স্ট্রিম প্রতিবেদক

জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। একাত্তরে গণহত্যা, লুটপাট ও ধর্ষণের অভিযোগ ও সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড বিবেচনায় তাদের নিষিদ্ধ করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) কুষ্টিয়ায় জামায়াত-শিবির ও গণঅধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষে আহত ছাত্র অধিকার পরিষদ নেতা সোহানুর রহমান সোহানকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
নুরুল হক নুর বলেন, ‘জামায়াত-শিবির একটি জালেম সংগঠনে পরিণত হয়েছে। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হয়েছে। জামায়াত-শিবিরও নিষিদ্ধ হওয়া দরকার। উগ্রবাদী ও ধর্মীয় বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারী জামায়াত-শিবির গোষ্ঠীকে সর্বস্তরের জনগণের প্রতিরোধ ও প্রতিহত করতে হবে। জামায়াত-শিবির যত ছড়িয়ে পড়বে, সমাজ ও দেশের জন্য তত বেশি ক্ষতি বয়ে আনবে।’
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের গণহত্যার কারণে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হয়েছে। '৭১-এ এর চেয়েও ভয়াবহ গণহত্যা, লুটপাট ও গণধর্ষণ হয়েছে। সেজন্য জামায়াত-শিবিরও নিষিদ্ধ হওয়া দরকার।’
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে দখলবাজি ও চাঁদাবাজির অভিযোগও করেন তিনি। পাশাপাশি বিভিন্ন আর্থিক ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা হয়েছে বলেও দাবি করেন গণঅধিকার পরিষদের এই নেতা।
জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের বিষয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্য গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে নুরুল হক নুর বলেন, এ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে তারা আলোচনা করবেন। প্রয়োজনে রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে জামায়াত-শিবিরের মতো ‘উগ্রবাদী’ সংগঠনকে নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ নিতে হবে।
বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, দেশে উগ্রবাদের বিস্তার ঘটলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি সংকটে পড়তে পারে। যারা বাংলাদেশের অস্তিত্বে বিশ্বাস করে না, এমন রাজনৈতিক দলকে রাজনীতিতে কোনোভাবেই সুযোগ দেওয়া উচিত নয়।

জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। একাত্তরে গণহত্যা, লুটপাট ও ধর্ষণের অভিযোগ ও সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড বিবেচনায় তাদের নিষিদ্ধ করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) কুষ্টিয়ায় জামায়াত-শিবির ও গণঅধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষে আহত ছাত্র অধিকার পরিষদ নেতা সোহানুর রহমান সোহানকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
নুরুল হক নুর বলেন, ‘জামায়াত-শিবির একটি জালেম সংগঠনে পরিণত হয়েছে। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হয়েছে। জামায়াত-শিবিরও নিষিদ্ধ হওয়া দরকার। উগ্রবাদী ও ধর্মীয় বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারী জামায়াত-শিবির গোষ্ঠীকে সর্বস্তরের জনগণের প্রতিরোধ ও প্রতিহত করতে হবে। জামায়াত-শিবির যত ছড়িয়ে পড়বে, সমাজ ও দেশের জন্য তত বেশি ক্ষতি বয়ে আনবে।’
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের গণহত্যার কারণে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হয়েছে। '৭১-এ এর চেয়েও ভয়াবহ গণহত্যা, লুটপাট ও গণধর্ষণ হয়েছে। সেজন্য জামায়াত-শিবিরও নিষিদ্ধ হওয়া দরকার।’
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে দখলবাজি ও চাঁদাবাজির অভিযোগও করেন তিনি। পাশাপাশি বিভিন্ন আর্থিক ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা হয়েছে বলেও দাবি করেন গণঅধিকার পরিষদের এই নেতা।
জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের বিষয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্য গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে নুরুল হক নুর বলেন, এ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে তারা আলোচনা করবেন। প্রয়োজনে রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে জামায়াত-শিবিরের মতো ‘উগ্রবাদী’ সংগঠনকে নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ নিতে হবে।
বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, দেশে উগ্রবাদের বিস্তার ঘটলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি সংকটে পড়তে পারে। যারা বাংলাদেশের অস্তিত্বে বিশ্বাস করে না, এমন রাজনৈতিক দলকে রাজনীতিতে কোনোভাবেই সুযোগ দেওয়া উচিত নয়।
.png)

গুলশানে ঢাকা পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষের (ওয়াসা) ১১৪ কাঠা জমিতে আবাসিক ভবন নির্মাণের একটি বিতর্কিত উদ্যোগের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) এক বিবৃতিতে সংস্থাটি এই উদ্যোগকে দখলবাজি-সহায়ক হিসেবে উল্লেখ করেছে।
৩০ মিনিট আগে
বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছে ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাজ্য ও চীনের দূতাবাস। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর দুই দেশের দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পৃথক বার্তায় অভিনন্দন জানানো হয়।
৩৪ মিনিট আগে
বিরোধীদলীয় উপনেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি শপথ গ্রহণের পর কোনো নির্দিষ্ট দলের পক্ষে নয়, বরং দেশ, জনগণ ও গণতন্ত্রের পক্ষে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করবেন - এটাই জনগণ ও বিরোধী দলের প্রত্যাশা।
