টিআইবির রিপোর্ট কাটিংনির্ভর, মন্তব্য করব না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি: সংগৃহীত

সরকারের ১০০ দিনের অপরাধ চিত্র নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) প্রতিবেদন বিষয়ে কোনো মন্তব্য করবেন না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, টিআইবির রিপোর্ট মূলত পত্রিকার কাটিংয়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়। তারা নিজেরা কোনো ঘটনা তদন্ত করে না।

সোমবার (৮ জুন) সচিবালয়ে প্রশংসনীয় কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পুলিশ সদস্যদের পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রকৃত ঘটনা বিবেচনা না করে এমন প্রতিবেদন দেওয়া ঠিক নয়। তবে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রয়েছে। এসব তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠানো হয়।

একটি মামলার তদন্তে পুলিশ কর্মকর্তারা ৬ হাজার টাকা পান– এটি যথেষ্ট কিনা জানতে চাইলে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে এটি যথেষ্ট নয়। জাতীয় সামর্থ্যের ওপর ভিত্তি করে কাজ করতে হয়। ভবিষ্যতে এই বিষয়ে বরাদ্দ বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে।

তিনি বলেন, শিষ্টের পালন ও দুষ্টের দমন নীতিতে আমরা বিশ্বাস করি। আমরা সেটাই বাস্তবায়ন করেছি। পুলিশ কতটা জনবান্ধব হয়েছে, কতটা মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করছে, তার স্বীকৃতি দেওয়া দরকার। এতে তারা আরও উৎসাহিত এবং অনুপ্রাণিত হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গত বছরের তুলনায় বর্তমানে দেশে অপরাধের সংখ্যা কমেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভাবমূর্তি জনগণই বিবেচনা করবে। তবে তাদের নৈতিকভাবে উৎসাহিত করা প্রয়োজন, যাতে তারা জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী আইনের শাসন বাস্তবায়নে কাজ করতে পারে।

অনুষ্ঠানে রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পরে শিশু রামিসা হত্যায় দ্রুত ডিএনএ পরীক্ষা ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে অভিযোগপত্র দেওয়া; দৌলতদিয়া ঘাটে পেশাদারী দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে অন্তত ৫০ বাসযাত্রীর প্রাণ রক্ষা; এবং মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় কিশোরী হত্যার সূত্রহীন মামলার রহস্য উদ্ঘাটন ও আসামি গ্রেপ্তারের ঘটনায় দায়িত্ব পালন করা মোট ১৫ পুলিশ সদস্যকে ২০ হাজার টাকা পুরস্কার ও সনদ দেওয়া হয়।

সম্পর্কিত