হামের টিকার আওতায় ৮১ শতাংশ শিশু: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ০৩ মে ২০২৬, ২০: ০৫
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। ছবি : সংগৃহীত

লক্ষ্যমাত্রার ৮১ শতাংশ শিশু হামের টিকার আওতায় এসেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে বর্তমানে কোনো ঘাটতি বা দুর্বলতা নেই।

আজ রোববার (৩ মে) বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশন শেষে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

টিকার যথেষ্ট মজুত রয়েছে দাবি করে মন্ত্রী বলেন, হামের টিকাদান কর্মসূচি চলছে। টিকা না পাওয়া শিশুর সংখ্যা কমে আসছে। পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে এবং মৃত্যুর হারও কমছে। তবে শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হতে কিছুটা সময় লাগে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সব শিশুকে টিকার আওতায় আনা হবে এবং বর্তমানেও অভিযান চলছে। হামের টিকার ক্ষেত্রে আগামী দুই-চার দিনের মধ্যে শতভাগ লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হবে। টিকার কোনো মজুত সংকট বা অন্য কোনো দুর্বলতা নেই।

হামের টিকার বিষয়ে নির্দেশনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, প্রায় ৮১ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা হয়েছে। টিকাদান এবং প্রতিটি ক্যাম্পের কার্যক্রমে জেলা প্রশাসকদের নজরদারির মাধ্যমে সহযোগিতা করতে বলা হয়েছে। ডিসি সম্মেলনে জেলা প্রশাসকদের কী নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে—এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তাঁদের কাছে আমরা সহযোগিতা চেয়েছি। যেমন—ডেঙ্গু মৌসুম আসছে, এ জন্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ওপর জোর দিতে বলেছি। এ ছাড়া মায়েরা যাতে শিশুদের স্তন্যদান (ব্রেস্টফিডিং) বৃদ্ধি করেন এবং শিশুদের শাকসবজি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলার বিষয়েও কাউন্সেলিং করতে বলেছি।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, অ্যান্টি-র‍্যাবিস ভ্যাকসিন এখনো দরপত্র অনুযায়ী পুরোপুরি পাওয়া যায়নি। তবে কোনোভাবেই যেন অ্যান্টি-র‍্যাবিস ভ্যাকসিন এবং অ্যান্টি-স্নেক ভেনমের ঘাটতি না হয়, সে বিষয়ে বিশেষ নজর রাখতে বলা হয়েছে। সব সময় মজুতের দিকে খেয়াল রাখা এবং যাতে একজন জলাতঙ্ক রোগীও চিকিৎসা না পেয়ে ফেরত না যায়, সে বিষয়েও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী আরও জানান, যেসব ক্লিনিক অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠেছে বা নিয়ম না মেনে পরিচালিত হচ্ছে, সেগুলোতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে পরিদর্শন জোরদার করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া ডিসপেনসারিতে ভেজাল ওষুধ বিক্রি হচ্ছে কি না, সেটিও গুরুত্বের সাথে নজরদারিতে রাখতে হবে। সার্বিকভাবে স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসকদের সহযোগিতা কামনা করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত