স্ট্রিম প্রতিবেদক

সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের সাক্ষীদের জবানবন্দি ও তথ্যপ্রমাণের মধ্যে ‘পরস্পরবিরোধী’ বক্তব্য রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে আসামিপক্ষ। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ সপ্তম দিনের যুক্তিতর্কে এসব অভিযোগ করেন ইনুর আইনজীবী ও সাবেক বিচারপতি মনসুরুল হক।
শেখ হাসিনার সঙ্গে ইনুর ফোনালাপ ফাঁসের দুই মাস আগেই সাক্ষীরা তা শুনেছেন বলে জবানবন্দি দেওয়ায়, তারা ‘তদন্ত কর্মকর্তার শেখানোমতে’ সাক্ষ্য দিয়েছেন বলে ট্রাইব্যুনালে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন।
সোমবার (৪ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী ও সদস্য অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে এই যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়।
আসামিপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও সাবেক বিচারপতি মনসুরুল হক চৌধুরী। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মো. সুলতান মাহমুদ সিমন, অ্যাডভোকেট মো. আবুল হাসান এবং ব্যারিস্টার সিফাত মাহমুদ।
আসামিপক্ষের আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী ট্রাইব্যুনালকে বলেন, প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত ১০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১, ৬, ৭ ও ৮ নম্বর সাক্ষী ছাড়া বাকি সবাই ফরমাল বা অফিশিয়াল সাক্ষী। এর মধ্যে ৭ নম্বর সাক্ষী হাসানুল হক ইনুর বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেননি, যে কারণে আসামিপক্ষ তাকে জেরাও করেনি। বাকি তিনজন, অর্থাৎ ১, ৬ ও ৮ নম্বর সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে যে বক্তব্য দিয়েছেন এবং প্রসিকিউশন যেসব দালিলিক ও ডিজিটাল প্রমাণ উপস্থাপন করেছে, তা সম্পূর্ণ ‘পরস্পরবিরোধী’।
আইনজীবী মনসুরুল হক বলেন, ‘১ নম্বর সাক্ষী বলেছেন, হাসানুল হক ইনু ২০২৪ সালের নির্বাচনে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। অথচ তিনি ২০২৪ সালে এমপি নির্বাচিত হননি, যা তদন্তকারী কর্মকর্তাও জেরায় স্বীকার করেছেন।’
৬ নম্বর সাক্ষী তার জেরায় বলেছেন, তিনি ‘মিরর নাউ’ চ্যানেলে হাসানুল হক ইনুর সাক্ষাৎকার নিজে শুনেছেন এবং সেটি বাংলায় ছিল। অথচ প্রসিকিউশন ট্রাইব্যুনালে যে সাক্ষাৎকারটি প্রদর্শন করেছে, তা পুরোটাই ইংরেজি ভাষার।
আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল শেখ হাসিনার সঙ্গে ইনুর ফোনালাপের বিষয়টি।
অ্যাডভোকেট মনসুরুল হক বলেন, ‘এই তিন সাক্ষীই ট্রাইব্যুনালে বলেছেন যে তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাসানুল হক ইনুর সঙ্গে শেখ হাসিনার কথোপকথন শুনেছেন। তারা একই কথা তদন্তকারী কর্মকর্তাকেও বলেছিলেন। তদন্ত কর্মকর্তা ১, ৬ ও ৮ নম্বর সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করেন যথাক্রমে ১৮ জুন, ১৭ জুন ও ১৯ জুন (২০২৫ তারিখে)। অথচ হাসানুল হক ইনুর সঙ্গে শেখ হাসিনার ওই কথোপকথন সর্বপ্রথম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় ২০২৫ সালের ১৭ অগাস্ট।’
সাক্ষীর দেয়া সময়ের ব্যবধান তুলে ধরে আসামিপক্ষের আইনজীবী ট্রাইব্যুনালকে বলেন, ‘এটি থেকেই প্রমাণিত হয়, এই সাক্ষীরা তদন্তকারী কর্মকর্তার শেখানো বক্তব্য দিয়েছেন এবং তাদের সাক্ষ্য কোনোভাবেই বিশ্বাস করার সুযোগ নেই।’

সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের সাক্ষীদের জবানবন্দি ও তথ্যপ্রমাণের মধ্যে ‘পরস্পরবিরোধী’ বক্তব্য রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে আসামিপক্ষ। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ সপ্তম দিনের যুক্তিতর্কে এসব অভিযোগ করেন ইনুর আইনজীবী ও সাবেক বিচারপতি মনসুরুল হক।
শেখ হাসিনার সঙ্গে ইনুর ফোনালাপ ফাঁসের দুই মাস আগেই সাক্ষীরা তা শুনেছেন বলে জবানবন্দি দেওয়ায়, তারা ‘তদন্ত কর্মকর্তার শেখানোমতে’ সাক্ষ্য দিয়েছেন বলে ট্রাইব্যুনালে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন।
সোমবার (৪ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী ও সদস্য অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে এই যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়।
আসামিপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও সাবেক বিচারপতি মনসুরুল হক চৌধুরী। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মো. সুলতান মাহমুদ সিমন, অ্যাডভোকেট মো. আবুল হাসান এবং ব্যারিস্টার সিফাত মাহমুদ।
আসামিপক্ষের আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী ট্রাইব্যুনালকে বলেন, প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত ১০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১, ৬, ৭ ও ৮ নম্বর সাক্ষী ছাড়া বাকি সবাই ফরমাল বা অফিশিয়াল সাক্ষী। এর মধ্যে ৭ নম্বর সাক্ষী হাসানুল হক ইনুর বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেননি, যে কারণে আসামিপক্ষ তাকে জেরাও করেনি। বাকি তিনজন, অর্থাৎ ১, ৬ ও ৮ নম্বর সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে যে বক্তব্য দিয়েছেন এবং প্রসিকিউশন যেসব দালিলিক ও ডিজিটাল প্রমাণ উপস্থাপন করেছে, তা সম্পূর্ণ ‘পরস্পরবিরোধী’।
আইনজীবী মনসুরুল হক বলেন, ‘১ নম্বর সাক্ষী বলেছেন, হাসানুল হক ইনু ২০২৪ সালের নির্বাচনে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। অথচ তিনি ২০২৪ সালে এমপি নির্বাচিত হননি, যা তদন্তকারী কর্মকর্তাও জেরায় স্বীকার করেছেন।’
৬ নম্বর সাক্ষী তার জেরায় বলেছেন, তিনি ‘মিরর নাউ’ চ্যানেলে হাসানুল হক ইনুর সাক্ষাৎকার নিজে শুনেছেন এবং সেটি বাংলায় ছিল। অথচ প্রসিকিউশন ট্রাইব্যুনালে যে সাক্ষাৎকারটি প্রদর্শন করেছে, তা পুরোটাই ইংরেজি ভাষার।
আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল শেখ হাসিনার সঙ্গে ইনুর ফোনালাপের বিষয়টি।
অ্যাডভোকেট মনসুরুল হক বলেন, ‘এই তিন সাক্ষীই ট্রাইব্যুনালে বলেছেন যে তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাসানুল হক ইনুর সঙ্গে শেখ হাসিনার কথোপকথন শুনেছেন। তারা একই কথা তদন্তকারী কর্মকর্তাকেও বলেছিলেন। তদন্ত কর্মকর্তা ১, ৬ ও ৮ নম্বর সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করেন যথাক্রমে ১৮ জুন, ১৭ জুন ও ১৯ জুন (২০২৫ তারিখে)। অথচ হাসানুল হক ইনুর সঙ্গে শেখ হাসিনার ওই কথোপকথন সর্বপ্রথম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় ২০২৫ সালের ১৭ অগাস্ট।’
সাক্ষীর দেয়া সময়ের ব্যবধান তুলে ধরে আসামিপক্ষের আইনজীবী ট্রাইব্যুনালকে বলেন, ‘এটি থেকেই প্রমাণিত হয়, এই সাক্ষীরা তদন্তকারী কর্মকর্তার শেখানো বক্তব্য দিয়েছেন এবং তাদের সাক্ষ্য কোনোভাবেই বিশ্বাস করার সুযোগ নেই।’

৫৪ বছরের বঞ্চনার অবসান ও স্থায়ী পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন উর্দুভাষী বাংলাদেশিরা। সোমবার (৪ মে) রাজধানীতে এক মিডিয়া অ্যাডভোকেসিতে আইনি অধিকার ও জীবনমান উন্নয়নের দাবি জানান তারা।
১৭ মিনিট আগে
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের নিয়মিত অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত মোট ৭৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
৪৪ মিনিট আগে
কক্সবাজারের টেকনাফে বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদকও আগ্নেয়াস্ত্র জব্দ করেছে নৌবাহিনী। অভিযানে একাধিক মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
সড়ক ও পশুর হাটে চাঁদাবাজিকে অপরাধ উল্লেখ করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল ইসলাম।
২ ঘণ্টা আগে