স্ট্রিম ডেস্ক

ইসরায়েলে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের হুথিরা। শনিবার (২৮ মার্চ) এই হামলার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে প্রবেশের কথা নিশ্চিত করেছে ইরান সমর্থিত এই গোষ্ঠী।
হুথি সশস্ত্র বাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরান, লেবানন, ইরাক এবং ফিলিস্তিনের ভূখণ্ডে অব্যাহত হামলার প্রতিবাদে তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আল্লাহর ওপর ভরসা করে ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী প্রথম সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে। দক্ষিণ ইসরায়েলের (অধিকৃত ফিলিস্তিনের দক্ষিণাঞ্চল) সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে।’ মিত্র দেশগুলোর ওপর ‘আগ্রাসন’ ও ‘গণহত্যা’ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত সব ফ্রন্টে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা।
এর আগে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছিল, ইয়েমেন থেকে ইসরায়েলের দিকে ধেয়ে আসা একটি ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে এবং সেটি আকাশেই প্রতিহত (ইন্টারসেপ্ট) করেছে।
হুথিদের এই যুদ্ধে সরাসরি প্রবেশের ফলে লোহিত সাগর করিডোর দিয়ে চলাচল করা বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। হুথিদের তথ্য মন্ত্রণালয়ের আন্ডার সেক্রেটারি মোহাম্মদ মনসুর মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-কে এক বার্তায় জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যদি তাদের আক্রমণ আরও বাড়ায়, তবে ইয়েমেন উপকূলের ‘ বাবেল-মান্দেব প্রণালি’ বন্ধ করে দেওয়া তাদের জন্য ‘বাস্তবসম্মত বিকল্প’। এই প্রণালি লোহিত সাগরকে বৈশ্বিক শিপিং রুটের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
‘আনসার আল্লাহ’ (আল্লাহর সমর্থক) নামে পরিচিত এই হুথি আন্দোলন ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধের অন্যতম প্রধান পক্ষ। নব্বইয়ের দশকে জাইদি শিয়া সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষায় হুসেইন আল-হুথির নেতৃত্বে এর উত্থান ঘটে। ২০১৪ সালে হুথিরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা দখল করে নিলে দেশটিতে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়।
ইরান সমর্থিত এই গোষ্ঠী মধ্যপ্রাচ্যে ‘অ্যাক্সিস অব রেজিস্ট্যান্স’ বা প্রতিরোধ বলয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মার্কিন সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মতে, ২০১৪ সালের পর থেকে ইরানের সহায়তায় হুথিরা নিজেদের ড্রোন, ব্যালিস্টিক এবং ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সক্ষমতা ব্যাপকভাবে বাড়িয়েছে। এর আগেও তারা লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজ এবং মার্কিন যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে ড্রোন ও অ্যান্টি-শিপ মিসাইল দিয়ে হামলা চালিয়েছিল।

ইসরায়েলে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের হুথিরা। শনিবার (২৮ মার্চ) এই হামলার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে প্রবেশের কথা নিশ্চিত করেছে ইরান সমর্থিত এই গোষ্ঠী।
হুথি সশস্ত্র বাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরান, লেবানন, ইরাক এবং ফিলিস্তিনের ভূখণ্ডে অব্যাহত হামলার প্রতিবাদে তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আল্লাহর ওপর ভরসা করে ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী প্রথম সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে। দক্ষিণ ইসরায়েলের (অধিকৃত ফিলিস্তিনের দক্ষিণাঞ্চল) সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে।’ মিত্র দেশগুলোর ওপর ‘আগ্রাসন’ ও ‘গণহত্যা’ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত সব ফ্রন্টে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা।
এর আগে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছিল, ইয়েমেন থেকে ইসরায়েলের দিকে ধেয়ে আসা একটি ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে এবং সেটি আকাশেই প্রতিহত (ইন্টারসেপ্ট) করেছে।
হুথিদের এই যুদ্ধে সরাসরি প্রবেশের ফলে লোহিত সাগর করিডোর দিয়ে চলাচল করা বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। হুথিদের তথ্য মন্ত্রণালয়ের আন্ডার সেক্রেটারি মোহাম্মদ মনসুর মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-কে এক বার্তায় জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যদি তাদের আক্রমণ আরও বাড়ায়, তবে ইয়েমেন উপকূলের ‘ বাবেল-মান্দেব প্রণালি’ বন্ধ করে দেওয়া তাদের জন্য ‘বাস্তবসম্মত বিকল্প’। এই প্রণালি লোহিত সাগরকে বৈশ্বিক শিপিং রুটের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
‘আনসার আল্লাহ’ (আল্লাহর সমর্থক) নামে পরিচিত এই হুথি আন্দোলন ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধের অন্যতম প্রধান পক্ষ। নব্বইয়ের দশকে জাইদি শিয়া সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষায় হুসেইন আল-হুথির নেতৃত্বে এর উত্থান ঘটে। ২০১৪ সালে হুথিরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা দখল করে নিলে দেশটিতে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়।
ইরান সমর্থিত এই গোষ্ঠী মধ্যপ্রাচ্যে ‘অ্যাক্সিস অব রেজিস্ট্যান্স’ বা প্রতিরোধ বলয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মার্কিন সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মতে, ২০১৪ সালের পর থেকে ইরানের সহায়তায় হুথিরা নিজেদের ড্রোন, ব্যালিস্টিক এবং ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সক্ষমতা ব্যাপকভাবে বাড়িয়েছে। এর আগেও তারা লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজ এবং মার্কিন যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে ড্রোন ও অ্যান্টি-শিপ মিসাইল দিয়ে হামলা চালিয়েছিল।

ইরানের সামরিক স্থাপনাগুলোতে সোমবার হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে, ইরানের বিপ্লবী গার্ডের দাবি, হামলার জবাবে একটি মার্কিন ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে তাঁরা। ইরান যুদ্ধ স্থায়ী বন্ধে চলমান আলোচনার মধ্যেই উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার সর্বশেষ ঘটনা এটি। খবর রয়টার্সের
৩ ঘণ্টা আগে
গত এপ্রিলে হওয়া যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করে দক্ষিণ লেবাননে অভিযান আরও জোরদার করেছে ইসরায়েল। দেশটির বাহিনী লিতানি নদী পেরিয়ে এখন নাবাতিয়েহ শহরের উপকণ্ঠে পৌঁছে গেছে। একই সঙ্গে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বেউফোর্ট দুর্গও তাদের নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
মিয়ানমারের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে খনিতে ব্যবহারের জন্য মজুত রাখা বিস্ফোরক গুদামে বিস্ফোরণে অন্তত ৪৬ জন নিহত হয়েছেন। রোববার (৩১ মে) চীন সীমান্তের কাছে নামখাম টাউনশিপের কাউংটুপ গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
১৬ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের চুক্তির সম্ভবনা ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কৌশল ও ইমেজকে চরম বিপাকে ফেলেছে।
১৮ ঘণ্টা আগে