জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

ভোজ্যতেলের মজুদ পর্যাপ্ত, আতঙ্কিত হয়ে কেনাকাটা না করার আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। ছবি: সংগৃহীত

ভোজ্যতেলের দাম বাড়বে না এবং বাজারে এ পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত কেনাকাটা করলে সাময়িকভাবে কিছু জায়গায় সরবরাহের চাপ তৈরি হতে পারে, যা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলতে পারে।

সোমবার (৯ মার্চ) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আমদানিকারক ও রিফাইনারি মালিকদের সঙ্গে ভোজ্যতেলের সার্বিক সরবরাহ পর্যালোচনা বিষয়ক সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, গত কয়েক দিনে বিভিন্ন গণমাধ্যমে কোথাও কোথাও ভোজ্যতেলের সংকট বা লিটারে দুই টাকা বেশি দামে বিক্রির খবর প্রকাশ হয়েছে। তাই পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে এই বৈঠক করা হয়। আমদানিকারক ও রিফাইনারি মালিকদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী বাজারে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। তিনি বলেন, “বৈঠকে আমরা জানতে পেরেছি বাজারে ভোজ্যতেলের সরবরাহ স্বাভাবিক আছে। কোথাও কোথাও ভোক্তাদের আতঙ্কিত হয়ে বেশি কেনার প্রবণতার কারণে সাময়িকভাবে কিছু দোকানে মজুদ শেষ হয়ে যেতে পারে।”

এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী নিজের একটি অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বলেন, রাজধানীর একটি বাজারে গিয়ে দেখেছি রাস্তার পাশের বড় দোকানগুলোতে ভোজ্যতেল পর্যাপ্ত রয়েছে এবং বোতলের গায়ে নির্ধারিত দামই লেখা আছে। তবে বাজারের ভেতরের একটি দোকানে সীমিত তেল মজুদ রেখে প্রতি লিটারে দুই থেকে তিন টাকা বেশি দামে বিক্রির চেষ্টা করা হচ্ছিল।

ভোক্তাদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, আতঙ্কিত হয়ে তেল বেশি কেনার কোনো প্রয়োজন নেই। বাজারে যেহেতু পণ্য আছে, তাই অযথা প্রতিযোগিতা করলে অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিতে পারে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের মতো ভোজ্যতেলের ক্ষেত্রেও কোনো সংকট নেই। জ্বালানি তেল, গ্যাস বা ভোজ্যতেল—কোনোটিতেই বর্তমানে সংকট নেই। এসব পণ্যের সঙ্গে ‘সংকট’ শব্দটি যুক্ত করে অযথা বিভ্রান্তি তৈরি না করার আহ্বান জানান তিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে তদারকি কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। একই সঙ্গে গুজব ও আতঙ্ক ছড়ানো থেকে বিরত থাকার জন্যও সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, বাজারে অনিয়ম হলে সরকার ব্যবস্থা নেবে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বাজার তদারকি করছে এবং জেলা প্রশাসনও নিয়মিত অভিযান চালাবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সম্পর্কিত