স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করার অভিযোগ তুলেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির দাবি, জুলাই সনদ অনুযায়ী একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের সুযোগ থাকলেও বিএনপি পুরো প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ ও ইঞ্জিনিয়ারিং করেছে। পাশাপাশি সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের অপব্যাখ্যা করে নির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে ভোট দিতে দলীয় সংসদ সদস্যদের বাধ্য করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে স্ট্রিমকে এসব অভিযোগ করেন এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব ও যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার।
সারোয়ার তুষার বলেন, বিএনপি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করেছে। জুলাই সনদ অনুযায়ী একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও বিএনপি পুরো প্রক্রিয়াটিকে ‘প্রি-সেটআপ’ করে ফেলেছে।
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের প্রয়োগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ কোনোভাবেই কার্যকর নয়। নির্বাচন মানেই ভোটার নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবেন এবং সেই ভোট গোপন থাকবে। কিন্তু বিএনপি ৭০ অনুচ্ছেদের অপব্যাখ্যা করে দলীয় সংসদ সদস্যদের নির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে ভোট দিতে বাধ্য করেছে।’
সারোয়ার তুষারের দাবি, নির্বাচনি পরিবেশ একতরফা করে দেওয়ার ফলেই ছোট দলগুলো প্রার্থী দেওয়ার আগ্রহ হারিয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত নির্বাচনটি অর্থহীন আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত হয়েছে।
আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, দেশের আইন বিশেষজ্ঞরা ইতোমধ্যে মত দিয়েছেন যে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য নয়। কিন্তু বিএনপি বেআইনিভাবে দলীয় সংসদ সদস্যদের হুমকি দিয়ে তাদের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার অধিকার কেড়ে নিয়েছে।
তিনি বলেন, সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ দেওয়া হলে এনসিপিসহ অন্যান্য দলগুলো পছন্দের যোগ্য প্রার্থী দিতে পারত। অন্তত দুজন সংসদ সদস্যের সমর্থনে একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে দেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হতে পারত। তবে, নানা ত্রুটি ও বিতর্ক থাকলেও দীর্ঘ ৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দেখা ইতিবাচক।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করার অভিযোগ তুলেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির দাবি, জুলাই সনদ অনুযায়ী একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের সুযোগ থাকলেও বিএনপি পুরো প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ ও ইঞ্জিনিয়ারিং করেছে। পাশাপাশি সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের অপব্যাখ্যা করে নির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে ভোট দিতে দলীয় সংসদ সদস্যদের বাধ্য করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে স্ট্রিমকে এসব অভিযোগ করেন এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব ও যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার।
সারোয়ার তুষার বলেন, বিএনপি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করেছে। জুলাই সনদ অনুযায়ী একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও বিএনপি পুরো প্রক্রিয়াটিকে ‘প্রি-সেটআপ’ করে ফেলেছে।
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের প্রয়োগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ কোনোভাবেই কার্যকর নয়। নির্বাচন মানেই ভোটার নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবেন এবং সেই ভোট গোপন থাকবে। কিন্তু বিএনপি ৭০ অনুচ্ছেদের অপব্যাখ্যা করে দলীয় সংসদ সদস্যদের নির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে ভোট দিতে বাধ্য করেছে।’
সারোয়ার তুষারের দাবি, নির্বাচনি পরিবেশ একতরফা করে দেওয়ার ফলেই ছোট দলগুলো প্রার্থী দেওয়ার আগ্রহ হারিয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত নির্বাচনটি অর্থহীন আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত হয়েছে।
আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, দেশের আইন বিশেষজ্ঞরা ইতোমধ্যে মত দিয়েছেন যে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য নয়। কিন্তু বিএনপি বেআইনিভাবে দলীয় সংসদ সদস্যদের হুমকি দিয়ে তাদের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার অধিকার কেড়ে নিয়েছে।
তিনি বলেন, সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ দেওয়া হলে এনসিপিসহ অন্যান্য দলগুলো পছন্দের যোগ্য প্রার্থী দিতে পারত। অন্তত দুজন সংসদ সদস্যের সমর্থনে একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে দেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হতে পারত। তবে, নানা ত্রুটি ও বিতর্ক থাকলেও দীর্ঘ ৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দেখা ইতিবাচক।
.png)

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে লাল গোলাপ দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সংসদ কক্ষে ভোট গ্রহণ ও গণনা শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী পাশে বস
৩ মিনিট আগে
রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন অন্তবর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) নিজ প্রতিষ্ঠান ইউনূস সেন্টার থেকে এক বার্তায় নতুন রাষ্ট্রপতিকে শুভেচ্ছা জানান তিনি।
১৯ মিনিট আগে
বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটার হয়েও ভোট দেননি ছয় সংসদ সদস্য। তাঁদের মধ্যে চারজন বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করায় ভোট দিতে পারেননি বলে জানা গেছে।
