স্ট্রিম সংবাদদাতা

বৃষ্টির মধ্যেই দেশের অন্যতম বৃহৎ ঈদগাহ শোলাকিয়া মাঠে ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল ৯টায় ভেজা ও কাদামাখা মাঠে অনুষ্ঠিত হয় ঐতিহ্যবাহী এই ঈদগাহের ১৯৯তম জামাত।
বৃষ্টি উপেক্ষা করে ভোর থেকে দলে দলে ঈদগাহে আসতে শুরু করেন মুসল্লিরা। রেইনকোট, ছাতা ও প্লাস্টিকের আবরণ মাথায় দিয়ে জামাতে অংশ নেন তাঁরা। জায়নামাজ ও মোবাইল ফোন ছাড়া অন্য কিছু নিয়ে মাঠে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।
রেওয়াজ অনুযায়ী, জামাত শুরুর ১৫ মিনিট আগে তিনটি, ১০ মিনিট আগে দুটি এবং ৫ মিনিট আগে একটি শর্টগানের গুলি ফুটিয়ে নামাজের সংকেত দেওয়া হয়।
নামাজের ইমামতি করেন মুফতি আবুল খায়ের মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, ঐক্য ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
২০১৬ সালের জঙ্গি হামলার বিষয়টি মাথায় রেখে এবারও নেওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। বৃষ্টিভেজা মাঠ ও আশপাশে মোতায়েন ছিল দুই প্লাটুন বিজিবি, শত শত পুলিশ, র্যাব, আর্মড পুলিশ ও আনসার সদস্যরা। নামাজ শুরুর আগে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট পুরো মাঠ পরীক্ষা করে। মাঠজুড়ে ছিল সিসিটিভি ক্যামেরা ও ওয়াচ টাওয়ার।
বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও মুসল্লিদের জন্য দুটি বিশেষ ট্রেন চলাচল করে। একটি ভৈরব থেকে এবং অন্যটি ময়মনসিংহ থেকে। ভেজা সড়ক ও বৃষ্টির মধ্যেও হাজারো মানুষ শোলাকিয়া অভিমুখে রওনা হন।
ময়মনসিংহের নান্দাইলের বাসিন্দা মো. আলাউদ্দিন ১২ বছর ধরে শোলাকিয়ায় নামাজ পড়েন। এবার বৃষ্টিতে ভিজে শোলাকিয়া এসেছেন। তিনি বলেন, বৃষ্টি থাকলেও শোলাকিয়ার নামাজ মিস করি না। এই অনুভূতি অন্যরকম।
কুলিয়ারচরের আলী আকবর সাইকেল চালিয়ে ভিজতে ভিজতে এসেছেন। তিনি বলেন, বৃষ্টি হোক বা রোদ-এখানে নামাজ পড়ার শান্তিটাই আলাদা।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিজাবে রহমত বলেন, বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও আমরা সব প্রস্তুতি সম্পন্ন রেখেছিলাম। মুসল্লিদের সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণভাবে জামাত সম্পন্ন হয়েছে।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, বৃষ্টি ও প্রতিকূলতা সত্ত্বেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল অটুট। এটি আমাদের জন্য সফল আয়োজন।
কিশোরগঞ্জ শহরের পূর্ব প্রান্তে নরসুন্দা নদীর তীর ঘেঁষে অবস্থিত শোলাকিয়া ঈদগাহ। এটি ১৭৫০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। জনশ্রুতি অনুযায়ী, ১৮২৮ সালে এখানে সোয়া লাখ মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করেছিলেন, সেখান থেকেই এর নাম ‘শোলাকিয়া’।

বৃষ্টির মধ্যেই দেশের অন্যতম বৃহৎ ঈদগাহ শোলাকিয়া মাঠে ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল ৯টায় ভেজা ও কাদামাখা মাঠে অনুষ্ঠিত হয় ঐতিহ্যবাহী এই ঈদগাহের ১৯৯তম জামাত।
বৃষ্টি উপেক্ষা করে ভোর থেকে দলে দলে ঈদগাহে আসতে শুরু করেন মুসল্লিরা। রেইনকোট, ছাতা ও প্লাস্টিকের আবরণ মাথায় দিয়ে জামাতে অংশ নেন তাঁরা। জায়নামাজ ও মোবাইল ফোন ছাড়া অন্য কিছু নিয়ে মাঠে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।
রেওয়াজ অনুযায়ী, জামাত শুরুর ১৫ মিনিট আগে তিনটি, ১০ মিনিট আগে দুটি এবং ৫ মিনিট আগে একটি শর্টগানের গুলি ফুটিয়ে নামাজের সংকেত দেওয়া হয়।
নামাজের ইমামতি করেন মুফতি আবুল খায়ের মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, ঐক্য ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
২০১৬ সালের জঙ্গি হামলার বিষয়টি মাথায় রেখে এবারও নেওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। বৃষ্টিভেজা মাঠ ও আশপাশে মোতায়েন ছিল দুই প্লাটুন বিজিবি, শত শত পুলিশ, র্যাব, আর্মড পুলিশ ও আনসার সদস্যরা। নামাজ শুরুর আগে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট পুরো মাঠ পরীক্ষা করে। মাঠজুড়ে ছিল সিসিটিভি ক্যামেরা ও ওয়াচ টাওয়ার।
বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও মুসল্লিদের জন্য দুটি বিশেষ ট্রেন চলাচল করে। একটি ভৈরব থেকে এবং অন্যটি ময়মনসিংহ থেকে। ভেজা সড়ক ও বৃষ্টির মধ্যেও হাজারো মানুষ শোলাকিয়া অভিমুখে রওনা হন।
ময়মনসিংহের নান্দাইলের বাসিন্দা মো. আলাউদ্দিন ১২ বছর ধরে শোলাকিয়ায় নামাজ পড়েন। এবার বৃষ্টিতে ভিজে শোলাকিয়া এসেছেন। তিনি বলেন, বৃষ্টি থাকলেও শোলাকিয়ার নামাজ মিস করি না। এই অনুভূতি অন্যরকম।
কুলিয়ারচরের আলী আকবর সাইকেল চালিয়ে ভিজতে ভিজতে এসেছেন। তিনি বলেন, বৃষ্টি হোক বা রোদ-এখানে নামাজ পড়ার শান্তিটাই আলাদা।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিজাবে রহমত বলেন, বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও আমরা সব প্রস্তুতি সম্পন্ন রেখেছিলাম। মুসল্লিদের সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণভাবে জামাত সম্পন্ন হয়েছে।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, বৃষ্টি ও প্রতিকূলতা সত্ত্বেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল অটুট। এটি আমাদের জন্য সফল আয়োজন।
কিশোরগঞ্জ শহরের পূর্ব প্রান্তে নরসুন্দা নদীর তীর ঘেঁষে অবস্থিত শোলাকিয়া ঈদগাহ। এটি ১৭৫০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। জনশ্রুতি অনুযায়ী, ১৮২৮ সালে এখানে সোয়া লাখ মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করেছিলেন, সেখান থেকেই এর নাম ‘শোলাকিয়া’।

ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া জাহাজ `এমভি বাংলার জয়যাত্রা'- তে থাকা ৩১ বাংলাদেশি নাবিক ঈদুল আজহা উদযাপন করেছেন। প্রায় তিন মাস ধরে তারা জাহাজটিতে আটকে রয়েছেন।
২১ মিনিট আগে
ঈদুল আজহার নামাজ শেষে বাবা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর শাহবাগ মোড়। তপ্ত রোদে দাঁড়িয়ে হাসানুর রহমান আখের রস খেলেন। একরাশ স্বস্তির ঢেকুরও তুললেন এই রিকশাচালক। তাঁর কাছে স্ট্রিমের জিজ্ঞাসা– রসে মেশানো বরফ সম্পর্কে আপনি কতটুকু জানেন? হাসতে হাসতে হাসানুরের জবাব, গরমে সবাই খাই, আমিও খেলাম। এত ভাবি না। ঠান্ডা রসে দিলে শান্তি পাই।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল সাড়ে ৭টায় ঈদের নামাজ শুরু হয়।
৪ ঘণ্টা আগে