স্ট্রিম ডেস্ক

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া (কেপি) প্রদেশের হাঙ্গু জেলায় একটি পুলিশ তল্লাশি চৌকিতে সশস্ত্র হামলা হয়েছে। এতে উপ-পুলিশ সুপার (ডিএসপি) পদমর্যাদার এক কর্মকর্তাসহ অন্তত ৯ সদস্য নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ২৮ জন। হামলার জন্য নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গিগোষ্ঠী তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) সদস্যদের দায়ী করেছে দেশটির পুলিশ।
বুধবার (২৯ জুলাই) গভীর রাতে হাঙ্গুর খাজিনা বান্দা পুলিশ চৌকিতে এই হামলা হয়। খাইবার পাখতুনখোয়ার পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজি) জুলফিকার হামিদ এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, চৌকিটিতে টিটিপির সদস্যরা হামলা চালানোর পর পুলিশ সদস্যরা পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা যাওয়ার পথেও অতর্কিত হামলার শিকার হন। এতে পুলিশের একটি সাঁজোয়া যান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
জুলফিকার হামিদের দাবি, পুলিশের পাল্টা অভিযানে টিটিপির ১৫ সদস্য নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। তবে দীর্ঘ বন্দুকযুদ্ধে ডিএসপি দিয়ার খানসহ ৯ পুলিশ সদস্য নিহত হন। আহত হন আরও ২৮ জন।
এদিকে, একই রাতে পেশোয়ারের মাত্তানি থানার আওতাধীন আদেজাই এলাকার আরেকটি পুলিশ চৌকিতেও হামলা চালানো হয়। তবে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের পাল্টা জবাবের মুখে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় কোনো পুলিশ সদস্য হতাহত হননি।
এ হামলার নিন্দা জানিয়েছেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি। তিনি নিহত পুলিশ সদস্যদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন।
পাকিস্তান ইনস্টিটিউট ফর কনফ্লিক্ট অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের (পিআইসিএসএস) সাম্প্রতিক মূল্যায়নে বলা হয়েছে, খাইবার পাখতুনখোয়া ও বেলুচিস্তানে সন্ত্রাসী হামলা বেড়ে যাওয়ায় দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। এর আগে বুধবারই কাবাল ও মাত্তা এলাকায় যৌথ অভিযানে টিটিপির ছয় সদস্য নিহত হন। ওই অভিযানে একজন পুলিশ সদস্য ও গ্রাম প্রতিরক্ষা কমিটির চার সদস্যও নিহত হন।
সূত্র : দ্য ডন ও আনাদোলু এজেন্সি

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া (কেপি) প্রদেশের হাঙ্গু জেলায় একটি পুলিশ তল্লাশি চৌকিতে সশস্ত্র হামলা হয়েছে। এতে উপ-পুলিশ সুপার (ডিএসপি) পদমর্যাদার এক কর্মকর্তাসহ অন্তত ৯ সদস্য নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ২৮ জন। হামলার জন্য নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গিগোষ্ঠী তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) সদস্যদের দায়ী করেছে দেশটির পুলিশ।
বুধবার (২৯ জুলাই) গভীর রাতে হাঙ্গুর খাজিনা বান্দা পুলিশ চৌকিতে এই হামলা হয়। খাইবার পাখতুনখোয়ার পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজি) জুলফিকার হামিদ এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, চৌকিটিতে টিটিপির সদস্যরা হামলা চালানোর পর পুলিশ সদস্যরা পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা যাওয়ার পথেও অতর্কিত হামলার শিকার হন। এতে পুলিশের একটি সাঁজোয়া যান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
জুলফিকার হামিদের দাবি, পুলিশের পাল্টা অভিযানে টিটিপির ১৫ সদস্য নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। তবে দীর্ঘ বন্দুকযুদ্ধে ডিএসপি দিয়ার খানসহ ৯ পুলিশ সদস্য নিহত হন। আহত হন আরও ২৮ জন।
এদিকে, একই রাতে পেশোয়ারের মাত্তানি থানার আওতাধীন আদেজাই এলাকার আরেকটি পুলিশ চৌকিতেও হামলা চালানো হয়। তবে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের পাল্টা জবাবের মুখে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় কোনো পুলিশ সদস্য হতাহত হননি।
এ হামলার নিন্দা জানিয়েছেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি। তিনি নিহত পুলিশ সদস্যদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন।
পাকিস্তান ইনস্টিটিউট ফর কনফ্লিক্ট অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের (পিআইসিএসএস) সাম্প্রতিক মূল্যায়নে বলা হয়েছে, খাইবার পাখতুনখোয়া ও বেলুচিস্তানে সন্ত্রাসী হামলা বেড়ে যাওয়ায় দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। এর আগে বুধবারই কাবাল ও মাত্তা এলাকায় যৌথ অভিযানে টিটিপির ছয় সদস্য নিহত হন। ওই অভিযানে একজন পুলিশ সদস্য ও গ্রাম প্রতিরক্ষা কমিটির চার সদস্যও নিহত হন।
সূত্র : দ্য ডন ও আনাদোলু এজেন্সি
.png)

ইউরোপজুড়ে ছড়িয়ে পড়া ভয়াবহ দাবানল এখন শুধু মৌসুমি দুর্যোগ নয়, বরং নতুন এক বাস্তবতায় পরিণত হচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের ভাষায়, এসব দাবানল এখন এতই তীব্র যে এর শক্তি ‘কয়েকটি পারমাণবিক বোমার’ সমান। ফ্রান্স, স্পেন, গ্রিস ও তুরস্কে ছড়াতে থাকা দাবানল নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খাচ্ছেন দমকলকর্মীরা।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় একটি আবাসিক ভবন ধসে দুই বছরের সন্তানসহ দম্পতি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছে তাদের আরও শিশু সন্তান। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ এই তথ্য জানিয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
এতদিন ধরে হামলার শুরুটা যুক্তরাষ্ট্রই করে আসছে। তবে এবার যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলার জবাবে নয়, বরং তেহরান নিজেই যুদ্ধ শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দেশটি দেখাল, নিজের স্বার্থে যুদ্ধের গতিপথ পাল্টাতে সামরিক শক্তি ব্যবহারে তারা কোনো দ্বিধা করবে না।
৫ ঘণ্টা আগে
জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ২৩ জনে দাঁড়িয়েছে। ধসে পড়া শপিং মল ও বাড়িঘরের ধ্বংসস্তূপে এখনো জীবিতদের খুঁজছেন উদ্ধারকর্মীরা। তবে একের পর এক আফটারশক, তীব্র গরম এবং পানি-বিদ্যুতের সংকট উদ্ধার অভিযানকে কঠিন করে তুলেছে।
৫ ঘণ্টা আগে