চুয়াডাঙ্গায় ক্রেতাদের চোখ মাঝারি ছাগলে দিকে

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
চুয়াডাঙ্গা

চুয়াডাঙ্গার নয়মাইল পশুর হাটে। স্ট্রিম ছবি

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গায় জমে উঠেছে পশুর হাট। হাটে গরুর পাশাপাশি বিক্রি বেড়েছে ছাগলের। কিন্তু আশানুরূপ দাম না পাওয়ায় হতাশা প্রকাশ করছেন বিক্রেতারা। বড় আকারের ছাগলের বিক্রি কম হলেও ক্রেতাদের নজর বেশি মাঝারি আকারের ছাগলের দিকে।

শনিবার চুয়াডাঙ্গার নয়মাইল পশুর হাটে গিয়ে দেখা যায়, গরুর পাশাপাশি দেশি জাতের ছাগল উঠেছে বেশি। তবে ক্রেতা তুলনামূলক কম।

দেশি জাতের মাঝারি সাইজের ছাগলের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি বলে জানিয়েছে বিক্রেতারা। এসব ছাগল বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকায়। বড় আকারের ছাগলের দাম ২৫ থেকে ৩৫ হাজার টাকা।

ছাগল কিনতে আসা রাকিবুল হাসান বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে হাট ঘুরে দেখলাম। একটি দেশি জাতের ছাগল ২০ হাজার টাকা দিয়ে কিনলাম। দাম মোটামুটি ঠিক আছে।

ছাগল বিক্রেতা হাসান আলী বলেন, ক্রেতারা বেশিরভাগ ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার মধ্যে ছাগল কিনতে চায়। বাজারে অনেক বড় ছাগল আছে। ক্রেতা একবারেই নেই।

চুয়াডাঙ্গার জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্রের উপপরিচালক আ হা ম শামিমুজ্জামান বলেন, প্রতিবছরের মতো এবারও চুয়াডাঙ্গা জেলার চাহিদা পূরণ করে সারা দেশে কোরবানির পশু সরবরাহ করা সম্ভব হবে। গরু ও ছাগল মোটাতাজাকরণের জন্য চুয়াডাঙ্গা অত্যন্ত উপযোগী জেলা।

জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের তথ্যমতে, এ বছর কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ২০০ ছাগল। এ ছাড়া রয়েছে ৪৪ হাজার ৩৯৬ গরু, ১১৬ মহিষ এবং আড়াই হাজার ভেড়া। এবার জেলার ৫টি পশুর হাটে ৩০০ কোটি টাকার ছাগল বিক্রি হবে বলে আশা করছেন প্রাণী সম্পদের কর্মকর্তারা।

সম্পর্কিত