রোহিঙ্গাদের স্থায়ী পুনর্বাসন নয়, মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনই লক্ষ্য সরকারের
স্ট্রিম প্রতিবেদক

রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে সরকার সমন্বিত জাতীয় কৌশল গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ। তারা জানান, বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের স্থায়ী পুনর্বাসন চায় না, বরং নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনই প্রধান লক্ষ্য।
আজ রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিআইআইএসএস মিলনায়তনে ‘ইনস্টিটিউট ফর গ্লোবাল কো-অপারেশন ফাউন্ডেশন’ (আইজিসিএফ)-এর উদ্যোগে আয়োজিত "দ্য রোহিঙ্গা ক্রাইসিস: এমার্জিং চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড রিফ্রেমিং রেসপন্স স্ট্র্যাটেজিস" শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে অতীতের সফল অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সরকার কাজ করছে। ১৯৭৮ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং ১৯৯২ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সফলভাবে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সংকট সমাধানে সরকার কাজ করছে।
শামা ওবায়েদ জানান, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ‘রোহিঙ্গা বিষয়ক জাতীয় কৌশল প্রণয়ন কমিটি’ গঠন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, সংস্থা ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বয়ে এই কমিটি টেকসই প্রত্যাবাসন কৌশল তৈরি করছে। রাখাইনে নাগরিকত্ব, নিরাপত্তা ও স্বাধীন চলাচলের পরিবেশ নিশ্চিত না হলে প্রত্যাবাসন টেকসই হবে না। আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে রোহিঙ্গা সংকটবিষয়ক বিশেষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী অংশ নেবেন।
প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, রোহিঙ্গা সংকট দীর্ঘায়িত হওয়া বাংলাদেশের নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগের। বাংলাদেশ মানবিক বিবেচনায় আশ্রয় দিলেও জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষায় আপসহীন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও মিয়ানমারকে এই সংকটের দায়িত্ব নিতে হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে নীতিগত বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। গোলটেবিল আলোচনায় দেশি-বিজ্ঞ নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, কূটনীতিক ও জাতিসংঘের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
.png)






