স্থানীয় সরকার নির্বাচন
তৌফিক হাসান

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপে বসতে চায় না নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির মতে, সংলাপে বসার মধ্য দিয়ে শুধু সময় নষ্ট হয়, কোনো ফলপ্রসূ কাজ হয় না। তবে রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করেন, মুখোমুখি সংলাপের মাধ্যমে সব বিষয়ে স্বচ্ছতা তৈরি হয়। তাই স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আগে ইসির অবশ্যই অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপে বসা উচিত।
আগামী অক্টোবর-নভেম্বর মাস থেকে শুরু হতে যাচ্ছে চার ধাপের স্থানীয় সরকার নির্বাচন। এই নির্বাচনের আইন থেকে শুরু করে সব ধরনের প্রক্রিয়া নিয়ে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। সে কাজের ধারাবাহিকতায় উঠে এসেছে নির্বাচনের সব অংশীজনের সঙ্গে সংলাপের বিষয়টি। তবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো এবারও এই সংলাপের মধ্যে পুরো এক মাস কাটাতে চায় না ইসি। তারা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সব তথ্য প্রকাশ করতে চায় এবং সেই ওয়েবসাইটেই রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের মন্তব্য চায়। এর ফলে সময় অনেকখানি সাশ্রয় হবে বলে মনে করছেন কমিশনাররা।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ স্ট্রিমকে বলেন, 'স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে কোনো সংলাপে বসব না। আমরা ওয়েবসাইটে সব তথ্য দিয়ে দেব, সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেব। তারা ১৫ জুনের মধ্যে কোনো মতামত থাকলে ওয়েবসাইটে জানিয়ে দেবে। কারণ, সংলাপ করে কোনো লাভ হয় না, শুধু সময় নষ্ট হয়। তারা নিজেরাও অনেক কিছু বুঝতে পারে না, আমরাও বোঝাতে পারি না। এ ছাড়া এবার সংলাপে বসার মতো তেমন কোনো বিষয় নেই। শুধুমাত্র পোস্টারের বিষয় ছিল, সেটিও আমরা চূড়ান্ত করে ফেলেছি।'
নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইটে দেওয়া ফর্মূলাতে গেলেও রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের মতে, সংলাপের বিকল্প ওয়েবসাইট হতে পারে না। কারণ, ওয়েবসাইটে সব বিষয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যাবে না, যা মুখোমুখি সংলাপের মাধ্যমে করা সম্ভব।
এ বিষয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্য সচিব ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য তাসিন রিয়াজ স্ট্রিমকে বলেন, 'সংলাপ হলে অনেক বিষয়ে স্বচ্ছতা তৈরি হয়। এজন্য আমরা বলব শুধু রাজনৈতিক দল নয়, সব অংশীজনদের সঙ্গে ইসির সরাসরি সংলাপ হতে হবে। যেহেতু জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেশ কিছু জায়গায় বিতর্ক ছিল, সেহেতু স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আগে হেড-টু-হেড ডিসকাশন বা ওয়ান-টু-ওয়ান পার্টি টু ইসির কমিউনিকেশন না হলে তা পূর্ণতা পাবে না।'
তিনি আরও বলেন, 'ইসির ওয়েবসাইটে তথ্য দিয়ে দেওয়ার প্রস্তাবনা সব কিছুর স্বচ্ছতা তৈরি করবে না। এর ফলে একসঙ্গে বসতে হবে এবং সেই বসাটা অনেক বেশি জরুরি।'
একই কথা জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের স্ট্রিমকে বলেন, 'জাতীয় নির্বাচনের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনও খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা নির্বাচন। যেখানে বাংলাদেশের ইতিহাসের সব পর্যায়ে নির্বাচনগুলো হবে। সিটি করপোরেশন, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পরিষদ। সুতরাং, এখানে নীতি-পদ্ধতি শুধু ওয়েবসাইটে দিলেই তো হবে না। অবশ্যই এটা নিয়ে সরাসরি কথা বলা উচিত, আলোচনা করা উচিত। এ ছাড়া জাতীয় নির্বাচনে যে সমস্ত অব্যবস্থাপনাগুলো ছিল, এটা যাতে স্থানীয় নির্বাচনে না হয়, এটা নিয়েই তো তাঁদের কথা বলা উচিত। আমরা মনে করি যে, যেহেতু অনেক সময় এখনও আছে সেহেতু রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে তাঁরা আলোচনা করতে পারেন।'
তবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান মনে করেন, যেহেতু নির্বাচন কমিশন স্বাধীন প্রতিষ্ঠান, সেহেতু তার ওপর কথা বলার অধিকার রাজনৈতিক দলগুলোর নেই। তবে তিনিও সংলাপের পক্ষে মত দিয়েছেন। স্ট্রিমকে তিনি বলেন, 'এটা তো পুরোপুরি নির্বাচন কমিশনের বিষয়। তারা পুরোপুরি স্বাধীন। তাদের ওপর আমরা কোনো কথা বলতে পারি না। তবে সংলাপ হলে ভালো, তাহলে অনেক বিষয়ে স্বচ্ছতা তৈরি হয়। এখন তারা যদি ওয়েবসাইটেও মন্তব্য দেখে সংলাপে ডাকে, সেটাও হতে পারে।'
এদিকে নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া কোনো প্রস্তাবনাই রাখা হয়নি জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার স্ট্রিমকে বলেন, 'নির্বাচন কমিশনকে যে আমরা কতগুলো গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের প্রস্তাব করেছিলাম, নির্বাচন কমিশন তার কোনোটিই করেনি। কারণ, তাদের এসব বিষয়ে কোনো আগ্রহ নেই। যার ফলে নির্বাচনটা যে রকম সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হতে পারত, নির্বাচনের ব্যাপারে আস্থাশীল হতে পারত মানুষ, সেটা সম্ভবপর হয়নি। আর যারা এর ব্যাপারে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন, তাদের সঙ্গে কথা বলাটাই তো স্বাভাবিক। এটাই হলো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অন্যতম বৈশিষ্ট্য—সবার সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করা, সবার মতামত নেওয়া।'
তফসিল হতে পারে আগস্টে
সিটি করপোরেশন, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীন। ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে ৪ হাজার ৫৮১টি। এ ছাড়া ৩৩০টি পৌরসভা, ৪৯৫টি উপজেলা এবং নতুন করে গঠিত বগুড়াসহ ১৩টি সিটি করপোরেশন রয়েছে। তবে এ চারটির মধ্যে কোনটি আগে শুরু হবে, তা এখনো ঠিক করেনি কমিশন।
আগামী অক্টোবর থেকে যেকোনো একটির মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করতে চায় নির্বাচন কমিশন। এর ফলে সেই নির্বাচনের তফসিল নিয়ম অনুযায়ী দুই মাস আগে অর্থাৎ আগস্ট মাসে দিতে চায় কমিশন। তবে এখনো এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।
স্ট্রিমকে তিনি বলেন, 'অক্টোবর তো ভোট শুরু হয়েই যাবে। এখন সে হিসাব করলে আগস্টে তফসিল হতে পারে।' এ সময় তিনি আরও বলেন, 'ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন না করলে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন করা যাবে না। কারণ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা এক্স-অফিসিও মেম্বার অব উপজেলা পরিষদ। এই কারণে নিয়ম অনুযায়ী আগে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। এটাই বাস্তবতা। তবে সিটি করপোরেশনের নির্বাচন করা যাবে।'
আচরণবিধিতে আসছে বেশ কিছু সংশোধন
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আচরণবিধিতে বেশ কিছু সংশোধন আসছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। স্ট্রিমকে তিনি বলেন, 'এবার নির্বাচনে প্রার্থীদের জামানত জমা দেওয়ার সীমা বাড়বে। অনলাইনে মনোনয়ন জমা দেওয়া যাবে না। স্বতন্ত্র প্রার্থীর ১ শতাংশ সমর্থনের বিধান থাকছে না। পোস্টার থাকছে না। ইভিএমের ব্যবহার থাকছে না। পোস্টাল ব্যালটে ভোটদান থাকছে না।'
তিনি আরও বলেন, 'স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলোতে প্রার্থীদের হলফনামায় আলাদা কোনো অঙ্গীকারনামা থাকবে না। হলফনামায় ফরমের সঙ্গে একটা ঘোষণাপত্র থাকবে। প্রার্থী আচরণবিধি মেনে চলবেন—ঘোষণাপত্রে এমন একটি লাইন যুক্ত হবে।'

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপে বসতে চায় না নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির মতে, সংলাপে বসার মধ্য দিয়ে শুধু সময় নষ্ট হয়, কোনো ফলপ্রসূ কাজ হয় না। তবে রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করেন, মুখোমুখি সংলাপের মাধ্যমে সব বিষয়ে স্বচ্ছতা তৈরি হয়। তাই স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আগে ইসির অবশ্যই অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপে বসা উচিত।
আগামী অক্টোবর-নভেম্বর মাস থেকে শুরু হতে যাচ্ছে চার ধাপের স্থানীয় সরকার নির্বাচন। এই নির্বাচনের আইন থেকে শুরু করে সব ধরনের প্রক্রিয়া নিয়ে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। সে কাজের ধারাবাহিকতায় উঠে এসেছে নির্বাচনের সব অংশীজনের সঙ্গে সংলাপের বিষয়টি। তবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো এবারও এই সংলাপের মধ্যে পুরো এক মাস কাটাতে চায় না ইসি। তারা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সব তথ্য প্রকাশ করতে চায় এবং সেই ওয়েবসাইটেই রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের মন্তব্য চায়। এর ফলে সময় অনেকখানি সাশ্রয় হবে বলে মনে করছেন কমিশনাররা।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ স্ট্রিমকে বলেন, 'স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে কোনো সংলাপে বসব না। আমরা ওয়েবসাইটে সব তথ্য দিয়ে দেব, সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেব। তারা ১৫ জুনের মধ্যে কোনো মতামত থাকলে ওয়েবসাইটে জানিয়ে দেবে। কারণ, সংলাপ করে কোনো লাভ হয় না, শুধু সময় নষ্ট হয়। তারা নিজেরাও অনেক কিছু বুঝতে পারে না, আমরাও বোঝাতে পারি না। এ ছাড়া এবার সংলাপে বসার মতো তেমন কোনো বিষয় নেই। শুধুমাত্র পোস্টারের বিষয় ছিল, সেটিও আমরা চূড়ান্ত করে ফেলেছি।'
নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইটে দেওয়া ফর্মূলাতে গেলেও রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের মতে, সংলাপের বিকল্প ওয়েবসাইট হতে পারে না। কারণ, ওয়েবসাইটে সব বিষয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যাবে না, যা মুখোমুখি সংলাপের মাধ্যমে করা সম্ভব।
এ বিষয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্য সচিব ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য তাসিন রিয়াজ স্ট্রিমকে বলেন, 'সংলাপ হলে অনেক বিষয়ে স্বচ্ছতা তৈরি হয়। এজন্য আমরা বলব শুধু রাজনৈতিক দল নয়, সব অংশীজনদের সঙ্গে ইসির সরাসরি সংলাপ হতে হবে। যেহেতু জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেশ কিছু জায়গায় বিতর্ক ছিল, সেহেতু স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আগে হেড-টু-হেড ডিসকাশন বা ওয়ান-টু-ওয়ান পার্টি টু ইসির কমিউনিকেশন না হলে তা পূর্ণতা পাবে না।'
তিনি আরও বলেন, 'ইসির ওয়েবসাইটে তথ্য দিয়ে দেওয়ার প্রস্তাবনা সব কিছুর স্বচ্ছতা তৈরি করবে না। এর ফলে একসঙ্গে বসতে হবে এবং সেই বসাটা অনেক বেশি জরুরি।'
একই কথা জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের স্ট্রিমকে বলেন, 'জাতীয় নির্বাচনের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনও খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা নির্বাচন। যেখানে বাংলাদেশের ইতিহাসের সব পর্যায়ে নির্বাচনগুলো হবে। সিটি করপোরেশন, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পরিষদ। সুতরাং, এখানে নীতি-পদ্ধতি শুধু ওয়েবসাইটে দিলেই তো হবে না। অবশ্যই এটা নিয়ে সরাসরি কথা বলা উচিত, আলোচনা করা উচিত। এ ছাড়া জাতীয় নির্বাচনে যে সমস্ত অব্যবস্থাপনাগুলো ছিল, এটা যাতে স্থানীয় নির্বাচনে না হয়, এটা নিয়েই তো তাঁদের কথা বলা উচিত। আমরা মনে করি যে, যেহেতু অনেক সময় এখনও আছে সেহেতু রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে তাঁরা আলোচনা করতে পারেন।'
তবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান মনে করেন, যেহেতু নির্বাচন কমিশন স্বাধীন প্রতিষ্ঠান, সেহেতু তার ওপর কথা বলার অধিকার রাজনৈতিক দলগুলোর নেই। তবে তিনিও সংলাপের পক্ষে মত দিয়েছেন। স্ট্রিমকে তিনি বলেন, 'এটা তো পুরোপুরি নির্বাচন কমিশনের বিষয়। তারা পুরোপুরি স্বাধীন। তাদের ওপর আমরা কোনো কথা বলতে পারি না। তবে সংলাপ হলে ভালো, তাহলে অনেক বিষয়ে স্বচ্ছতা তৈরি হয়। এখন তারা যদি ওয়েবসাইটেও মন্তব্য দেখে সংলাপে ডাকে, সেটাও হতে পারে।'
এদিকে নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া কোনো প্রস্তাবনাই রাখা হয়নি জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার স্ট্রিমকে বলেন, 'নির্বাচন কমিশনকে যে আমরা কতগুলো গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের প্রস্তাব করেছিলাম, নির্বাচন কমিশন তার কোনোটিই করেনি। কারণ, তাদের এসব বিষয়ে কোনো আগ্রহ নেই। যার ফলে নির্বাচনটা যে রকম সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হতে পারত, নির্বাচনের ব্যাপারে আস্থাশীল হতে পারত মানুষ, সেটা সম্ভবপর হয়নি। আর যারা এর ব্যাপারে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন, তাদের সঙ্গে কথা বলাটাই তো স্বাভাবিক। এটাই হলো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অন্যতম বৈশিষ্ট্য—সবার সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করা, সবার মতামত নেওয়া।'
তফসিল হতে পারে আগস্টে
সিটি করপোরেশন, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীন। ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে ৪ হাজার ৫৮১টি। এ ছাড়া ৩৩০টি পৌরসভা, ৪৯৫টি উপজেলা এবং নতুন করে গঠিত বগুড়াসহ ১৩টি সিটি করপোরেশন রয়েছে। তবে এ চারটির মধ্যে কোনটি আগে শুরু হবে, তা এখনো ঠিক করেনি কমিশন।
আগামী অক্টোবর থেকে যেকোনো একটির মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করতে চায় নির্বাচন কমিশন। এর ফলে সেই নির্বাচনের তফসিল নিয়ম অনুযায়ী দুই মাস আগে অর্থাৎ আগস্ট মাসে দিতে চায় কমিশন। তবে এখনো এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।
স্ট্রিমকে তিনি বলেন, 'অক্টোবর তো ভোট শুরু হয়েই যাবে। এখন সে হিসাব করলে আগস্টে তফসিল হতে পারে।' এ সময় তিনি আরও বলেন, 'ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন না করলে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন করা যাবে না। কারণ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা এক্স-অফিসিও মেম্বার অব উপজেলা পরিষদ। এই কারণে নিয়ম অনুযায়ী আগে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। এটাই বাস্তবতা। তবে সিটি করপোরেশনের নির্বাচন করা যাবে।'
আচরণবিধিতে আসছে বেশ কিছু সংশোধন
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আচরণবিধিতে বেশ কিছু সংশোধন আসছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। স্ট্রিমকে তিনি বলেন, 'এবার নির্বাচনে প্রার্থীদের জামানত জমা দেওয়ার সীমা বাড়বে। অনলাইনে মনোনয়ন জমা দেওয়া যাবে না। স্বতন্ত্র প্রার্থীর ১ শতাংশ সমর্থনের বিধান থাকছে না। পোস্টার থাকছে না। ইভিএমের ব্যবহার থাকছে না। পোস্টাল ব্যালটে ভোটদান থাকছে না।'
তিনি আরও বলেন, 'স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলোতে প্রার্থীদের হলফনামায় আলাদা কোনো অঙ্গীকারনামা থাকবে না। হলফনামায় ফরমের সঙ্গে একটা ঘোষণাপত্র থাকবে। প্রার্থী আচরণবিধি মেনে চলবেন—ঘোষণাপত্রে এমন একটি লাইন যুক্ত হবে।'

কর্মক্ষেত্রে দুর্নীতি এবং অসদাচরণের অভিযোগে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কাস্টমস কমিশনারেটের ঢাকা দক্ষিণের রাজস্ব কর্মকর্তা মো. সিরাজুল ইসলামকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বিজয়ী হলেও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে ছুটি নেবেন কি না—এমন প্রশ্নে সরাসরি কোনো জবাব না দিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান সাংবাদিকদের বলেছেন, 'ভাই, এত ব্যস্ত হইয়েন না।'
২ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় গণপিটুনিতে বিল্লাল হোসেন নামে এক রিকশাচালকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বেলা ৩টার দিকে চরখাজুরা গ্রামের ঝিনুক মালা আবাসন প্রকল্পে এই ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে
আসন্ন বাজেটে কোনো প্রশ্ন ছাড়াই কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষিতে গভীর ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
৪ ঘণ্টা আগে