হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া ও অবরোধ প্রত্যাহারের ঘোষণা ট্রাম্পের। সমঝোতাকে ‘কৌশলগত পরাজয়’ বলছে ইসরায়েলিরা।
স্ট্রিম ডেস্ক

দীর্ঘ উত্তেজনা ও সংঘাতের পর যুদ্ধ বন্ধে অবশেষে শান্তিচুক্তিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে। এই সমঝোতা মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে নতুন বাস্তবতা তৈরি করতে পারে। যেখানে সবচেয়ে বেশি অস্বস্তিতে পড়তে পারে ইসরায়েল।
চুক্তির আওতায় হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া, ইরানের বিরুদ্ধে আরোপিত মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, লেবাননসহ বিভিন্ন ফ্রন্টে সামরিক অভিযান বন্ধ এবং পারমাণবিক ইস্যুতে নতুন আলোচনার পথ তৈরি হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
সোমবার ভোরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রথমে চুক্তির হওয়ার বিষয়ে ঘোষণা দেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা রাখার কথা তুলে ধরেন তিনি। শেহবাজের ঘোষণার কিছুক্ষণ পরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ইরানের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ট্রাম্প লেখেন, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে চুক্তি এখন সম্পন্ন।’ একই সঙ্গে তিনি ঘোষণা দেন, আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ টোলমুক্তভাবে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে এবং ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর আরোপিত অবরোধও তুলে নেওয়া হবে। আটকে পড়া জাহাজগুলোকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘ইঞ্জিন চালু করো, তেলের প্রবাহ চলুক।’
পরবর্তী আরেক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, তাঁর প্রশাসন ইরানের সঙ্গে এমন একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে, যা মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও নিরাপত্তার নতুন অধ্যায় শুরু করবে। তাঁর ভাষায়, অতীতের অনেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করলেও সফল হননি।
ইরান সরকার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তির বিস্তারিত ঘোষণা না দিলেও দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এবং বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি প্রচার করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের এক ঘোষণায় বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ বন্ধে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে বাধ্য হয়েছে। ইরানের বিভিন্ন গণমাধ্যমে সমঝোতাটিকে তেহরানের কূটনৈতিক বিজয় হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।
ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহর নিউজের প্রকাশিত তথ্যমতে, সম্ভাব্য সমঝোতা স্মারকে অন্তত ১৪টি বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার মার্কিন প্রতিশ্রুতি, ৩০ দিনের মধ্যে ইরানের চারপাশে থাকা নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু, তেল ও জ্বালানি খাতের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ না করার প্রতিশ্রুতি।
এ ছাড়া ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করবে বলেও খসড়ায় উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে চূড়ান্ত সমঝোতার আগে জব্দ করা ইরানি সম্পদের একটি অংশ মুক্ত করা এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়েও আলোচনা চলছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে।
তবে সমঝোতার ঘোষণা আসার পরপরই রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে ইসরায়েলে। আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ডানপন্থী সংবাদমাধ্যমগুলো ট্রাম্পের সমালোচনায় সরব হয়েছে। কয়েক মাস আগেও যেসব গণমাধ্যম ট্রাম্পকে ইসরায়েলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য মিত্র হিসেবে বর্ণনা করতো, তারাই এখন ট্রাম্পের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তির ফলে লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক তৎপরতা সীমিত বা বন্ধ করার জন্য আন্তর্জাতিক চাপ বাড়তে পারে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে সেনা উপস্থিতি কমানোর বিষয়েও আলোচনা তৈরি হতে পারে। এ কারণেই ইসরায়েলিরা সমঝোতাটিকে রাজনৈতিক ও কৌশলগত পরাজয় হিসেবে দেখছে।
তাদের ধারণা, চুক্তিটি কার্যকর হলে তেহরান এটিকে নিজেদের বিজয় হিসেবে তুলে ধরবে। এতে আঞ্চলিক রাজনীতিতে ইরানের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে। ফলে বহুদিন ধরে ইরানের বিরুদ্ধে যে আঞ্চলিক চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল, তার বড় একটি অংশ দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।
চুক্তির ঘোষণা আসার মাত্র এক দিন আগেও পরিস্থিতি ছিল উত্তপ্ত। গতকাল রোববার (১৪ জুন) বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি হামলার ঘটনায় নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ওই হামলার তীব্র সমালোচনা করে হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল ইরান। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই ওয়াশিংটন ও তেহরান সমঝোতার পথে এগিয়ে যাওয়ায় কূটনৈতিক মহলে বিস্ময় তৈরি হয়েছে।
যদিও এখনো চুক্তির পূর্ণাঙ্গ শর্ত প্রকাশ করা হয়নি। ইরানের পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের ঘোষণা আসেনি। তবু মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক ভূরাজনীতিতে এটিকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষরের পরই সমঝোতার প্রকৃত কাঠামো ও এর আঞ্চলিক প্রভাব আরও স্পষ্টভাবে জানা যাবে। সূত্র: আলজাজিরা, বিবিসি, রয়টার্স ও মেহর নিউজ

দীর্ঘ উত্তেজনা ও সংঘাতের পর যুদ্ধ বন্ধে অবশেষে শান্তিচুক্তিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে। এই সমঝোতা মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে নতুন বাস্তবতা তৈরি করতে পারে। যেখানে সবচেয়ে বেশি অস্বস্তিতে পড়তে পারে ইসরায়েল।
চুক্তির আওতায় হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া, ইরানের বিরুদ্ধে আরোপিত মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, লেবাননসহ বিভিন্ন ফ্রন্টে সামরিক অভিযান বন্ধ এবং পারমাণবিক ইস্যুতে নতুন আলোচনার পথ তৈরি হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
সোমবার ভোরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রথমে চুক্তির হওয়ার বিষয়ে ঘোষণা দেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকা রাখার কথা তুলে ধরেন তিনি। শেহবাজের ঘোষণার কিছুক্ষণ পরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ইরানের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ট্রাম্প লেখেন, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে চুক্তি এখন সম্পন্ন।’ একই সঙ্গে তিনি ঘোষণা দেন, আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ টোলমুক্তভাবে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে এবং ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর আরোপিত অবরোধও তুলে নেওয়া হবে। আটকে পড়া জাহাজগুলোকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘ইঞ্জিন চালু করো, তেলের প্রবাহ চলুক।’
পরবর্তী আরেক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, তাঁর প্রশাসন ইরানের সঙ্গে এমন একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে, যা মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও নিরাপত্তার নতুন অধ্যায় শুরু করবে। তাঁর ভাষায়, অতীতের অনেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করলেও সফল হননি।
ইরান সরকার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তির বিস্তারিত ঘোষণা না দিলেও দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এবং বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি প্রচার করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের এক ঘোষণায় বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ বন্ধে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে বাধ্য হয়েছে। ইরানের বিভিন্ন গণমাধ্যমে সমঝোতাটিকে তেহরানের কূটনৈতিক বিজয় হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।
ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহর নিউজের প্রকাশিত তথ্যমতে, সম্ভাব্য সমঝোতা স্মারকে অন্তত ১৪টি বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার মার্কিন প্রতিশ্রুতি, ৩০ দিনের মধ্যে ইরানের চারপাশে থাকা নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু, তেল ও জ্বালানি খাতের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ না করার প্রতিশ্রুতি।
এ ছাড়া ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করবে বলেও খসড়ায় উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে চূড়ান্ত সমঝোতার আগে জব্দ করা ইরানি সম্পদের একটি অংশ মুক্ত করা এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়েও আলোচনা চলছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে।
তবে সমঝোতার ঘোষণা আসার পরপরই রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে ইসরায়েলে। আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ডানপন্থী সংবাদমাধ্যমগুলো ট্রাম্পের সমালোচনায় সরব হয়েছে। কয়েক মাস আগেও যেসব গণমাধ্যম ট্রাম্পকে ইসরায়েলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য মিত্র হিসেবে বর্ণনা করতো, তারাই এখন ট্রাম্পের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তির ফলে লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক তৎপরতা সীমিত বা বন্ধ করার জন্য আন্তর্জাতিক চাপ বাড়তে পারে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে সেনা উপস্থিতি কমানোর বিষয়েও আলোচনা তৈরি হতে পারে। এ কারণেই ইসরায়েলিরা সমঝোতাটিকে রাজনৈতিক ও কৌশলগত পরাজয় হিসেবে দেখছে।
তাদের ধারণা, চুক্তিটি কার্যকর হলে তেহরান এটিকে নিজেদের বিজয় হিসেবে তুলে ধরবে। এতে আঞ্চলিক রাজনীতিতে ইরানের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে। ফলে বহুদিন ধরে ইরানের বিরুদ্ধে যে আঞ্চলিক চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল, তার বড় একটি অংশ দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।
চুক্তির ঘোষণা আসার মাত্র এক দিন আগেও পরিস্থিতি ছিল উত্তপ্ত। গতকাল রোববার (১৪ জুন) বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি হামলার ঘটনায় নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ওই হামলার তীব্র সমালোচনা করে হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল ইরান। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই ওয়াশিংটন ও তেহরান সমঝোতার পথে এগিয়ে যাওয়ায় কূটনৈতিক মহলে বিস্ময় তৈরি হয়েছে।
যদিও এখনো চুক্তির পূর্ণাঙ্গ শর্ত প্রকাশ করা হয়নি। ইরানের পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের ঘোষণা আসেনি। তবু মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক ভূরাজনীতিতে এটিকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষরের পরই সমঝোতার প্রকৃত কাঠামো ও এর আঞ্চলিক প্রভাব আরও স্পষ্টভাবে জানা যাবে। সূত্র: আলজাজিরা, বিবিসি, রয়টার্স ও মেহর নিউজ

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী হাকিমপুর গ্রাম। সেখানে একটি চেকপোস্টের কাছে তীব্র রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছেন রাইসুল ইসলাম।
১৫ ঘণ্টা আগে
স্পেসএক্স শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর বিশ্বের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে ১ ট্রিলিয়ন ডলার সম্পদের মালিক হয়েছেন ইলন মাস্ক। তবে বিপুল সম্পদের এই মালিক জীবনযাপন করেন বেশ সাদামাটাভাবে।
১৬ ঘণ্টা আগে
ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার পরোক্ষ আলোচনার সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য কূটনৈতিক বার্তাগুলো যাচাই-বাছাই করতে অভিজ্ঞ মনস্তাত্ত্বিকদের (সাইকোলজিস্ট) নিয়োগ দিয়েছে ইরান। শনিবার (১৩ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের সাংবাদিক জেরেমি স্কাহিল ইরানি সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানান। খবর দ্য ক্রাডল এর।
১৮ ঘণ্টা আগে
গত শনিবার খামেনির জানাজা ও দাফনের তারিখ ঘোষণা করে ইরান। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ৬, ৭ ও ৯ জুলাই যথাক্রমে তেহরান, কোম ও মাশহাদে খামেনিকে দাফনের আগের আনুষ্ঠানিকতা হবে। এরপর ৯ জুলাই জন্মস্থান মাশহাদে তাঁকে দাফন করা হবে।
১৮ ঘণ্টা আগে