স্ট্রিম প্রতিবেদক

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিগত ১৬ বছরের অভিজ্ঞতা আমাদের শিখিয়েছে যে গণমাধ্যমের ব্যর্থতা কীভাবে রাষ্ট্রে ফ্যাসিবাদের বিকাশের পথ প্রশস্ত করে। গুটিকয়েক সংবাদকর্মীর নির্লজ্জ তোষামোদি ও আপসের জন্য জাতিকে চরম মূল্য দিতে হয়েছে।
বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে আজ রোববার (৩ মে) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন। পোস্টে তিনি দেশে-বিদেশে কর্মরত নির্ভীক ও স্বাধীনচেতা সংবাদকর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানান।
নাহিদ ইসলাম ইউনেস্কোর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে লেখেন, ২০২২-২৫ কালপর্বে বিশ্বব্যাপী মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পেয়েছে। এই পরিস্থিতি বিগত শতাব্দীর বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ের সঙ্গে তুলনীয়। বিশেষ করে ২০২৫ সালকে সাংবাদিকদের জন্য ইতিহাসের অন্যতম রক্তক্ষয়ী বছর হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। ইউক্রেন, ফিলিস্তিন, লেবানন এবং সুদানসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে সাংবাদিকদের ওপর উদ্দেশ্যমূলক হামলার তীব্র নিন্দা জানান তিনি। নাহিদ ইসলাম বলেন, দায়ী ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনা একটি কার্যকর গণতান্ত্রিক বিশ্বব্যবস্থা টিকিয়ে রাখার জন্য অপরিহার্য।
একটি ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র ও টেকসই গণতন্ত্র বিনির্মাণে স্বাধীন গণমাধ্যমকে অপরিহার্য পূর্বশর্ত হিসেবে অভিহিত করেন নাহিদ ইসলাম। তিনি লেখেন, আমরা এমন এক নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি, যেখানে গণমাধ্যম কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী, রাজনৈতিক দল বা করপোরেট স্বার্থের দাসত্ব করবে না। আমাদের লড়াই এমন একটি রাষ্ট্রকাঠামো গড়ার, যেখানে সাংবাদিকতা হবে ভয়হীন এবং তথ্যের প্রবাহ হবে অবারিত। গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভের প্রকৃত প্রতিচ্ছবি হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি লেখেন, তথ্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে গুজব ও অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সংবাদকর্মীরাই হবেন সম্মুখসারির যোদ্ধা।
বাংলাদেশে সাংবাদিকদের বিদ্যমান সমস্যার কথা উল্লেখ করে তিনি লেখেন, দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে গণমাধ্যমকর্মীদের সম্মানজনক মজুরি, পেশাগত সুরক্ষা এবং অবসরকালীন সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ আজও সফল হতে পারেনি। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক অঙ্গীকার। ফেসবুক পোস্টের শেষে নাহিদ ইসলাম প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যে সংবাদকর্মীরা শোষিত, বঞ্চিত ও সাধারণ মানুষের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর হয়ে উঠবেন এবং এর মাধ্যমেই গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র সুসংহত হবে।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিগত ১৬ বছরের অভিজ্ঞতা আমাদের শিখিয়েছে যে গণমাধ্যমের ব্যর্থতা কীভাবে রাষ্ট্রে ফ্যাসিবাদের বিকাশের পথ প্রশস্ত করে। গুটিকয়েক সংবাদকর্মীর নির্লজ্জ তোষামোদি ও আপসের জন্য জাতিকে চরম মূল্য দিতে হয়েছে।
বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে আজ রোববার (৩ মে) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন। পোস্টে তিনি দেশে-বিদেশে কর্মরত নির্ভীক ও স্বাধীনচেতা সংবাদকর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানান।
নাহিদ ইসলাম ইউনেস্কোর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে লেখেন, ২০২২-২৫ কালপর্বে বিশ্বব্যাপী মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পেয়েছে। এই পরিস্থিতি বিগত শতাব্দীর বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ের সঙ্গে তুলনীয়। বিশেষ করে ২০২৫ সালকে সাংবাদিকদের জন্য ইতিহাসের অন্যতম রক্তক্ষয়ী বছর হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। ইউক্রেন, ফিলিস্তিন, লেবানন এবং সুদানসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে সাংবাদিকদের ওপর উদ্দেশ্যমূলক হামলার তীব্র নিন্দা জানান তিনি। নাহিদ ইসলাম বলেন, দায়ী ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনা একটি কার্যকর গণতান্ত্রিক বিশ্বব্যবস্থা টিকিয়ে রাখার জন্য অপরিহার্য।
একটি ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র ও টেকসই গণতন্ত্র বিনির্মাণে স্বাধীন গণমাধ্যমকে অপরিহার্য পূর্বশর্ত হিসেবে অভিহিত করেন নাহিদ ইসলাম। তিনি লেখেন, আমরা এমন এক নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি, যেখানে গণমাধ্যম কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী, রাজনৈতিক দল বা করপোরেট স্বার্থের দাসত্ব করবে না। আমাদের লড়াই এমন একটি রাষ্ট্রকাঠামো গড়ার, যেখানে সাংবাদিকতা হবে ভয়হীন এবং তথ্যের প্রবাহ হবে অবারিত। গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভের প্রকৃত প্রতিচ্ছবি হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি লেখেন, তথ্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে গুজব ও অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সংবাদকর্মীরাই হবেন সম্মুখসারির যোদ্ধা।
বাংলাদেশে সাংবাদিকদের বিদ্যমান সমস্যার কথা উল্লেখ করে তিনি লেখেন, দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে গণমাধ্যমকর্মীদের সম্মানজনক মজুরি, পেশাগত সুরক্ষা এবং অবসরকালীন সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ আজও সফল হতে পারেনি। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক অঙ্গীকার। ফেসবুক পোস্টের শেষে নাহিদ ইসলাম প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যে সংবাদকর্মীরা শোষিত, বঞ্চিত ও সাধারণ মানুষের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর হয়ে উঠবেন এবং এর মাধ্যমেই গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র সুসংহত হবে।

দুই বছর পরে গণঅভ্যুত্থানের নেতাদের পর্যালোচনা, এক দফা ঘিরে যে স্বপ্ন বুনেছিলেন তারা, তার মধ্যে শুধু শেখ হাসিনার কর্তৃত্ববাদী শাসনের অবসান হয়েছে। তবে দেড় যুগের বেশি জেঁকে বসা ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রকাঠামো ও ব্যবস্থাপনার পরিবর্তন অধরাই রয়ে গেছে।
২৬ মিনিট আগে
বাহাত্তরের সংবিধান বাতিল ছাড়া ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা বিলোপ সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন কবি, চিন্তক ও রাজনৈতিক ভাষ্যকার ফরহাদ মজহার। তিনি বলেন, যতদিন বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামায়াতে ইসলামী থাকবে, ততদিন আওয়ামী লীগও থাকবে।
২০ ঘণ্টা আগে
বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ডে আগের ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রতিচ্ছবি দেখা যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, 'আগের ফ্যাসিস্ট যা করেছে, এই সরকারও তাই করছে।'
২১ ঘণ্টা আগে
বর্তমান সরকারের মন্ত্রিসভায় পার্বত্য অঞ্চলের কোনো প্রতিনিধিত্ব নেই বলে দাবি করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাহাড়ের প্রতিনিধি না থাকা নজিরবিহীন এবং সরকারের জবাবদিহির অভাবের প্রতিফলন।
২১ ঘণ্টা আগে