স্ট্রিম প্রতিবেদক

সারা দেশে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধনের প্রক্রিয়া ডিজিটাল করার নির্দেশ দিয়ে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। একটি কেন্দ্রীয়, অনুসন্ধানযোগ্য ও পরিবর্তন অযোগ্য ডিজিটাল সিস্টেম চালুর কথা বলা হয়েছে রায়ে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রায়ের অনুলিপি পাওয়ার বিষয়টি রিটকারী আইনজীবী ইশরাত হাসান নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত ১১ ডিসেম্বর বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আশিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেছিলেন।
প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, দেশে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন এখনো সনাতন পদ্ধতিনির্ভর। এর ফলে প্রতারণা, তথ্য গোপন ও অতিরিক্ত ফি আদায়ের মতো ঘটনা ঘটছে। রেকর্ড হারিয়ে যাওয়া ও বিকৃতির ঝুঁকিও থাকছে। নারীদের সার্টিফাইড কপি সংগ্রহ করতে গিয়ে গুরুতর ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এটি সংবিধানে স্বীকৃত সমতার অধিকার এবং আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার ক্ষুণ্ণ করছে। আদালত অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ১৯৭৪ সালের সংশ্লিষ্ট আইনে অনলাইনে নিবন্ধনের সুযোগ রয়েছে। জাতীয় আইসিটি নীতিতেও প্রযুক্তিনির্ভর সেবার নির্দেশনা রয়েছে। তবুও সরকার এখন পর্যন্ত কোনো কেন্দ্রীয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু করেনি।
ডিজিটাল নিবন্ধনকে পারিবারিক নিরাপত্তা ও নাগরিক মর্যাদা রক্ষার অপরিহার্য উপাদান উল্লেখ করে আদালত রুল মঞ্জুর করেন। আদালত সরকারকে তিনটি সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন। নির্দেশনায় বলা হয়, সারা দেশে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধনের জন্য অবিলম্বে একটি কেন্দ্রীয় ও আধুনিক ডিজিটাল সিস্টেম চালু করতে হবে। একই সাথে সব নাগরিক, বিশেষ করে নারীদের জন্য সহজ ও স্বল্পব্যয়ে ডিজিটাল সার্টিফাইড কপি নিশ্চিত করতে হবে। আগামী তিন মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন পরিকল্পনাসহ অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আদালতের এই রায়কে যুগান্তকারী উল্লেখ করে আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, এই সিদ্ধান্ত পারিবারিক নিরাপত্তা ও নারীর সুরক্ষায় ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। ডিজিটাল নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু হলে একাধিক বিয়ে গোপন রাখা বা তালাক প্রমাণের জটিলতা কমবে। এতে সমাজে সুবিচার প্রতিষ্ঠার পথ সুদৃঢ় হবে। আদালতে রিটকারীর পক্ষে শুনানিতে আইনজীবী তানজিলা রহমানও উপস্থিত ছিলেন।

সারা দেশে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধনের প্রক্রিয়া ডিজিটাল করার নির্দেশ দিয়ে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। একটি কেন্দ্রীয়, অনুসন্ধানযোগ্য ও পরিবর্তন অযোগ্য ডিজিটাল সিস্টেম চালুর কথা বলা হয়েছে রায়ে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রায়ের অনুলিপি পাওয়ার বিষয়টি রিটকারী আইনজীবী ইশরাত হাসান নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত ১১ ডিসেম্বর বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আশিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেছিলেন।
প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, দেশে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন এখনো সনাতন পদ্ধতিনির্ভর। এর ফলে প্রতারণা, তথ্য গোপন ও অতিরিক্ত ফি আদায়ের মতো ঘটনা ঘটছে। রেকর্ড হারিয়ে যাওয়া ও বিকৃতির ঝুঁকিও থাকছে। নারীদের সার্টিফাইড কপি সংগ্রহ করতে গিয়ে গুরুতর ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এটি সংবিধানে স্বীকৃত সমতার অধিকার এবং আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার ক্ষুণ্ণ করছে। আদালত অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ১৯৭৪ সালের সংশ্লিষ্ট আইনে অনলাইনে নিবন্ধনের সুযোগ রয়েছে। জাতীয় আইসিটি নীতিতেও প্রযুক্তিনির্ভর সেবার নির্দেশনা রয়েছে। তবুও সরকার এখন পর্যন্ত কোনো কেন্দ্রীয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু করেনি।
ডিজিটাল নিবন্ধনকে পারিবারিক নিরাপত্তা ও নাগরিক মর্যাদা রক্ষার অপরিহার্য উপাদান উল্লেখ করে আদালত রুল মঞ্জুর করেন। আদালত সরকারকে তিনটি সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন। নির্দেশনায় বলা হয়, সারা দেশে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধনের জন্য অবিলম্বে একটি কেন্দ্রীয় ও আধুনিক ডিজিটাল সিস্টেম চালু করতে হবে। একই সাথে সব নাগরিক, বিশেষ করে নারীদের জন্য সহজ ও স্বল্পব্যয়ে ডিজিটাল সার্টিফাইড কপি নিশ্চিত করতে হবে। আগামী তিন মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন পরিকল্পনাসহ অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আদালতের এই রায়কে যুগান্তকারী উল্লেখ করে আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, এই সিদ্ধান্ত পারিবারিক নিরাপত্তা ও নারীর সুরক্ষায় ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। ডিজিটাল নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু হলে একাধিক বিয়ে গোপন রাখা বা তালাক প্রমাণের জটিলতা কমবে। এতে সমাজে সুবিচার প্রতিষ্ঠার পথ সুদৃঢ় হবে। আদালতে রিটকারীর পক্ষে শুনানিতে আইনজীবী তানজিলা রহমানও উপস্থিত ছিলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিনিধি পাঠাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র। তবে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তারা এবং দেশটির একটি স্বতন্ত্র প্রতিনিধি দল ভোট পর্যবেক্ষণে যাবে।
১ ঘণ্টা আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনে বিএনপি প্রার্থীর ছেলে রুবাইয়াত ইবনে হারুন রাফিকে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে তলব করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র কোনো পক্ষ নেয় না বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণ করার অধিকার দেশের জনগণের। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের জনগণ যে সরকার নির্বাচিত করবে, যুক্তরাষ্ট্র তার সঙ্গেই কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
আগামী ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিতের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় পরীক্ষার্থীদের পক্ষে এই আবেদন করা হয়।
৩ ঘণ্টা আগে