স্ট্রিম ডেস্ক

পশ্চিম তীরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ইসরায়েলের নতুন বসতি স্থাপনের তীব্র সমালোচনা করেছে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি ও কানাডা। বিষয়টিকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ আখ্যা দিয়ে এই পরিকল্পনা অবিলম্বে প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে তারা।
পূর্ব জেরুজালেমের উত্তর-পূর্ব দিকে নিজেদের অধিকৃত ই১ করিডোরে সম্প্রতি ১ হাজার ২৩৪টি বাড়ি নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করছে ইসরায়েল। এর সমালোচনা করে একটি যৌথ বিবৃতি দিয়েছে পশ্চিমা দেশগুলো। এতে বলা হয়েছে, ‘পশ্চিম তীরের পরিস্থিতি আগে থেকেই অস্থিতিশীল। সেখানে স্থানীয় নাগরিকদের প্রতি বসতি স্থাপনকারীরা এতটাই সহিংস, যা নজিরবিহীন। ফিলিস্তিনি অর্থনীতিও গুরুতরভাবে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে নতুন বাড়ি নির্মাণের এই সিদ্ধান্ত পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।’
দেশগুলোর মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ শান্তির সম্ভাবনা আরও ক্ষীণ করে দেবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েলের অবস্থানকে দুর্বল করবে। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতিগুলো অবৈধ বলে বিবেচিত হয়।
ই১ এলাকাটি পূর্ব জেরুজালেম ও ইসরায়েলি বসতি মালে আদুমিমের মাঝে প্রায় ১২ বর্গকিলোমিটার জুড়ে বিস্তৃত। ইসরায়েলি সরকার ২০২৫ সালের আগস্টে সেখানে মোট ৩ হাজার ৪০১টি বাড়ি নির্মাণের অনুমোদন দেয়। এর মধ্যে ১ হাজার ২৩৪টি বাড়ির জন্য বুধবার (১৯ আগস্ট) দরপত্র আহ্বান করেছে দেশটির আবাসন মন্ত্রণালয়।
ই১ করিডোরে ইসরায়েলের বসতি স্থাপনের এই পরিকল্পনা অনেকদিনের। তবে আন্তর্জাতিক আইন ও বৈশ্বিক চাপের কারণে এতদিন তারা পদক্ষেপ নেয়নি। এবার সবকিছু উপেক্ষা করেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অগ্রসর হচ্ছে তারা।
ফিলিস্তিনের পাশাপাশি খোদ ইসরায়েলের কয়েকটি মিত্র দেশও এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করেছে। তাদের আশঙ্কা, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে পশ্চিম তীর কার্যত দুই অংশে বিভক্ত হয়ে যাবে এবং পূর্ব জেরুজালেম বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। এতে ভবিষ্যতে দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনা আরও ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
পরিকল্পনাটির বিরুদ্ধে স্থানীয় বেদুইন ফিলিস্তিনি এবং ইসরায়েলি শান্তিকামী গোষ্ঠীগুলো আদালতে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে। তবে সব আপত্তি উপেক্ষা করে দরপত্রের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হয়েছে। দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৯ অক্টোবর। এর মাত্র কয়েক দিন পর ২৭ অক্টোবর ইসরায়েলে সাধারণ নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। ফলে নির্বাচনের আগে দরপত্র কার্যকর হলে পরবর্তী সরকারের পক্ষে তা বাতিল করা কঠিন হতে পারে।
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস পৃথক বিবৃতিতে ই১ পরিকল্পনাকে ভৌগোলিকভাবে সংযুক্ত ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। বেলজিয়ামের পররাষ্ট্রমন্ত্রীও একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
এদিকে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) পরিকল্পনাটির নিন্দা জানান। ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অবশ্য তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন।
১৯৬৭ সালের মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের পর পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেম দখলে নেয় ইসরায়েল। এরপর থেকে সেখানে প্রায় ১৬০টি বসতি গড়ে উঠেছে, যেখানে প্রায় সাত লাখ ইসরায়েলি ইহুদি বসবাস করেন। পশ্চিম তীরে বসবাসকারী ফিলিস্তিনির সংখ্যা বর্তমানে প্রায় ৩৩ লাখ।

পশ্চিম তীরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ইসরায়েলের নতুন বসতি স্থাপনের তীব্র সমালোচনা করেছে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি ও কানাডা। বিষয়টিকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ আখ্যা দিয়ে এই পরিকল্পনা অবিলম্বে প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে তারা।
পূর্ব জেরুজালেমের উত্তর-পূর্ব দিকে নিজেদের অধিকৃত ই১ করিডোরে সম্প্রতি ১ হাজার ২৩৪টি বাড়ি নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করছে ইসরায়েল। এর সমালোচনা করে একটি যৌথ বিবৃতি দিয়েছে পশ্চিমা দেশগুলো। এতে বলা হয়েছে, ‘পশ্চিম তীরের পরিস্থিতি আগে থেকেই অস্থিতিশীল। সেখানে স্থানীয় নাগরিকদের প্রতি বসতি স্থাপনকারীরা এতটাই সহিংস, যা নজিরবিহীন। ফিলিস্তিনি অর্থনীতিও গুরুতরভাবে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে নতুন বাড়ি নির্মাণের এই সিদ্ধান্ত পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।’
দেশগুলোর মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ শান্তির সম্ভাবনা আরও ক্ষীণ করে দেবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েলের অবস্থানকে দুর্বল করবে। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতিগুলো অবৈধ বলে বিবেচিত হয়।
ই১ এলাকাটি পূর্ব জেরুজালেম ও ইসরায়েলি বসতি মালে আদুমিমের মাঝে প্রায় ১২ বর্গকিলোমিটার জুড়ে বিস্তৃত। ইসরায়েলি সরকার ২০২৫ সালের আগস্টে সেখানে মোট ৩ হাজার ৪০১টি বাড়ি নির্মাণের অনুমোদন দেয়। এর মধ্যে ১ হাজার ২৩৪টি বাড়ির জন্য বুধবার (১৯ আগস্ট) দরপত্র আহ্বান করেছে দেশটির আবাসন মন্ত্রণালয়।
ই১ করিডোরে ইসরায়েলের বসতি স্থাপনের এই পরিকল্পনা অনেকদিনের। তবে আন্তর্জাতিক আইন ও বৈশ্বিক চাপের কারণে এতদিন তারা পদক্ষেপ নেয়নি। এবার সবকিছু উপেক্ষা করেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অগ্রসর হচ্ছে তারা।
ফিলিস্তিনের পাশাপাশি খোদ ইসরায়েলের কয়েকটি মিত্র দেশও এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করেছে। তাদের আশঙ্কা, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে পশ্চিম তীর কার্যত দুই অংশে বিভক্ত হয়ে যাবে এবং পূর্ব জেরুজালেম বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। এতে ভবিষ্যতে দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনা আরও ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
পরিকল্পনাটির বিরুদ্ধে স্থানীয় বেদুইন ফিলিস্তিনি এবং ইসরায়েলি শান্তিকামী গোষ্ঠীগুলো আদালতে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে। তবে সব আপত্তি উপেক্ষা করে দরপত্রের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হয়েছে। দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৯ অক্টোবর। এর মাত্র কয়েক দিন পর ২৭ অক্টোবর ইসরায়েলে সাধারণ নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। ফলে নির্বাচনের আগে দরপত্র কার্যকর হলে পরবর্তী সরকারের পক্ষে তা বাতিল করা কঠিন হতে পারে।
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস পৃথক বিবৃতিতে ই১ পরিকল্পনাকে ভৌগোলিকভাবে সংযুক্ত ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। বেলজিয়ামের পররাষ্ট্রমন্ত্রীও একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
এদিকে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) পরিকল্পনাটির নিন্দা জানান। ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অবশ্য তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন।
১৯৬৭ সালের মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের পর পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেম দখলে নেয় ইসরায়েল। এরপর থেকে সেখানে প্রায় ১৬০টি বসতি গড়ে উঠেছে, যেখানে প্রায় সাত লাখ ইসরায়েলি ইহুদি বসবাস করেন। পশ্চিম তীরে বসবাসকারী ফিলিস্তিনির সংখ্যা বর্তমানে প্রায় ৩৩ লাখ।
.png)

উদ্বোধনের ছয় বছর পরও সম্পূর্ণ অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে শ্রীমঙ্গলের বিসিক শিল্পনগরী। প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে গড়ে তোলা এই শিল্পাঞ্চলে গড়ে ওঠেনি একটি কারখানাও।
২৪ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন বুধবার মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে। দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যের সমুদ্রে থাকা ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের বদলে জর্জ ওয়াশিংটনকে সেখানে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) মার্কিন সামরিক বাহিনী আজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। খবর সিএনএনের।
১৪ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পিটিআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানকে ইসলামাবাদের শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। ওই আদেশ পুনর্বিবেচনার জন্য সরকারের করা আবেদন ফেরত দিয়েছেন আদালত। আবেদনের কাগজপত্র অসম্পূর্ণ থাকায় এটি ফেরত দেওয়া হয়েছে।
