স্ট্রিম প্রতিবেদক

আন্দোলনরত ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করতে নিরাপত্তা বাহিনী আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার করেনি বলে দাবি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুকের পোস্টে এ দাবি করা হয়েছে।
এতে বলা হয়, বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে যমুনা অভিমুখে যাওয়ার চেষ্টা করলে এবং একপর্যায়ে জলকামানের ওপর উঠে পড়লে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করে। সরকার স্পষ্টভাবে জানাচ্ছে, এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো ধরনের গুলি ছোড়েনি।
এর আগে ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজে দাবি করা হয়, ‘জাবের গুলিবিদ্ধ। জুমা-শান্তাকে বুট দিয়ে পাড়ানো হইছে।’ পরে আরেক পোস্টে বলা হয়, ‘আপাতত কোনো জমায়েত করবেন না। আমরা চিকিৎসা নিয়ে আবার রাজপথে আসব। সেই পর্যন্ত নিরাপদে থাকার আহ্বান জানাই।’
ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা জানান, শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবির কর্মসূচি ঘিরে সংঘর্ষে তাদের অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
তবে সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্বার্থে যমুনা ও সংলগ্ন এলাকায় যেকোনো প্রকার সভা-সমাবেশ, মিছিল, গণজমায়েত ও বিক্ষোভ নিষিদ্ধ। এ প্রেক্ষাপটে পুলিশ সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক ও আইনানুগভাবে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে। এ সময় কোনো ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র (lethal weapon) ব্যবহার করা হয়নি বলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ নিশ্চিত করেছে।
এ ব্যাপারে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ) তালেবুর রহমানের সই করা বিবৃতি বলা হয়, নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও শুক্রবার বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে একাধিক গোষ্ঠী পুলিশের বাধা অতিক্রম করে যমুনার দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে।
এতে বলা হয়, এই ঘটনা ভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্য কতিপয় ব্যক্তি সামাজিক মাধ্যমে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছেন– এমন বিষয় আমাদের নজরে এসেছে। সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিকভাবে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে এবং এতে কোনো ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র বা গুলি ব্যবহার করা হয়নি। এ ঘটনায় পুলিশের বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার পাশাপাশি কয়েকজন বিক্ষোভকারীও সামান্য আহত হন। এ নিয়ে কোনো অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে সবাইকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

যোগাযোগ করা হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোহাম্মদ ফারুক স্ট্রিমকে বলেন, আবদুল্লাহ আল জাবেরসহ বেশ কয়েকজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। জাবেরের হাঁটুতে দুটি ক্ষত পাওয়া গেছে। এগুলো গুলির কিনা তা জানা যায়নি।
ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আহত হয়ে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরসহ মোট ২৩ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে তাদের কারও শরীরে গুলির আঘাত নেই বলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা নিশ্চিত করেছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, সরকার স্পষ্টভাবে পুনর্ব্যক্ত করছে, শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারে সরকার বদ্ধপরিকর। জাতিসংঘের অধীনে তদন্ত পরিচালনার আইনগত দিক সরকার গভীরভাবে পর্যালোচনা করছে এবং এ বিষয়ে আগামী রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠাবে।
সরকার বলেছে, বিভিন্ন মাধ্যমে বিক্ষোভকারীদের ওপর মাত্রাতিরিক্ত বলপ্রয়োগের যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সঠিক নয়। আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে এই সংবেদনশীল রাজনৈতিক সময়ে সরকার সবাইকে ধৈর্য, সংযম ও দায়িত্বশীলতা বজায় রাখার আহ্বান জানাচ্ছে। দেশের প্রায় ১৮ কোটি মানুষ অধীর আগ্রহে এই নির্বাচনের অপেক্ষায় রয়েছে। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি বর্তমানে বাংলাদেশের দিকে নিবদ্ধ। বিদেশি বহু সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক ইতোমধ্যে বাংলাদেশে উপস্থিত হয়েছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, সরকার দেশের সব নাগরিকের প্রতি একটি উৎসবমুখর, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতা ও সহযোগিতার আহ্বান জানাচ্ছে। আসন্ন নির্বাচন রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। দীর্ঘ সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও রক্তক্ষয়ের বিনিময়ে অর্জিত এই নির্বাচনী সুযোগ জাতির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
দেশের সার্বিক অগ্রগতি, স্থিতিশীলতা ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন নিশ্চিত করতে এই নির্বাচনকে অবশ্যই সুষ্ঠু, সুন্দর, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে হবে। এ লক্ষ্য অর্জনে কোনো ধরনের বিচ্যুতি গ্রহণযোগ্য নয়। সরকার বিশ্বাস করে, দেশের সব নাগরিকের সম্মিলিত দায়িত্বশীল আচরণ ও সহযোগিতার মাধ্যমেই একটি গ্রহণযোগ্য, মর্যাদাপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক নির্বাচন সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশি দমন-পীড়ন গ্রহণযোগ্য নয়: জামায়াত
ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশি দমন-পীড়ন কোনোভাবে গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছে জামায়াতে ইসলামী। শুক্রবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে ইনকিলাব মঞ্চের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি ঘিরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরের গুলিবিদ্ধ এবং শতাধিক আন্দোলনকারীর আহত হওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে দলটি।
হামলার নিন্দা জানিয়ে বিৃবতিতে সইকারী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ন্যায়বিচারের দাবিতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করা নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার। সেই অধিকারকে সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ার গ্যাসের শেল, বুট ও গুলির মাধ্যমে দমন করার ঘটনা নিন্দনীয়।
তিনি বলেন, পুলিশের লাঠিচার্জ, জলকামান ও টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ এবং গুলিবর্ষণে যেভাবে সাধারণ আন্দোলনকারী আহত হয়েছেন, তা ন্যক্কারজনক। অবিলম্বে এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, দায়ী পুলিশ সদস্যদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ও আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দাবি জানাচ্ছি।
বিবৃতিতে বলা হয়, সব সময় জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান অন্যায়, জুলুম ও দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে এবং ভবিষ্যতেও ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলনের পাশে থাকবে। রাষ্ট্রকে অবশ্যই দমননীতি পরিহার করে জনগণের ন্যায্য দাবি শোনার পথ বেছে নিতে হবে।

আন্দোলনরত ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করতে নিরাপত্তা বাহিনী আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার করেনি বলে দাবি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুকের পোস্টে এ দাবি করা হয়েছে।
এতে বলা হয়, বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে যমুনা অভিমুখে যাওয়ার চেষ্টা করলে এবং একপর্যায়ে জলকামানের ওপর উঠে পড়লে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করে। সরকার স্পষ্টভাবে জানাচ্ছে, এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো ধরনের গুলি ছোড়েনি।
এর আগে ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজে দাবি করা হয়, ‘জাবের গুলিবিদ্ধ। জুমা-শান্তাকে বুট দিয়ে পাড়ানো হইছে।’ পরে আরেক পোস্টে বলা হয়, ‘আপাতত কোনো জমায়েত করবেন না। আমরা চিকিৎসা নিয়ে আবার রাজপথে আসব। সেই পর্যন্ত নিরাপদে থাকার আহ্বান জানাই।’
ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা জানান, শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবির কর্মসূচি ঘিরে সংঘর্ষে তাদের অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
তবে সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্বার্থে যমুনা ও সংলগ্ন এলাকায় যেকোনো প্রকার সভা-সমাবেশ, মিছিল, গণজমায়েত ও বিক্ষোভ নিষিদ্ধ। এ প্রেক্ষাপটে পুলিশ সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক ও আইনানুগভাবে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে। এ সময় কোনো ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র (lethal weapon) ব্যবহার করা হয়নি বলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ নিশ্চিত করেছে।
এ ব্যাপারে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ) তালেবুর রহমানের সই করা বিবৃতি বলা হয়, নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও শুক্রবার বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে একাধিক গোষ্ঠী পুলিশের বাধা অতিক্রম করে যমুনার দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে।
এতে বলা হয়, এই ঘটনা ভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্য কতিপয় ব্যক্তি সামাজিক মাধ্যমে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছেন– এমন বিষয় আমাদের নজরে এসেছে। সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিকভাবে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে এবং এতে কোনো ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র বা গুলি ব্যবহার করা হয়নি। এ ঘটনায় পুলিশের বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার পাশাপাশি কয়েকজন বিক্ষোভকারীও সামান্য আহত হন। এ নিয়ে কোনো অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে সবাইকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

যোগাযোগ করা হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোহাম্মদ ফারুক স্ট্রিমকে বলেন, আবদুল্লাহ আল জাবেরসহ বেশ কয়েকজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। জাবেরের হাঁটুতে দুটি ক্ষত পাওয়া গেছে। এগুলো গুলির কিনা তা জানা যায়নি।
ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আহত হয়ে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরসহ মোট ২৩ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে তাদের কারও শরীরে গুলির আঘাত নেই বলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা নিশ্চিত করেছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, সরকার স্পষ্টভাবে পুনর্ব্যক্ত করছে, শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারে সরকার বদ্ধপরিকর। জাতিসংঘের অধীনে তদন্ত পরিচালনার আইনগত দিক সরকার গভীরভাবে পর্যালোচনা করছে এবং এ বিষয়ে আগামী রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠাবে।
সরকার বলেছে, বিভিন্ন মাধ্যমে বিক্ষোভকারীদের ওপর মাত্রাতিরিক্ত বলপ্রয়োগের যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সঠিক নয়। আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে এই সংবেদনশীল রাজনৈতিক সময়ে সরকার সবাইকে ধৈর্য, সংযম ও দায়িত্বশীলতা বজায় রাখার আহ্বান জানাচ্ছে। দেশের প্রায় ১৮ কোটি মানুষ অধীর আগ্রহে এই নির্বাচনের অপেক্ষায় রয়েছে। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি বর্তমানে বাংলাদেশের দিকে নিবদ্ধ। বিদেশি বহু সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক ইতোমধ্যে বাংলাদেশে উপস্থিত হয়েছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, সরকার দেশের সব নাগরিকের প্রতি একটি উৎসবমুখর, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতা ও সহযোগিতার আহ্বান জানাচ্ছে। আসন্ন নির্বাচন রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। দীর্ঘ সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও রক্তক্ষয়ের বিনিময়ে অর্জিত এই নির্বাচনী সুযোগ জাতির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
দেশের সার্বিক অগ্রগতি, স্থিতিশীলতা ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন নিশ্চিত করতে এই নির্বাচনকে অবশ্যই সুষ্ঠু, সুন্দর, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে হবে। এ লক্ষ্য অর্জনে কোনো ধরনের বিচ্যুতি গ্রহণযোগ্য নয়। সরকার বিশ্বাস করে, দেশের সব নাগরিকের সম্মিলিত দায়িত্বশীল আচরণ ও সহযোগিতার মাধ্যমেই একটি গ্রহণযোগ্য, মর্যাদাপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক নির্বাচন সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশি দমন-পীড়ন গ্রহণযোগ্য নয়: জামায়াত
ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশি দমন-পীড়ন কোনোভাবে গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছে জামায়াতে ইসলামী। শুক্রবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে ইনকিলাব মঞ্চের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি ঘিরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরের গুলিবিদ্ধ এবং শতাধিক আন্দোলনকারীর আহত হওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে দলটি।
হামলার নিন্দা জানিয়ে বিৃবতিতে সইকারী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ন্যায়বিচারের দাবিতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করা নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার। সেই অধিকারকে সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ার গ্যাসের শেল, বুট ও গুলির মাধ্যমে দমন করার ঘটনা নিন্দনীয়।
তিনি বলেন, পুলিশের লাঠিচার্জ, জলকামান ও টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ এবং গুলিবর্ষণে যেভাবে সাধারণ আন্দোলনকারী আহত হয়েছেন, তা ন্যক্কারজনক। অবিলম্বে এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, দায়ী পুলিশ সদস্যদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ও আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দাবি জানাচ্ছি।
বিবৃতিতে বলা হয়, সব সময় জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান অন্যায়, জুলুম ও দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে এবং ভবিষ্যতেও ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলনের পাশে থাকবে। রাষ্ট্রকে অবশ্যই দমননীতি পরিহার করে জনগণের ন্যায্য দাবি শোনার পথ বেছে নিতে হবে।

প্রখ্যাত বাউল সাধক সুনীল কর্মকারকে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় সিক্ত করে গৌরীপুরে সমাহিত করা হয়েছে। গুণী এই শিল্পীর বিদায়ে ময়মনসিংহের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে আসে।
৪৩ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ২২ দফা ইশতেহার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিস। দলটির ইশতেহারে বলা হয়েছে, রাজনীতি হবে আমানত, ক্ষমতা হবে জবাবদিহিমূলক এবং রাষ্ট্র পরিচালিত হবে আল্লাহভীতি, ন্যায়বিচার ও মানবিকতার ভিত্তিতে।
১ ঘণ্টা আগে
পাল্টাপাল্টি ধাওয়া আর সংঘর্ষের দিনভর উত্তপ্ত ছিল বাংলা মোটর থেকে শাহবাগ এলাকা। এতে যান চলাচল বন্ধের পাশাপাশি থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। তবে রাত পৌনে ১১টার দিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং পুনরায় যান চলাচল শুরু হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও ছাত্র নেতাদের ওপর পুলিশের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে রাজশাহী ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
১ ঘণ্টা আগে