স্ট্রিম প্রতিবেদক

ঢাকা থেকে চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৭টি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে ট্রেনটি বগুড়ার সান্তাহার জংশনের নিকটবর্তী ছাতিয়ান গ্রামে লাইনচ্যুত হয়।
ট্রেনটির ছাদে অনেকে ছিলেন। তারা নিচে পড়ে আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা জানান, আহতদের সংখ্যা শতাধিক। তাদের মধ্যে মধ্যে অন্তত ৫ জনকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।
এদিকে দুর্ঘটনার পর সারা দেশের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেলযোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। স্টেশনগুলোতে আটকা পড়েছে বিভিন্ন গন্তব্যের ট্রেন। এর মধ্যে খুলনা থেকে আসা রূপসা এক্সপ্রেস সান্তাহারে, পঞ্চগড় থেকে ছেড়ে আসা বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস জয়পুরহাট স্টেশনে, রাজশাহী থেকে আসা বরেন্দ্র এক্সপ্রেস সান্তাহার জংশনে অবস্থান করছে। এ ছাড়া ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা একতা এক্সপ্রেস সান্তাহারে আটকে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
দুর্ঘটনার বিষয়ে রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম স্ট্রিমকে বলেন, সাতটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। উদ্ধারকারী দল গেছে। দ্রুত ট্রেনটি লাইনে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে শিডিউলে একটু বিপর্যয় হওয়ার আশঙ্কা আছে।
দুর্ঘটনার জন্য ট্রেনের চালককে দায়ী করে মন্ত্রী বলেন, ‘ড্রাইভারের দোষ মনে করছি আমরা। তাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। ওখানে লাইনের কাজ চলছিল, ফ্ল্যাগ-লাল পতাকা ছিল। একেবারে কম গতিতে পার হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সে পারেনি। আমরা মনে করছি ড্রাইভারের ত্রুটি।’
রেলযোগাযোগ স্বাভাবিক করার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি। এখন ধরেন সাতটা বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। উদ্ধার টিম গিয়ে দ্রুত লাইনে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। ট্রেন চলাচলে খুব একটা প্রভাব পড়বে না, তারপর তো এক্সিডেন্ট। আমরা চেষ্টা করছি।’
সান্তাহার রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার খাদিজা বেগম জানান, ট্রেনটির আটটি চাকা ভেঙে গেছে। ফলে দ্রুত উদ্ধার কাজ সম্পন্ন করা কঠিন হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে একদিনও লাগতে পারে। দুর্ঘটনার পর ট্রেনচালক পালিয়েছেন।

ঢাকা থেকে চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৭টি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে ট্রেনটি বগুড়ার সান্তাহার জংশনের নিকটবর্তী ছাতিয়ান গ্রামে লাইনচ্যুত হয়।
ট্রেনটির ছাদে অনেকে ছিলেন। তারা নিচে পড়ে আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা জানান, আহতদের সংখ্যা শতাধিক। তাদের মধ্যে মধ্যে অন্তত ৫ জনকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।
এদিকে দুর্ঘটনার পর সারা দেশের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেলযোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। স্টেশনগুলোতে আটকা পড়েছে বিভিন্ন গন্তব্যের ট্রেন। এর মধ্যে খুলনা থেকে আসা রূপসা এক্সপ্রেস সান্তাহারে, পঞ্চগড় থেকে ছেড়ে আসা বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস জয়পুরহাট স্টেশনে, রাজশাহী থেকে আসা বরেন্দ্র এক্সপ্রেস সান্তাহার জংশনে অবস্থান করছে। এ ছাড়া ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা একতা এক্সপ্রেস সান্তাহারে আটকে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
দুর্ঘটনার বিষয়ে রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম স্ট্রিমকে বলেন, সাতটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। উদ্ধারকারী দল গেছে। দ্রুত ট্রেনটি লাইনে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে শিডিউলে একটু বিপর্যয় হওয়ার আশঙ্কা আছে।
দুর্ঘটনার জন্য ট্রেনের চালককে দায়ী করে মন্ত্রী বলেন, ‘ড্রাইভারের দোষ মনে করছি আমরা। তাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। ওখানে লাইনের কাজ চলছিল, ফ্ল্যাগ-লাল পতাকা ছিল। একেবারে কম গতিতে পার হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সে পারেনি। আমরা মনে করছি ড্রাইভারের ত্রুটি।’
রেলযোগাযোগ স্বাভাবিক করার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি। এখন ধরেন সাতটা বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। উদ্ধার টিম গিয়ে দ্রুত লাইনে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। ট্রেন চলাচলে খুব একটা প্রভাব পড়বে না, তারপর তো এক্সিডেন্ট। আমরা চেষ্টা করছি।’
সান্তাহার রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার খাদিজা বেগম জানান, ট্রেনটির আটটি চাকা ভেঙে গেছে। ফলে দ্রুত উদ্ধার কাজ সম্পন্ন করা কঠিন হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে একদিনও লাগতে পারে। দুর্ঘটনার পর ট্রেনচালক পালিয়েছেন।

ঈদের ছুটির দ্বিতীয় দিনে দুপুরের দিকে কমলাপুর রেলস্টেশনে যাত্রীর চাপ বেড়েছে। স্টেশনে তুলনামূলক নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ ও দৃশ্যমান নিরাপত্তা থাকলেও সিট-সংকটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এদিকে চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৭টি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। উত্তরবঙ্গের রেলযোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।
২ মিনিট আগে
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক হল থেকে এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে হলের নিজ কক্ষে অরূপ রতন কনিস্ক নামে ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ পাওয়া যায়। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ৫০তম আবর্তনের শিক্ষার্থী ছিলেন।
৩ মিনিট আগে
পুলিশ মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) বাসভবনে চুরির সংবাদটি সঠিক নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। গত ১৭ মার্চ বিভিন্ন অনলাইন ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত চুরির খবরটিকে ‘ভ্রান্ত ও বিভ্রান্তিকর’ বলে অভিহিত করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ঈদুল ফিতর ঘিরে সপ্তাহব্যাপী টানা ছুটিতে হ্রদ-পাহাড়মুখী হচ্ছেন পর্যটক ও ভ্রমণপিপাসুরা। এতে বসন্তের মাঝামাঝি সময়ে পর্যটকদের পদচারণ মুখর হতে যাচ্ছে পাহাড়। গত বছরের চেয়ে এবার ঈদে রাঙামাটিতে পর্যটকদের সমাগম বাড়বে মনে করছেন পর্যটন কারবার সংশ্লিষ্টরা।
৩ ঘণ্টা আগে