স্ট্রিম ডেস্ক

আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নিয়েই পরিবারের কাছে ফিরে গেছেন বলে দাবি করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে দায়িত্ব পালনকালে কোনো দুর্নীতি করেননি বলেও দাবি করেন তিনি।
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব ২০২৫ সালের ৫ মার্চ প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী নিযুক্ত করা হয়। এর আগে ২০২৪ সালের নভেম্বরে আইসিটি পলিসি অ্যাডভাইজর হিসেবে নিয়োগ পান।
গত শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে তিনি দেশ ত্যাগ করেন। এই খবর প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়। নির্বাচনের সময় একরকম তাড়াহুড়ো করে দেশ ছেড়ে চলে গেছেন বলেও অভিযোগ ওঠে।
এ বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন ফয়েজ আহমেদ। বাংলাদেশ সময় শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে দেওয়া ওই পোস্টে ফয়েজ আহমেদ লিখেছেন, ‘ফেব্রুয়ারির ৮, ৯, ১০ তারিখে আনুষ্ঠানিক বিদায় নিয়েছি আইসিটি, পিটিডি ও বিটিআরসি থেকে। এরপরে নির্বাচনের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেছি। প্রযুক্তি নির্ভর নির্বাচনী আয়োজনে আমার কিছু কন্ট্রিবিউশন ছিল। কলিগদের থেকেও ঠিকঠাক বিদায় নিয়েছি।’
১০ ফেব্রুয়ারি অফিশিয়ালি শেষ কর্মদিবস ছিল উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন, ‘সেদিন কর্মকর্তা-কর্মচারী, সবারসঙ্গে একসঙ্গে ফেয়ারওয়েল ডিনার করেছি। গান গেয়ে বিদায় দিয়েছেন আমার সহকর্মীরা, ওয়ালে পাবেন।’
তিনি সোশ্যাল মিডিয়ার সমালোচনার বিষয়ে আক্ষেপ করে বলেন, ‘একজন আত্মমর্যাদা সম্পন্ন এবং সৎ ব্যক্তিকে দুটো অসম্মানজনক কটূ কথা শোনানোর আগে, তথ্য যাচাই-বাছাই করে নেবেন, চাওয়াটা খুব বেশি বড় না। বিদায়ের সময় এক সহকর্মী জিজ্ঞেস করেছিল, পরে কী করবেন? বলেছি একটা চাকরি খুঁজতে হবে দ্রুত। দেশের জন্য কাজ করতে এসে ফাইনান্সিয়ালি অনেক লোকসান হয়েছে। সেভিংস যা ছিল সব শেষ হয়েছে।’
তিনি লেখেন, ‘ছেলের স্কুলে প্যারেন্টস মিটিং আছে, সেইসঙ্গে স্ত্রীর মেডিক্যাল ইমার্জেন্সি আছে। ছুটি চেয়ে যথাযথভাবেই পরিবারের কাছে যাচ্ছি। আরও একটা তথ্য দেই, রিটার্ন টিকেট কেটে এসেছি, ডেট ...লোকেদের কাছ থেকেই জেনে নিয়েন। একটা দীর্ঘ সময় সন্তান ও পরিবারকে সময় দিতে পারেনি, পরিবারকে কিছুটা সময় দিতে হবে। প্লাস আজকে ভ্যালেন্টাইন ডে।’
‘অনেকগুলো বই উপহার পেয়েছি, বইগুলো সাথে নিয়ে এসেছি। দীর্ঘ ক্লান্তির পরে একটু লম্বা বিশ্রাম প্রয়োজন। স্লিপিং সাইকেল ডিসরাপট হওয়ায় বিগত এক বছর নিয়মিত ঘুমাতে পারিনি। বিশ্রামের পাশাপাশি উপহার পাওয়া বইগুলো পড়বো। পত্রিকার কলাম নিয়মিত পড়তাম, বিগত সময়ে আমার সহ লেখকরা যেসব মৌলিক লেখা লিখেছেন সেগুলোও পড়তে হবে।’
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে নিজের দায়িত্বে প্রসঙ্গে ফয়েজ আহমেদ লিখেছেন, ‘আমি অল্প সময়ে জীবনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি, এটুকু বলতে পারি। একটা শীর্ষ দুর্নীতিগ্রস্ত মন্ত্রণালয়ে নতুন ব্যবস্থাপনা, নতুন প্রযুক্তি এবং স্বচ্ছতা এনেছি। সবগুলো পুরানা আইন ও পলিসি পরিবর্তন করতে পাগলের মত খেটেছি। এগুলো প্রায় ৫ বছরের কাজ। বিশ্বাস না হলে কোনও পেশাদার গবেষণা সংস্থা এবং অডিট ফার্ম দিয়ে যাচাই বাছাই করে নিয়েন। আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলতে পারি, আমি ১ টাকাও দুর্নীতি করিনি। আমি বাই ভার্চু সৎ লোক। টাকা মারসি, এটা নিতে পারি না। মোবাইল ব্যবসায়ীরা, টেলিকম মাফিয়ারা আমার বিরুদ্ধে কুতসা করেছে। আমি তাদের কাছে মাথা নত করিনি।’
শিগগিরই নিজের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাবেন জানিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘দ্রুত একটা চাকরি খুঁজবো। আমার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাব। আমার স্ত্রী-সন্তানকে ডিপ্রাইভ করে, নিরাপদ জীবন ফেলে দেশে এসেছি, কিছু মানুষ আমাকে যে যেভাবে পেরেছে অপমান, অপদস্ত করতে কাজ করেছে। মাঝে মাঝে মনে হয়, এই দেশের উল্লেখযোগ্য মানুষ সৎ লোক এবং নলেজ ড্রিভেন লিডারশিপ ডিজার্ভ করে না। এই কষ্ট আমাকে তীব্রভাবে আঘাত করেছে। আমি সাধারণ মানুষ, সাধারণ পানাহার করি, সাধারণ চলাফেরা করি। নিজের কাছে সৎ ও স্বচ্চ আছি। ভালো থাকবেন, দোয়া করবেন।’

আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নিয়েই পরিবারের কাছে ফিরে গেছেন বলে দাবি করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে দায়িত্ব পালনকালে কোনো দুর্নীতি করেননি বলেও দাবি করেন তিনি।
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব ২০২৫ সালের ৫ মার্চ প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী নিযুক্ত করা হয়। এর আগে ২০২৪ সালের নভেম্বরে আইসিটি পলিসি অ্যাডভাইজর হিসেবে নিয়োগ পান।
গত শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে তিনি দেশ ত্যাগ করেন। এই খবর প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়। নির্বাচনের সময় একরকম তাড়াহুড়ো করে দেশ ছেড়ে চলে গেছেন বলেও অভিযোগ ওঠে।
এ বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন ফয়েজ আহমেদ। বাংলাদেশ সময় শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে দেওয়া ওই পোস্টে ফয়েজ আহমেদ লিখেছেন, ‘ফেব্রুয়ারির ৮, ৯, ১০ তারিখে আনুষ্ঠানিক বিদায় নিয়েছি আইসিটি, পিটিডি ও বিটিআরসি থেকে। এরপরে নির্বাচনের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেছি। প্রযুক্তি নির্ভর নির্বাচনী আয়োজনে আমার কিছু কন্ট্রিবিউশন ছিল। কলিগদের থেকেও ঠিকঠাক বিদায় নিয়েছি।’
১০ ফেব্রুয়ারি অফিশিয়ালি শেষ কর্মদিবস ছিল উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন, ‘সেদিন কর্মকর্তা-কর্মচারী, সবারসঙ্গে একসঙ্গে ফেয়ারওয়েল ডিনার করেছি। গান গেয়ে বিদায় দিয়েছেন আমার সহকর্মীরা, ওয়ালে পাবেন।’
তিনি সোশ্যাল মিডিয়ার সমালোচনার বিষয়ে আক্ষেপ করে বলেন, ‘একজন আত্মমর্যাদা সম্পন্ন এবং সৎ ব্যক্তিকে দুটো অসম্মানজনক কটূ কথা শোনানোর আগে, তথ্য যাচাই-বাছাই করে নেবেন, চাওয়াটা খুব বেশি বড় না। বিদায়ের সময় এক সহকর্মী জিজ্ঞেস করেছিল, পরে কী করবেন? বলেছি একটা চাকরি খুঁজতে হবে দ্রুত। দেশের জন্য কাজ করতে এসে ফাইনান্সিয়ালি অনেক লোকসান হয়েছে। সেভিংস যা ছিল সব শেষ হয়েছে।’
তিনি লেখেন, ‘ছেলের স্কুলে প্যারেন্টস মিটিং আছে, সেইসঙ্গে স্ত্রীর মেডিক্যাল ইমার্জেন্সি আছে। ছুটি চেয়ে যথাযথভাবেই পরিবারের কাছে যাচ্ছি। আরও একটা তথ্য দেই, রিটার্ন টিকেট কেটে এসেছি, ডেট ...লোকেদের কাছ থেকেই জেনে নিয়েন। একটা দীর্ঘ সময় সন্তান ও পরিবারকে সময় দিতে পারেনি, পরিবারকে কিছুটা সময় দিতে হবে। প্লাস আজকে ভ্যালেন্টাইন ডে।’
‘অনেকগুলো বই উপহার পেয়েছি, বইগুলো সাথে নিয়ে এসেছি। দীর্ঘ ক্লান্তির পরে একটু লম্বা বিশ্রাম প্রয়োজন। স্লিপিং সাইকেল ডিসরাপট হওয়ায় বিগত এক বছর নিয়মিত ঘুমাতে পারিনি। বিশ্রামের পাশাপাশি উপহার পাওয়া বইগুলো পড়বো। পত্রিকার কলাম নিয়মিত পড়তাম, বিগত সময়ে আমার সহ লেখকরা যেসব মৌলিক লেখা লিখেছেন সেগুলোও পড়তে হবে।’
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে নিজের দায়িত্বে প্রসঙ্গে ফয়েজ আহমেদ লিখেছেন, ‘আমি অল্প সময়ে জীবনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি, এটুকু বলতে পারি। একটা শীর্ষ দুর্নীতিগ্রস্ত মন্ত্রণালয়ে নতুন ব্যবস্থাপনা, নতুন প্রযুক্তি এবং স্বচ্ছতা এনেছি। সবগুলো পুরানা আইন ও পলিসি পরিবর্তন করতে পাগলের মত খেটেছি। এগুলো প্রায় ৫ বছরের কাজ। বিশ্বাস না হলে কোনও পেশাদার গবেষণা সংস্থা এবং অডিট ফার্ম দিয়ে যাচাই বাছাই করে নিয়েন। আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলতে পারি, আমি ১ টাকাও দুর্নীতি করিনি। আমি বাই ভার্চু সৎ লোক। টাকা মারসি, এটা নিতে পারি না। মোবাইল ব্যবসায়ীরা, টেলিকম মাফিয়ারা আমার বিরুদ্ধে কুতসা করেছে। আমি তাদের কাছে মাথা নত করিনি।’
শিগগিরই নিজের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাবেন জানিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘দ্রুত একটা চাকরি খুঁজবো। আমার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাব। আমার স্ত্রী-সন্তানকে ডিপ্রাইভ করে, নিরাপদ জীবন ফেলে দেশে এসেছি, কিছু মানুষ আমাকে যে যেভাবে পেরেছে অপমান, অপদস্ত করতে কাজ করেছে। মাঝে মাঝে মনে হয়, এই দেশের উল্লেখযোগ্য মানুষ সৎ লোক এবং নলেজ ড্রিভেন লিডারশিপ ডিজার্ভ করে না। এই কষ্ট আমাকে তীব্রভাবে আঘাত করেছে। আমি সাধারণ মানুষ, সাধারণ পানাহার করি, সাধারণ চলাফেরা করি। নিজের কাছে সৎ ও স্বচ্চ আছি। ভালো থাকবেন, দোয়া করবেন।’

চব্বিশের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান চলাকালে রাজধানীর রামপুরায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার জন্য আগামী ৪ মার্চ দিন ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এ মামলায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ মোট পাঁচজন পুলিশ কর্মকর্তা আসামি।
৭ মিনিট আগে
মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিলকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মাধ্যমে ‘অপতথ্য ও অনুমাননির্ভর’ বক্তব্য ছড়ানো হচ্ছে জানিয়ে এ নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে একটি ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সরকার বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকারও আহ্বান জানিয়েছে।
১৮ মিনিট আগে
বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় বাড়ির সামনে একটি ক্ষেত থেকে এক ব্যবসায়ীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার সোন্দাবাড়ী পূর্বপাড়া এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
নাটোরের লালপুরে নির্বাচন পরবর্তী উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। শনিবার রাতে লালপুর উপজেলার ওয়ালিয়া নতুন বাজার এলাকায় এই সংঘর্ষে অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে