‘কব্জিকাটা’ গ্রুপের তিন সদস্য গ্রেপ্তার, থানা লুটের গুলি উদ্ধার

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩: ৩৫
আদাবরে ‘কব্জিকাটা’ গ্রুপের তিন সদস্য গ্রেপ্তার। সংগৃহীত ছবি
আদাবরে ‘কব্জিকাটা’ গ্রুপের তিন সদস্য গ্রেপ্তার। সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর আদাবরে কিশোর গ্যাং ‘কব্জিকাটা আনোয়ার গ্রুপ’ পুনর্গঠন করে নতুন করে সদস্য সংগ্রহ ও কার্যক্রম সক্রিয় করার চেষ্টার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর বসিলায় র‍্যাব-২ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পরিচালক অতিরিক্ত ডিআইজি মো. নাঈমুল হাসান।

র‍্যাব জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে থানা থেকে লুট হওয়া ২৭ রাউন্ড তাজা গুলি, একটি ওয়ান শুটারগান, দেশীয় ধারালো অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন কিশোর গ্যাংয়ের শাহীন এবং তাঁর দুই সহযোগী ফরিদ ও লিটন শিকদার।

তিনি বলেন, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ‘কব্জিকাটা আনোয়ার গ্রুপ’-এর প্রধান ও গ্রুপটির প্রতিষ্ঠাতা মো. আনোয়ারকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেছিল র‍্যাব-২। পরবর্তী সময়ে এই গ্রুপের সদস্যরা নিয়মিতভাবে র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হতে থাকলে গ্রুপটি নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। এই সুযোগে শাহীন নামের এক কিশোর গ্যাংয়ের হোতা ‘কব্জিকাটা আনোয়ার গ্রুপ’ পুনর্গঠনের নেতৃত্ব নেয়। সে নতুন করে সদস্য সংগ্রহ করে গ্রুপটি সক্রিয় করার চেষ্টা করছিল।

ভোররাতে রাজধানীর আদাবরের শেখেরটেক এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে শাহীন ও তাঁর সহযোগীদের গ্রেপ্তার করা হয়।

সম্প্রতি এক সিএনজিচালকের কাছে শাহীন চাঁদা দাবি করেছিলেন জানিয়ে র‍্যাব জানায়, চাঁদা না দেওয়ায় তাঁকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় সে। এ ছাড়া গত ১১ এপ্রিল আদাবরে এক পাঠাও ডেলিভারিম্যানের সর্বস্ব ছিনতাইয়ের সময় শাহীন নেতৃত্ব দিয়েছিল—এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

শাহিনের বিরুদ্ধে শেরেবাংলা নগর ও আদাবর থানায় দস্যুতা ও ডাকাতির প্রস্তুতিসহ চারটি মামলা রয়েছে। এ ছাড়া ফরিদের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় একটি এবং লিটন শিকদারের বিরুদ্ধে আদাবর থানায় চুরির একটি মামলা রয়েছে।

র‍্যাব-২-এর পরিচালক অতিরিক্ত ডিআইজি মো. নাঈমুল হাসান বলেন, হারানো সরকারি অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারে সম্প্রতি র‍্যাবকে লিড এজেন্সি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় র‍্যাব-২ ও অন্যান্য ব্যাটালিয়ন অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারে তৎপরতা চালাচ্ছে। আগামী ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত কেউ অস্ত্র বা গোলাবারুদ সমর্পণ করলে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, উল্টো নগদ টাকায় পুরস্কৃত করা হবে।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত