বরিশালে অটোরিকশাচালক ও বাস মালিকদের দ্বন্দ্বে ১৭ রুটে যান চলাচল বন্ধ, ভোগান্তি

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
বরিশাল

বরিশালে মাহিন্দ্রা-অটোরিকশা চালকদের সঙ্গে বাস মালিকদের দ্বন্দ্বে বন্ধ যানবাহন। স্ট্রিম ছবি
বরিশালে মাহিন্দ্রা-অটোরিকশা চালকদের সঙ্গে বাস মালিকদের দ্বন্দ্বে বন্ধ যানবাহন। স্ট্রিম ছবি

বরিশালে যাত্রী ওঠানো নিয়ে বাস মালিক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালকদের দ্বন্দ্বে ঢাকাসহ ১৭টি রুটে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে বরিশাল থেকে ঢাকা, পিরোজপুর ও খুলনাসহ বিভিন্ন রুটের যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের রহমতপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থান নেন অটোরিকশা চালকেরা। তারা মহাসড়কে অভ্যন্তরীণ রুটে চলাচলকারী কয়েকটি বাস আটকে মীরগঞ্জ সড়কে রাখেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নথুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ডে মাহিন্দ্রা ও অটোরিকশার যাত্রী তুলতে গেলে বাধা দেন বাস মালিক সমিতির কর্মচারীরা। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। প্রশাসনের উদ্যোগে গতকাল সোমবার (২৪ আগস্ট) দুই পক্ষের বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। পরে সমস্যার স্থায়ী সমাধানের দাবিতে ধর্মঘটের ডাক দেন অটোরিকশা চালকেরা।

ওই ঘটনার জেরে আজ দুপুর ১২টা থেকে মহাসড়কে মাহিন্দ্রা ও অটোরিকশা বন্ধের দাবিতে ঢাকা-বরিশালসহ অভ্যন্তরীণ ১৭টি রুটে বাস চলাচল বন্ধ করে দেন মালিকেরা। এতে নগরের বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ড ও সড়কে যাত্রীদের দীর্ঘ অপেক্ষা করতে দেখা যায়।

মাহিন্দ্রাচালক আলী হোসেন বলেন, ‘নথুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ড থেকে যাত্রী তুলতে গেলে বাস মালিক সমিতির কর্মচারীরা আমাদের মারধর করেন। নিয়মিত ট্যাক্স দিয়ে গাড়ি চালালেও আমাদের সঙ্গে এমন আচরণ করা হচ্ছে। সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আমরা ধর্মঘট চালিয়ে যাব।’

নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস মালিক সমিতির সভাপতি মো. মোশারফ হোসেন বলেন, ‘থ্রি-হুইলারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে আমরা আরও কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হব। তার আগ পর্যন্ত ধর্মঘট অব্যাহত থাকবে।’

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার ওসি শাখাওয়াত হোসেন বলেন, দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা চলছে। কর্মকর্তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Ad 300x250
লেটেস্ট
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত