স্ট্রিম ডেস্ক

খুলনায় কয়েকজন সাংবাদিককে লক্ষ্য করে গুলির ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। এই ঘটনাকে স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মুক্ত গণমাধ্যমের ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই ঘটনার দ্রুত, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তে দোষীদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে টিআইবি।
বিজ্ঞপ্তিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘এই হামলা নির্দিষ্ট কোনো সাংবাদিককে লক্ষ্য করে বা কোনো বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশের কারণে হয়েছে কিনা—তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে সাংবাদিকদের ওপর এই হামলা সামগ্রিকভাবে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকারে আঘাত।’
তিনি আরও বলেন, কোনো বিলম্ব ছাড়াই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে হামলাকারী, পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। কেবল মামলা দায়েরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে এই হামলার প্রকৃত উদ্দেশ্য এবং ভুক্তভোগীদের পেশাগত কাজের সঙ্গে এর কোনো যোগসূত্র রয়েছে কিনা, তা বের করতে হবে। অন্যথায়, অতীতে ঘটা অপরাধগুলোর মতো এটিও বিচারহীনতার সংস্কৃতির তালিকায় যুক্ত হবে।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের বরাত দিয়ে টিআইবি জানায়, আক্রান্ত সাংবাদিকেরা শুরুতে আইনি পদক্ষেপ নিতে অনীহা প্রকাশ করেছিলেন। ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘ভুক্তভোগীদের মামলা করতে এই দ্বিধা মূলত প্রতিশোধমূলক হামলার আশঙ্কা, চরম নিরাপত্তাহীনতা এবং সমাজে বিরাজমান ভীতির ইঙ্গিত দেয়। এতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আন্তরিকতার ওপর সাংবাদিকদের গভীর আস্থার সংকট প্রকাশ পায়।’
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি ও গোয়েন্দা সক্ষমতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আইন প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষের যে সক্ষমতা রয়েছে, তাতে এই অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করা অসম্ভব কিছু নয়। যে সমাজে ভুক্তভোগীরাই বিচার চাইতে ভয় পান, সেখানে স্বাধীন সাংবাদিকতা ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করার সুযোগ থাকে না। এর ফলে প্রভাবশালী গোষ্ঠী আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে।
টিআইবি অবিলম্বে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি প্রতিটি হামলার বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

খুলনায় কয়েকজন সাংবাদিককে লক্ষ্য করে গুলির ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। এই ঘটনাকে স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মুক্ত গণমাধ্যমের ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই ঘটনার দ্রুত, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তে দোষীদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে টিআইবি।
বিজ্ঞপ্তিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘এই হামলা নির্দিষ্ট কোনো সাংবাদিককে লক্ষ্য করে বা কোনো বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশের কারণে হয়েছে কিনা—তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে সাংবাদিকদের ওপর এই হামলা সামগ্রিকভাবে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকারে আঘাত।’
তিনি আরও বলেন, কোনো বিলম্ব ছাড়াই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে হামলাকারী, পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। কেবল মামলা দায়েরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে এই হামলার প্রকৃত উদ্দেশ্য এবং ভুক্তভোগীদের পেশাগত কাজের সঙ্গে এর কোনো যোগসূত্র রয়েছে কিনা, তা বের করতে হবে। অন্যথায়, অতীতে ঘটা অপরাধগুলোর মতো এটিও বিচারহীনতার সংস্কৃতির তালিকায় যুক্ত হবে।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের বরাত দিয়ে টিআইবি জানায়, আক্রান্ত সাংবাদিকেরা শুরুতে আইনি পদক্ষেপ নিতে অনীহা প্রকাশ করেছিলেন। ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘ভুক্তভোগীদের মামলা করতে এই দ্বিধা মূলত প্রতিশোধমূলক হামলার আশঙ্কা, চরম নিরাপত্তাহীনতা এবং সমাজে বিরাজমান ভীতির ইঙ্গিত দেয়। এতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আন্তরিকতার ওপর সাংবাদিকদের গভীর আস্থার সংকট প্রকাশ পায়।’
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি ও গোয়েন্দা সক্ষমতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আইন প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষের যে সক্ষমতা রয়েছে, তাতে এই অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করা অসম্ভব কিছু নয়। যে সমাজে ভুক্তভোগীরাই বিচার চাইতে ভয় পান, সেখানে স্বাধীন সাংবাদিকতা ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করার সুযোগ থাকে না। এর ফলে প্রভাবশালী গোষ্ঠী আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে।
টিআইবি অবিলম্বে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি প্রতিটি হামলার বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
.png)

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিং মামলায় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের কার্যক্রম অর্ধেকের বেশি শেষ হয়েছে। মামলার ২৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ইতিমধ্যে ১৫ জন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। তবে বেনজীর আহমেদ পলাতক থাকায় কোনো সাক্ষীকেই জেরা করা সম্ভব হয়নি।
১ ঘণ্টা আগে
পাবনায় আর্জেন্টিনার ম্যাচ ঘিরে চাঁদাবাজি এবং ব্যবসায়ীর ওপর হামলার পরিকল্পনাকালে দুটি বিদেশি পিস্তলসহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার রাত নয়টার দিকে সদর উপজেলার দক্ষিণ রামচন্দ্রপুর চর মন্ডলপাড়া এলাকার ইছামতি ক্যানেলের শালতলা ব্রিজের পাশ থেকে ওই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বান্দরবানের থানচি উপজেলায় কৃষকদের ঘরে ঘরে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ঢাকায় সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব রথযাত্রা পালিত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে ভগবান জগন্নাথ, বলদেব ও সুভদ্রার রথযাত্রা শুরু হয়।
২ ঘণ্টা আগে