স্ট্রিম সংবাদদাতা

নওগাঁয় আমের মৌসুমের শুরু থেকেই মিলছে না আশানুরূপ দাম। জমি ও গাছ পরিচর্যা, শ্রমিকের মজুরি, পরিবহন ও প্যাকেজিং খরচ বাড়লেও সেই হিসাবে বাড়েনি আমের দাম। এতে লাভের পরিমাণ নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ছে বাগানিদের।
কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালে জেলায় আমবাগান ছিল মাত্র ৬ হাজার ২৬৮ হেক্টর জমিতে। লাভজনক হওয়ায় বর্তমানে এর পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার ৩১০ হেক্টরে। মাত্র এক দশকে প্রায় পাঁচ গুণ বেড়েছে আমের আবাদ। চলতি মৌসুমে এসব বাগান থেকে আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৪ লাখ ২২ হাজার টন। এই আমকে কেন্দ্র করে মৌসুমজুড়ে হাজার হাজার শ্রমিক, পরিবহনকর্মী, আড়তদার, ব্যবসায়ী ও প্যাকেজিং কর্মীর কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয় বলে জানিয়েছেন আম চাষিরা।
জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, চলতি বছরের ২ মে থেকে জেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে আম সংগ্রহ শুরু হয়। এরপর ধাপে ধাপে বাজারে উঠতে থাকে গুটি, হিমসাগর, নাগ ফজলি, আম্রপালি, ন্যাংড়া, খিরসাপাত, ব্যানানা ম্যাঙ্গোসহ নানা জাতের আম। স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেও পাঠানো হচ্ছে এসব আম।
বর্তমানে জেলার সবচেয়ে বড় আমের মোকামগুলোর একটি সাপাহারে প্রতিদিন ভোর থেকে শুরু হচ্ছে কেনাবেচা। দূর-দূরান্ত থেকে চাষিরা তাদের বাগানের আম নিয়ে আসছেন মোকামে। তবে বাজারে আমের সরবরাহ বাড়লেও দাম নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে অনেকের। বাজারে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা মণ দরে বিক্রি হচ্ছে আম।

চাষিদের হিসাবে, এক বিঘা মাঝারি আকারের বাগানে সাধারণত ৪০ থেকে ৫০ মণ আম উৎপাদন হয়। জমির ইজারা, সার, কীটনাশক, সেচ, শ্রমিক মজুরি, পরিবহন ও প্যাকেজিং খরচ বেড়ে যাওয়ায় বিঘায় উৎপাদন ব্যয় গিয়ে ঠেকেছে ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকায়। সেই হিসেবে প্রতি মণ আম উৎপাদন ব্যয় হচ্ছে ১ হাজার ৪০০ টাকা থেকে প্রায় ২ হাজার টাকা। বর্তমানে প্রতি মণ আম বাগান থেকে মোকামে পৌঁছাতে গড়ে ৩২ থেকে ৩৪ টাকা ব্যয় হচ্ছে। এতে প্রতি মণ আম ১ হাজার ৫০০ টাকার নিচে বিক্রি হলে অনেক ক্ষেত্রেই লাভ পাওয়া সম্ভব হয় না।
সাপাহার উপজেলার কলমুডাঙ্গা গ্রামের আমচাষি মোজাম্মেল হোসেন জানান, দুই বিঘা জমিতে তার আম্রপালির বাগান রয়েছে। প্রতিটি বিঘায় ব্যয় হয়েছে ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা। ফলন ভালো হলেও বর্তমান বাজারদর নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট নন। তার আশা, মৌসুমের মাঝামাঝি সময়ে বাজারে চাহিদা বাড়লে দামও বাড়বে।
একই উপজেলার আরেক চাষি রফিকুল ইসলাম বলেন, এ বছর অনেক গাছে আমের পরিমাণ তুলনামূলক কম। গত বছর মৌসুমের শুরুতেই আম্রপালি অনেক বেশি দামে বিক্রি হয়েছিল। এবার দাম কম থাকায় উৎপাদন ব্যয় ওঠানো নিয়েই শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তিন বিঘা জমিতে নাগ ফজলি চাষ করেছেন বদলগাছী উপজেলার আমচাষি এস এম মোস্তাকিম। তার মতে, বর্তমান বাজারদরে খুব বেশি লাভের সুযোগ নেই। তবে মৌসুমের শেষ দিকে দাম কিছুটা বাড়লে পরিস্থিতি পরিবর্তন হতে পারে।
দাম নিয়ে চাষিদের উদ্বেগের মধ্যেও আশার জায়গা হয়ে উঠছে রপ্তানি। আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের আমের চাহিদা ধীরে ধীরে বাড়ছে। রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদনের লক্ষ্যে চলতি মৌসুমে জেলার ১৮৬ হেক্টর জমিতে আম্রপালি, ব্যানানা ম্যাংগো ও গৌড়মতি জাতের প্রায় ১ কোটি ১১ লাখের বেশি আমে ফ্রুট ব্যাগিং করা হয়েছে। এই পদ্ধতিতে উৎপাদিত আম তুলনামূলক নিরাপদ ও আকর্ষণীয় হওয়ায় বিদেশি বাজারে বেশি গ্রহণযোগ্যতা পায়।
গত বছর জেলার সাপাহার ও পোরশা উপজেলা থেকে বিভিন্ন রপ্তানিকারকের মাধ্যমে ২৮৪ টন আম মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়েছিল। কৃষি সংশ্লিষ্টদের ধারণা, সঠিক পরিকল্পনা ও বাজার সম্প্রসারণের মাধ্যমে এই পরিমাণ কয়েক গুণ বাড়ানো সম্ভব।
সাপাহার উপজেলা আম আড়তদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইমাম হোসেন বলেন, নওগাঁর আম শুধু একটি কৃষিপণ্য নয়, এটি জেলার অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। প্রতি বছর মৌসুমজুড়ে কয়েক হাজার কোটি টাকার আম কেনাবেচা হয়। কিন্তু উৎপাদন ব্যয়ের লাগামহীন বৃদ্ধি এবং বাজারে দামের অস্থিরতা কৃষকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আম ব্যবসায়ীরা বলছেন, আম সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং রপ্তানি ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক করা গেলে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাবেন। একই সঙ্গে আমভিত্তিক শিল্প গড়ে উঠলে মৌসুমি এই ফলকে কেন্দ্র করে সারা বছর অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হবে।
নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মনজুর রহমান বলেন, নওগাঁর আম শিল্পের সামনে সম্ভাবনার দুয়ার এখনো অনেকটাই উন্মুক্ত। নিরাপদ আম উৎপাদন, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশাধিকার বাড়াতে পারলে দেশের এই বৃহৎ আম উৎপাদন অঞ্চল আরও সমৃদ্ধ হবে।

নওগাঁয় আমের মৌসুমের শুরু থেকেই মিলছে না আশানুরূপ দাম। জমি ও গাছ পরিচর্যা, শ্রমিকের মজুরি, পরিবহন ও প্যাকেজিং খরচ বাড়লেও সেই হিসাবে বাড়েনি আমের দাম। এতে লাভের পরিমাণ নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ছে বাগানিদের।
কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালে জেলায় আমবাগান ছিল মাত্র ৬ হাজার ২৬৮ হেক্টর জমিতে। লাভজনক হওয়ায় বর্তমানে এর পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার ৩১০ হেক্টরে। মাত্র এক দশকে প্রায় পাঁচ গুণ বেড়েছে আমের আবাদ। চলতি মৌসুমে এসব বাগান থেকে আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৪ লাখ ২২ হাজার টন। এই আমকে কেন্দ্র করে মৌসুমজুড়ে হাজার হাজার শ্রমিক, পরিবহনকর্মী, আড়তদার, ব্যবসায়ী ও প্যাকেজিং কর্মীর কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয় বলে জানিয়েছেন আম চাষিরা।
জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, চলতি বছরের ২ মে থেকে জেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে আম সংগ্রহ শুরু হয়। এরপর ধাপে ধাপে বাজারে উঠতে থাকে গুটি, হিমসাগর, নাগ ফজলি, আম্রপালি, ন্যাংড়া, খিরসাপাত, ব্যানানা ম্যাঙ্গোসহ নানা জাতের আম। স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেও পাঠানো হচ্ছে এসব আম।
বর্তমানে জেলার সবচেয়ে বড় আমের মোকামগুলোর একটি সাপাহারে প্রতিদিন ভোর থেকে শুরু হচ্ছে কেনাবেচা। দূর-দূরান্ত থেকে চাষিরা তাদের বাগানের আম নিয়ে আসছেন মোকামে। তবে বাজারে আমের সরবরাহ বাড়লেও দাম নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে অনেকের। বাজারে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা মণ দরে বিক্রি হচ্ছে আম।

চাষিদের হিসাবে, এক বিঘা মাঝারি আকারের বাগানে সাধারণত ৪০ থেকে ৫০ মণ আম উৎপাদন হয়। জমির ইজারা, সার, কীটনাশক, সেচ, শ্রমিক মজুরি, পরিবহন ও প্যাকেজিং খরচ বেড়ে যাওয়ায় বিঘায় উৎপাদন ব্যয় গিয়ে ঠেকেছে ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকায়। সেই হিসেবে প্রতি মণ আম উৎপাদন ব্যয় হচ্ছে ১ হাজার ৪০০ টাকা থেকে প্রায় ২ হাজার টাকা। বর্তমানে প্রতি মণ আম বাগান থেকে মোকামে পৌঁছাতে গড়ে ৩২ থেকে ৩৪ টাকা ব্যয় হচ্ছে। এতে প্রতি মণ আম ১ হাজার ৫০০ টাকার নিচে বিক্রি হলে অনেক ক্ষেত্রেই লাভ পাওয়া সম্ভব হয় না।
সাপাহার উপজেলার কলমুডাঙ্গা গ্রামের আমচাষি মোজাম্মেল হোসেন জানান, দুই বিঘা জমিতে তার আম্রপালির বাগান রয়েছে। প্রতিটি বিঘায় ব্যয় হয়েছে ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা। ফলন ভালো হলেও বর্তমান বাজারদর নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট নন। তার আশা, মৌসুমের মাঝামাঝি সময়ে বাজারে চাহিদা বাড়লে দামও বাড়বে।
একই উপজেলার আরেক চাষি রফিকুল ইসলাম বলেন, এ বছর অনেক গাছে আমের পরিমাণ তুলনামূলক কম। গত বছর মৌসুমের শুরুতেই আম্রপালি অনেক বেশি দামে বিক্রি হয়েছিল। এবার দাম কম থাকায় উৎপাদন ব্যয় ওঠানো নিয়েই শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তিন বিঘা জমিতে নাগ ফজলি চাষ করেছেন বদলগাছী উপজেলার আমচাষি এস এম মোস্তাকিম। তার মতে, বর্তমান বাজারদরে খুব বেশি লাভের সুযোগ নেই। তবে মৌসুমের শেষ দিকে দাম কিছুটা বাড়লে পরিস্থিতি পরিবর্তন হতে পারে।
দাম নিয়ে চাষিদের উদ্বেগের মধ্যেও আশার জায়গা হয়ে উঠছে রপ্তানি। আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের আমের চাহিদা ধীরে ধীরে বাড়ছে। রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদনের লক্ষ্যে চলতি মৌসুমে জেলার ১৮৬ হেক্টর জমিতে আম্রপালি, ব্যানানা ম্যাংগো ও গৌড়মতি জাতের প্রায় ১ কোটি ১১ লাখের বেশি আমে ফ্রুট ব্যাগিং করা হয়েছে। এই পদ্ধতিতে উৎপাদিত আম তুলনামূলক নিরাপদ ও আকর্ষণীয় হওয়ায় বিদেশি বাজারে বেশি গ্রহণযোগ্যতা পায়।
গত বছর জেলার সাপাহার ও পোরশা উপজেলা থেকে বিভিন্ন রপ্তানিকারকের মাধ্যমে ২৮৪ টন আম মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়েছিল। কৃষি সংশ্লিষ্টদের ধারণা, সঠিক পরিকল্পনা ও বাজার সম্প্রসারণের মাধ্যমে এই পরিমাণ কয়েক গুণ বাড়ানো সম্ভব।
সাপাহার উপজেলা আম আড়তদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইমাম হোসেন বলেন, নওগাঁর আম শুধু একটি কৃষিপণ্য নয়, এটি জেলার অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। প্রতি বছর মৌসুমজুড়ে কয়েক হাজার কোটি টাকার আম কেনাবেচা হয়। কিন্তু উৎপাদন ব্যয়ের লাগামহীন বৃদ্ধি এবং বাজারে দামের অস্থিরতা কৃষকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আম ব্যবসায়ীরা বলছেন, আম সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং রপ্তানি ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক করা গেলে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাবেন। একই সঙ্গে আমভিত্তিক শিল্প গড়ে উঠলে মৌসুমি এই ফলকে কেন্দ্র করে সারা বছর অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হবে।
নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মনজুর রহমান বলেন, নওগাঁর আম শিল্পের সামনে সম্ভাবনার দুয়ার এখনো অনেকটাই উন্মুক্ত। নিরাপদ আম উৎপাদন, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশাধিকার বাড়াতে পারলে দেশের এই বৃহৎ আম উৎপাদন অঞ্চল আরও সমৃদ্ধ হবে।
.png)

২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন যাচাই-বাছাই শেষে এ ঘোষণা দেন। এ সময় বিএনপির
১ ঘণ্টা আগে
মৌলভীবাজারে চলমান লোডশেডিংয়ে ৯৩টি চা বাগানের উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় চা পাতা প্রক্রিয়াজাত করতে পারছেন না শ্রমিকেরা। এতে উৎপাদন কমে ক্ষতির মুখে পড়ছেন বাগান মালিকেরা।
২ ঘণ্টা আগে
খুলনার রূপসায় জয় ঢালীকে (২৭) কুপিয়ে ও গলাকেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (১৫ আগস্ট) রাত সোয়া ৯টার দিকে উপজেলার আইচগাতি ইউনিয়নের দুর্জনী মহল গ্রামে একটি চায়ের দোকানের সামনে এই ঘটনা ঘটে। জয় ঢালী দুর্জনী মহল গ্রামের বাসিন্দা আক্তার ঢালীর ছেলে। তাঁর একটি ঘের রয়েছে, যেটি নিজেই দেখাশুনা করতেন।
২ ঘণ্টা আগে
বাগেরহাট সদরের কাড়াপাড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে জোয়ারে প্লাবিত হচ্ছে মাজিডাঙ্গা আশ্রয়ণ প্রকল্প। এতে দুর্ভোগে পড়েছে ১৪০ পরিবার। সরেজমিনে দেখা যায়, এই আশ্রয়ণ প্রকল্পের সড়ক, বসতঘর, রান্নাঘর ও মসজিদ জোয়ারের পানিতে তলিয়ে রয়েছে। কাদাপানিতে চলাচল করছেন বাসিন্দারা।
৩ ঘণ্টা আগে