জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

ইরানের হামলায় পর্যুদস্ত ইসরায়েল, টানা সাইরেন

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

ইসরায়েলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। ছবি: সংগৃহীত

ইরান ও লেবাননের হিজবুল্লাহর রকেট ব্যাপক রকেট হামলার কারণে ইসরায়েলের প্রাণকেন্দ্র হাইফা ও উত্তরাঞ্চলীয় আশপাশের এলাকায় টানা সাইরেন বাজছে। পাশাপাশি ধোঁয়ার কুণ্ডলী উড়তে দেখা গেছে।

আজ সোমবরা (৯ মার্চ) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা নিয়ে দেওয়া লাইভ আপডেটে এই তথ্য জানিয়েছে।

খবরে বলা হয়েছে, জনবহুল ও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ এ অঞ্চলটি ইসরায়েলের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪৪ শতাংশ লোকের বাস। শুধু তাই নয়, তেল আবিবের কাছের এ এলাকাটিতে বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, বেশ কয়েকটি সামরিক ঘাঁটি, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মোসাদের সদর দপ্তর রয়েছে। কৌশলগত দিক থেকে এটি ইসরায়েলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলগুলোর একটি। তবে ইসরায়েলের সামরিক কর্তৃপক্ষ এখনো হামলার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশের অনুমতি দেয়নি।

তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বেশ কয়েকটি এলাকায় আঘাত হানার পর ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা গেছে।

তথ্য প্রকাশের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ

দখলকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লা থেকে আল জাজিরার সাংবাদিক নূর ওদেহ বলেছেন, চলমান যুদ্ধে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী তথ্য প্রকাশে যেরকম নিয়ন্ত্রণ করছে তা আমি আগে কখনোই দেখিনি।

তিনি জানান, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে ইসরায়েলের সামরিক কর্তৃপক্ষ তথ্য প্রকাশে নজিরবিহীন কঠোরতা দেখাচ্ছে। ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট কোথায় আঘাত হানছে এবং ইরান বা হিজবুল্লাহ কতটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে—এসব তথ্য প্রকাশে কার্যত পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। তথ্য প্রচারের সময় ‘বেশি বলে ফেলেছেন’ মনে হলেই সাংবাদিকদের গ্রেপ্তারও করা হচ্ছে।

এর মধ্যেই জানা গেছে, আজ তেল আবিবের কাছে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকায় দুজন নিহত হয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, ইরানের ছোড়া কিছু ক্ষেপণাস্ত্রে ক্লাস্টার ওয়ারহেড রয়েছে। এই ধরনের ওয়ারহেড বিস্ফোরণের সময় ছোট ছোট টুকরায় ভাগ হয়ে বিস্তৃত এলাকাজুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটাতে সক্ষম। হামলার পর টার্গেটকৃত এলাকায় অবিস্ফোরিত বোমার টুকরো খুঁজে বের করতে উদ্ধারকর্মীদের দীর্ঘ সময় ব্যয় করতে হচ্ছে।

সম্পর্কিত