স্ট্রিম সংবাদদাতা

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার ও পুনর্বহালের দাবিতে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা।
সোমবার (১ জুন) সকালে শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেন। সন্ধ্যায় তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক গেজেট প্রকাশ করা হয়। তবে এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই রাঙামাটি জেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ, ক্ষোভ ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
বিকেলে দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগপত্র প্রত্যাহারের দাবিতে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম প্রধান সড়ক অবরোধ করেন বিএনপি, মহিলা দল, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
এসময় তারা ‘পার্বত্য মন্ত্রীর পদত্যাগ মানব না’ এবং ‘প্রতিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চলবে না’ সহ নানা স্লোগান দেন। জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভুট্টো ও সাইফুল ইসলাম পনির বিক্ষোভকারীদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।

বিক্ষোভে জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর সুমন অভিযোগ করেন, ‘দীপেন দেওয়ান সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ এবং সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছিলেন। কিন্তু একটি কুচক্রী মহলের নোংরা অপরাজনীতির শিকার হয়েছেন তিনি। ওই ষড়যন্ত্রকারীরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভুল বুঝিয়ে তাঁকে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করেছে।’
আলী আকবর সুমন আরও বলেন, দীপেন দেওয়ানের মতো নেতাকে যদি এই পার্বত্য অঞ্চল থেকে বাদ দেওয়া হয়, তবে আগামীতে এ অঞ্চলে বিএনপির ঘাঁটি ভেঙে দেওয়ার ষড়যন্ত্র সফল হবে। তিনি অবিলম্বে এই পদত্যাগপত্র পুনর্বিবেচনা করে দীপেন দেওয়ানকে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী হিসেবে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নিকট আহ্বান জানান।
সন্ধ্যা ৬টার দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ তুলে নিলে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। সমাবেশে জেলা মহিলা দলের সভাপতি নূর জাহান পারুলসহ স্থানীয় অন্যান্য জ্যেষ্ঠ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার ও পুনর্বহালের দাবিতে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা।
সোমবার (১ জুন) সকালে শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেন। সন্ধ্যায় তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক গেজেট প্রকাশ করা হয়। তবে এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই রাঙামাটি জেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ, ক্ষোভ ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
বিকেলে দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগপত্র প্রত্যাহারের দাবিতে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম প্রধান সড়ক অবরোধ করেন বিএনপি, মহিলা দল, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
এসময় তারা ‘পার্বত্য মন্ত্রীর পদত্যাগ মানব না’ এবং ‘প্রতিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চলবে না’ সহ নানা স্লোগান দেন। জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভুট্টো ও সাইফুল ইসলাম পনির বিক্ষোভকারীদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।

বিক্ষোভে জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর সুমন অভিযোগ করেন, ‘দীপেন দেওয়ান সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ এবং সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছিলেন। কিন্তু একটি কুচক্রী মহলের নোংরা অপরাজনীতির শিকার হয়েছেন তিনি। ওই ষড়যন্ত্রকারীরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভুল বুঝিয়ে তাঁকে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করেছে।’
আলী আকবর সুমন আরও বলেন, দীপেন দেওয়ানের মতো নেতাকে যদি এই পার্বত্য অঞ্চল থেকে বাদ দেওয়া হয়, তবে আগামীতে এ অঞ্চলে বিএনপির ঘাঁটি ভেঙে দেওয়ার ষড়যন্ত্র সফল হবে। তিনি অবিলম্বে এই পদত্যাগপত্র পুনর্বিবেচনা করে দীপেন দেওয়ানকে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী হিসেবে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নিকট আহ্বান জানান।
সন্ধ্যা ৬টার দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ তুলে নিলে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। সমাবেশে জেলা মহিলা দলের সভাপতি নূর জাহান পারুলসহ স্থানীয় অন্যান্য জ্যেষ্ঠ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যবহার ছাড়াই বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী পালিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র মাহদী আমিন। সোমবার (১ জুন) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
ঢাকা স্ট্রিমের স্টুডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট ফারহান লাবিবের বাবা জয়নাল আবেদীন ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সোমবার (১ জুন) সকাল ছয়টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
২ ঘণ্টা আগে
শিশু ধর্ষণ ও বলাৎকার ঠেকাতে ব্যর্থ রাষ্ট্র কেন সিনেমা প্রদর্শনী বন্ধে মদদ দিচ্ছে—সেই প্রশ্ন তুলেছেন সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। সোমবার (১ জুন) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ সিনেমা বন্ধের প্রতিবাদে আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি সরকারের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকার সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে উপজেলা পর্যায়ে ডেঙ্গু কর্নার চালু করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনে দেশের বিভিন্ন স্থানে ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপন করা হবে।
৩ ঘণ্টা আগে