স্ট্রিম ডেস্ক

ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর অর্থনৈতিক অভিযান’কে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন পরাজয় হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সামাজিক মাধ্যম এক্সে তিনি বলেন, ট্রাম্পের এই তথাকথিত ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ মূলত যুক্তরাষ্ট্রের নজিরবিহীন ঋণ ও ক্রমবর্ধমান অভ্যন্তরীণ সংকট থেকে জনগণের দৃষ্টি সরানোর কৌশল। আবারও পুরোনো ও ব্যর্থ নীতি ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের জন্য পরাজয় ডেকে আনবে।
আরাগচি সতর্ক করেন, যুক্তরাষ্ট্রের এ ধরনের অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ বৈশ্বিক অর্থনীতি ও দেশগুলোর সার্বভৌমত্বকে চরম হুমকির মুখে ফেলছে।
এর আগে ইরানের বিরুদ্ধে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর অর্থনৈতিক অভিযান’ শুরুর ঘোষণা দেন ট্রাম্প। ইরানকে সহায়তা বা দেশটির সঙ্গে ব্যবসা করা যেকোনো দেশকে ‘ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিণতি’ ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। ট্রাম্প লেখেন, ‘ঐতিহাসিক এসব পদক্ষেপ’ ইরানের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দেবে।
ট্রাম্পের এই হুমকির সমালোচনা করে ইরানের আইনি ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘরিবাবাদি এক্সে লেখেন, যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে বারবার নতুন ভুল করছে।
মার্কিন সরকারি ঋণ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তাঁরা (যুক্তরাষ্ট্র) দাবি করে ইরান পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে, অথচ নিজেরাই মিত্রদের কাছে সাহায্যের জন্য আকুতি জানাচ্ছে!’
ঘরিবাবাদি আরও বলেন, সামরিক যুদ্ধে ব্যর্থ হয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখন তাদের পরবর্তী সম্ভাব্য ব্যর্থতার নাম দিয়েছে ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধ’।
তথ্যসূত্র: সিএনএন

ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর অর্থনৈতিক অভিযান’কে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন পরাজয় হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সামাজিক মাধ্যম এক্সে তিনি বলেন, ট্রাম্পের এই তথাকথিত ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ মূলত যুক্তরাষ্ট্রের নজিরবিহীন ঋণ ও ক্রমবর্ধমান অভ্যন্তরীণ সংকট থেকে জনগণের দৃষ্টি সরানোর কৌশল। আবারও পুরোনো ও ব্যর্থ নীতি ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের জন্য পরাজয় ডেকে আনবে।
আরাগচি সতর্ক করেন, যুক্তরাষ্ট্রের এ ধরনের অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ বৈশ্বিক অর্থনীতি ও দেশগুলোর সার্বভৌমত্বকে চরম হুমকির মুখে ফেলছে।
এর আগে ইরানের বিরুদ্ধে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর অর্থনৈতিক অভিযান’ শুরুর ঘোষণা দেন ট্রাম্প। ইরানকে সহায়তা বা দেশটির সঙ্গে ব্যবসা করা যেকোনো দেশকে ‘ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিণতি’ ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। ট্রাম্প লেখেন, ‘ঐতিহাসিক এসব পদক্ষেপ’ ইরানের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দেবে।
ট্রাম্পের এই হুমকির সমালোচনা করে ইরানের আইনি ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘরিবাবাদি এক্সে লেখেন, যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে বারবার নতুন ভুল করছে।
মার্কিন সরকারি ঋণ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তাঁরা (যুক্তরাষ্ট্র) দাবি করে ইরান পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে, অথচ নিজেরাই মিত্রদের কাছে সাহায্যের জন্য আকুতি জানাচ্ছে!’
ঘরিবাবাদি আরও বলেন, সামরিক যুদ্ধে ব্যর্থ হয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখন তাদের পরবর্তী সম্ভাব্য ব্যর্থতার নাম দিয়েছে ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধ’।
তথ্যসূত্র: সিএনএন
.png)

বসবাসের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাওয়ার ছয় বছর পর চলতি মাসেই ব্রিটেনে ফিরছেন ডিউক ও ডাচেস অব সাসেক্স- প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেল দম্পতি। তাঁদের সঙ্গে দুই সন্তান প্রিন্স আর্চি ও প্রিন্সেস লিলিবেটও ব্রিটেনে ফিরবে। সেপ্টেম্বরে ব্রিটেনের একটি স্কুলে তাদের পড়াশোনা শুরু করার কথা।
৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ঋণের পরিমাণ ৪০ ট্রিলিয়ন বা ৪০ লাখ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে। মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ এই তথ্য জানিয়েছে। এতে রাজস্ব ও ঋণের বোঝায় ধুঁকতে থাকা দেশটিতে সংকট আরও জোরালো হওয়ার আভাস স্পষ্ট।
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানের বিরুদ্ধে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর অর্থনৈতিক অভিযান’ শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানকে সহায়তা বা দেশটির সঙ্গে ব্যবসা করা যেকোনো দেশকে ‘ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিণতি’ ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
