ছাত্রীকে যৌন হয়রানি, ‘বড় হুজুরকে’ পিটিয়ে পুলিশে দিলেন স্থানীয়রা

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
চুয়াডাঙ্গা

প্রকাশ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭: ০৩
খবর পেয়ে পুলিশ মাদ্রাসাশিক্ষক আবুল কালাম আজাদকে হেফাজতে নেয়। ছবি: সংগৃহীত
খবর পেয়ে পুলিশ মাদ্রাসাশিক্ষক আবুল কালাম আজাদকে হেফাজতে নেয়। ছবি: সংগৃহীত

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় ছাত্রীকে (১৩) যৌন হয়রানির অভিযোগে মারধরের পরে মাদ্রাসাশিক্ষক আবুল কালাম আজাদকে পুলিশে দিয়েছেন স্থানীয়রা। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) উপজেলার জামজামি ইউনিয়নের বেগুয়ারখালি চরপাড়া গ্রামের চরপাড়া জামিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসায় এই ঘটনা ঘটে।

‘বড় হুজুর’ বলে পরিচিত আবুল কালাম আজাদ দামুড়হুদার উজিরপুর গ্রামের বাসিন্দা। প্রায় ১০ বছর স্ত্রীসহ তিনি এই মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করছেন। বসবাস করছেন মাদ্রাসা-সংলগ্ন এলাকায়। আবুল কালামের বাবা জানিয়েছেন, তাঁর ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে। এই ধরনের কাজ আবুল কালাম করতে পারেন না। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

যৌন হয়রানির খবর পেয়ে স্থানীয়রা মাদ্রাসায় গিয়ে শিক্ষক আবুল কালাম আজাদকে মারধর করে। ছবি: সংগৃহীত
যৌন হয়রানির খবর পেয়ে স্থানীয়রা মাদ্রাসায় গিয়ে শিক্ষক আবুল কালাম আজাদকে মারধর করে। ছবি: সংগৃহীত

এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে আলমডাঙ্গা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেন ভুক্তভোগীর বাবা। তিনি বলেছেন, আমার মেয়েকে বিভিন্ন সময় শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ কুপ্রস্তাব দিতেন। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে মাদ্রাসায় মেয়ের সঙ্গে তিনি অভব্য আচরণ করেন। জানার পর আমরা ওই মাদ্রাসায় গিয়ে আবুল কালামের কাছে ঘটনার বিষয়ে জানতে চাই। এ নিয়ে তর্ক-বিতর্কের একপর্যায়ে স্থানীয়রা তাঁকে মারধর করে পুলিশে খবর দেন।

আলমডাঙ্গা থানার ওসি বানী ইসরাইল স্ট্রিমকে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিক্ষক আবুল কালাম আজাদকে হেফাজতে নেয়। ভুক্তভোগীর পরিবারের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনা তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত