, রাশিয়া আলোচনায় বসতে আগ্রহী, তবে তারা সংঘাতের মূল কারণগুলোর সমাধান করতে চায়।
ট্রাম্প আরও বলেন, রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে সাম্প্রতিক কথোপকথনের কিছু পরেই মেলানিয়া মন্তব্য করেছিলেন, ‘খুব দুঃখজনক! তারা মাত্রই আবার কিয়েভে বোমা মেরেছে।’
গতকাল মঙ্গলবার মস্কো ও কিয়েভকে শান্তি চুক্তি করতে দেওয়া ৫০ দিনের সময়সীমা কমিয়ে মাত্র ১০ দিনে নিয়ে আসেন ট্রাম্প। হুঁশিয়ারি দিয়ে ট্রাম্প বলেন, এই সময়ের মধ্যে কোনো চুক্তি না হলে রাশিয়ার বাণিজ্যিক অংশীদারদের ওপরও ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।
তবে রুশ সরকারি কর্মকর্তারা মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই আল্টিমেটাম প্রত্যাখ্যান করেছেন।
চলতি মাসের শুরুতে যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিভিন্ন সিদ্ধান্তে মেলানিয়া ট্রাম্প বড় ধরনের প্রভাব বা ভূমিকা রাখেন। ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেছেন, রক্তপাত বন্ধ হোক—এটাই চান মেলানিয়া ট্রাম্প। তবে দ্য টাইমস ইঙ্গিত করেছে, ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাত নিয়ে ট্রাম্পের অবস্থান পরিবর্তনের পেছনে মেলানিয়ার প্রভাব থাকতে পারে।
দ্য টাইমস দাবি করেছে, ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাতে মেলানিয়া ট্রাম্পের এই আগ্রহ তাঁর জন্মস্থানের সঙ্গে সম্পৃক্ত। মেলানিয়ার জন্ম সোভিয়েত যুগের স্লোভেনিয়ায়। স্লোভেনিয়ায় এখনো ইউক্রেনের কট্টর সমর্থক।
মার্কিন আইনপ্রণেতা ডন বেকন চলতি মাসে এক সাক্ষাৎকারে এই মত পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের রাশিয়ার প্রতি অবস্থান পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ফার্স্ট লেডি হয়তো ‘নীরব কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা’ রেখেছেন।

মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ‘পছন্দ করেন’। তবে ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাতের চলমান অবস্থা নিয়ে হতাশ তিনি।
গত মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিউইয়র্ক পোস্টের পডকাস্ট ‘পড ফোর্স ওয়ানে’ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা পুতিনকে চিনি। আমার স্ত্রী (মেলানিয়া) পুতিনকে পছন্দ করে। আমিও তার (পুতিনের) সঙ্গে খুব ভালোভাবে মিশেছি।’
চলতি বছর ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে ট্রাম্প বলে আসছেন, তিনি রাশিয়া ও পুতিন উভয়কেই সম্মান করেন এবং সংঘাতের কূটনৈতিক সমাধান খুঁজতে চান। তবে সাম্প্রতিক সময়ে শান্তি প্রক্রিয়ায় আশানুরূপ অগ্রগতি না হওয়ায় ট্রাম্প হতাশা প্রকাশ করেন এবং মস্কোর বিরুদ্ধে আরও নিষেধাজ্ঞার হুমকি দেন।
সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, রাশিয়া আলোচনায় বসতে আগ্রহী, তবে তারা সংঘাতের মূল কারণগুলোর সমাধান করতে চায়।
ট্রাম্প আরও বলেন, রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে সাম্প্রতিক কথোপকথনের কিছু পরেই মেলানিয়া মন্তব্য করেছিলেন, ‘খুব দুঃখজনক! তারা মাত্রই আবার কিয়েভে বোমা মেরেছে।’
গতকাল মঙ্গলবার মস্কো ও কিয়েভকে শান্তি চুক্তি করতে দেওয়া ৫০ দিনের সময়সীমা কমিয়ে মাত্র ১০ দিনে নিয়ে আসেন ট্রাম্প। হুঁশিয়ারি দিয়ে ট্রাম্প বলেন, এই সময়ের মধ্যে কোনো চুক্তি না হলে রাশিয়ার বাণিজ্যিক অংশীদারদের ওপরও ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।
তবে রুশ সরকারি কর্মকর্তারা মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই আল্টিমেটাম প্রত্যাখ্যান করেছেন।
চলতি মাসের শুরুতে যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিভিন্ন সিদ্ধান্তে মেলানিয়া ট্রাম্প বড় ধরনের প্রভাব বা ভূমিকা রাখেন। ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেছেন, রক্তপাত বন্ধ হোক—এটাই চান মেলানিয়া ট্রাম্প। তবে দ্য টাইমস ইঙ্গিত করেছে, ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাত নিয়ে ট্রাম্পের অবস্থান পরিবর্তনের পেছনে মেলানিয়ার প্রভাব থাকতে পারে।
দ্য টাইমস দাবি করেছে, ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাতে মেলানিয়া ট্রাম্পের এই আগ্রহ তাঁর জন্মস্থানের সঙ্গে সম্পৃক্ত। মেলানিয়ার জন্ম সোভিয়েত যুগের স্লোভেনিয়ায়। স্লোভেনিয়ায় এখনো ইউক্রেনের কট্টর সমর্থক।
মার্কিন আইনপ্রণেতা ডন বেকন চলতি মাসে এক সাক্ষাৎকারে এই মত পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের রাশিয়ার প্রতি অবস্থান পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ফার্স্ট লেডি হয়তো ‘নীরব কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা’ রেখেছেন।

প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক ভিডিও বক্তব্য দিয়েছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি।
৭ ঘণ্টা আগে
রেকর্ডকৃত ভিডিও বার্তায় মুজবতা খামেনি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সব ঘাঁটি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় সেগুলোতে হামলা চালানো হবে।
৮ ঘণ্টা আগে
লেবাননে থাকা হিজবুল্লাহর অস্ত্র সক্ষমতা দেখে রীতিমতো বিস্মিত ইসরায়েল। সর্বশেষ ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করে চালানো হামলার ধারা প্রমাণ করেছে—লেবাননের এই গোষ্ঠীটি এখনো শক্তিশালী।
৮ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে জ্বালানি স্থাপনায় ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইরান। এ হামলার পর তেলের দাম আবার ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। সরকারি মজুদ থেকে বিশাল পরিমাণ তেল ছাড়ার ঘোষণাও এই মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে পারেনি।
৯ ঘণ্টা আগে