পুলিশ পদকের বিতর্ক উড়িয়ে তদন্ত চলছে বললেন আইজিপি

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

মঙ্গলবার রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে আইজি ব্যাজ, শিল্ড প্যারেড, অস্ত্র-মাদক উদ্ধারের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে আইজিপি আলী হোসেন ফকির। ছবি: সংগৃহীত

পুলিশের বিপিএম ও পিপিএম পদক শেষমুহূর্তে স্থগিত হওয়ার পেছনে কোনো বিতর্ক নেই দাবি করলেও এ নিয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন বাহিনীর মহাপরিচালক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির। তিনি বলেছেন, ‘আসলে কোনো বিষয়ে কোনো বিতর্ক নাই। এগুলোর পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত চলছে। আপনারা ভবিষ্যতে দেখতে পারবেন।’

পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে মঙ্গলবার (১২ মে) রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে আইজি ব্যাজ, শিল্ড প্যারেড, অস্ত্র-মাদক উদ্ধারের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

গত রোববার উদ্বোধন হওয়া পুলিশ সপ্তাহে ১০৭ সদস্যকে বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম) এবং প্রেসিডেন্ট পুলিশ মেডেল (পিপিএম) দেওয়ার কথা ছিল। তবে অনিবার্য কারণ দেখিয়ে শেষমুহূর্তে ওই পদক দেওয়ার অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়।

এর আগে রাতে (শনিবার) পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) খন্দকার রফিকুল ইসলাম সংবাদ সংস্থা বাসসকে বলেন, এই পদক দিতে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন প্রয়োজন। তিনি দেশের বাইরে যাওয়ায় অনুষ্ঠানটি স্থগিত করা হয়েছে।

তবে পুলিশের একাধিক সূত্র পরে জানায়, পদক তালিকায় বেশ কয়েকজন ‘বিতর্কিত পুলিশ কর্মকর্তার’ নাম আসায় অনুষ্ঠানটি স্থগিত করা হয়েছে।

এরপর থেকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। আজ আইজিপিও মন্তব্য করলেন।

এদিকে, অনুষ্ঠানে আইজিপি আলী হোসেন ফকির বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পেটুয়া বাহিনী হিসেবে ব্যবহার করায় জনবিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল পুলিশ। সেই অবস্থা থেকে অনেকটা ‘ইমেজ’ পুনরুদ্ধার হয়েছে। বাহিনীর শৃঙ্খলাও ফিরে আসছে।

মাদক সমস্যা যুব সমাজ ও জাতির ভবিষ্যতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আইজিপি বলেন, এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পুলিশ সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করছে। পুলিশের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে মাদক সম্পৃক্ততার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় তাকেও ছাড় দেওয়া হবে না।

এই পুরস্কার দায়িত্ববোধ ও পেশাগত উৎকর্ষের প্রতীক জানিয়ে তিনি বলেন, এই অর্জনগুলো আমাদের আরও দায়িত্বশীল ও অনুপ্রাণিত করবে বলে বিশ্বাস করি। প্রত্যাশা করি, আজ যারা সম্মাননা পাচ্ছেন তারা আগামী দিনে আরও নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন।

সম্পর্কিত