মাহবুবুল আলম তারেক

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১৮ সালে ৩৪ জেলায় সার সংরক্ষণের জন্য ৩৪টি বাফার গুদাম নির্মাণের প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। আড়াই হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্পের পদে পদে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অন্তর্বর্তী সরকার বিদায় নেওয়ার পরও এসব অভিযোগের সুরাহা হয়নি। উল্টো অনিয়মে জড়িতদের দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
নিরবচ্ছিন্ন সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) প্রকল্পটি নিয়েছিল। কিন্তু ভূমি অধিগ্রহণ থেকে শুরু করে সন্দেহজনকভাবে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো—সব মিলে প্রকল্পের নানা অনিয়ম বারবার সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছে।
প্রকল্প কর্মকর্তাদের মতে, ২০২৪ সালের ৯ জানুয়ারি থেকে প্রকল্প পরিচালকের (পিডি) দায়িত্বে থাকা মনজুরুল হকের পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ দিতে গিয়ে নিয়মকানুন উপেক্ষা করা হয়েছে। এমনকি কাজ পাওয়া এক ঠিকাদারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একাধিক মামলা রয়েছে।
গুরুতর অভিযোগগুলোর একটি হলো, ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর মুন্সীগঞ্জ ও মানিকগঞ্জ সাইটের জন্য কোনো ধরনের ড্রয়িং বা নকশা ছাড়াই দরপত্র আহ্বান করা হয়। এসব সাইটের কাজ দেওয়া হয় ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্সকে (এনডিই)।
গত বছরের ১১ অক্টোবর এনডিই পিডি বরাবর একটি চিঠি পাঠায়। এতে বলা হয়, ২০২৫ সালের এপ্রিলের মধ্যেই তারা জনবল ও যন্ত্রপাতি প্রস্তুত করেছিল। কিন্তু কোনো নকশা না পাওয়ায় কাজ শুরু করতে পারেনি। চুক্তির সাধারণ শর্তাবলীর ৬৭.১(গ) ধারা অনুযায়ী এই বিলম্ব ‘ক্ষতিপূরণযোগ্য’।
মাসের পর মাস নকশা দেওয়া হয়নি। শেষ পর্যন্ত ২০২৫ সালের ১১ সেপ্টেম্বর এনডিই নকশা চেয়ে পিডি মনজুরুলকে আরেকটি চিঠি পাঠায়। স্ট্রিমের কাছে ওই চিঠির একটি কপি রয়েছে।
ড্রয়িং, নকশা যাচাই-বাছাই এবং তদারকির দায়িত্ব পালনের কথা ছিল বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এবং বিসিআইসির সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর। আগের প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে এই পদ্ধতি মানা হয়েছে। কিন্তু এই প্রকল্পে বুয়েটকে বাদ দিয়ে ‘ইনোভেট ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’ নামে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
বিসিআইসির একাধিক সূত্র জানায়, ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক প্রকল্পের এক শীর্ষ কর্মকর্তার ঘনিষ্ঠ। উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে (ডিপিপি) ‘ডাইরেক্ট প্রকিউরমেন্ট মেথড’ (ডিপিএম) বা সরাসরি ক্রয় পদ্ধতির বাধ্যবাধকতা ছিল। তবে ‘ইনোভেট ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’-কে কাজ পাইয়ে দিতে নিয়ম ভেঙে ‘কোয়ালিটি অ্যান্ড কস্ট-বেজড সিলেকশন’ (কিউসিবিএস) পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
মাগুরা, চাঁদপুর, যশোর, নড়াইল, ময়মনসিংহ এবং নেত্রকোনায় গুদাম নির্মাণে ‘সালাম কনস্ট্রাকশন লিমিটেড’ ও ‘অ্যারোনেস ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড’কে যৌথভাবে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে বিমানবন্দর উন্নয়ন প্রকল্প থেকে ৮১২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অ্যারোনেসের পরিচালক লুৎফুল্লাহ মাজেদ ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুব আনামকে চারটি মামলায় আসামি করে দুদক।
৩৪ বাফার গুদাম প্রকল্পের প্যাকেজ ৩-এর লট-০৩-এর দরপত্রের শর্তে আইএসও ৯০০১ সনদের বাধ্যবাধকতা ছিল। অ্যারোনেস এই সনদ ব্যবহারের জন্য ‘মডার্ন স্ট্রাকচার লিমিটেড’-এর সঙ্গে অংশীদ্বারত্ব করে। অথচ পিপিএ নথিপত্র থেকে জানা যায়, মডার্ন স্ট্রাকচার লিমিটেড সরকারি যেকোনো কেনাকাটার ক্ষেত্রে ২০৩৩ সাল পর্যন্ত কালো তালিকাভুক্ত।
স্টিল সামগ্রী প্রস্তুতকারক ও সরবরাহকারীর তথ্য না থাকায় ‘এআইএল-এসসিএল (জেভি)’র কাছে পিপিআর-২০০৮-এর বিধি অনুযায়ী ব্যাখ্যা চাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি।
অভিযোগ উঠেছে, হাসিনা সরকারের পতনের পর ওই বছরের সেপ্টেম্বরে সংশ্লিষ্ট কমিটির অনুমোদন করিয়ে নেন পিডি।
ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্স (এনডিই) এবং মীর আক্তার হোসেন লিমিটেডের ক্ষেত্রেও একই প্যাটার্ন বা ধরন দেখা গেছে। অনিয়মের কারণে শুরুতে তাদের দরপত্র বাতিল হলেও পরে ‘সমঝোতা’য় যথাক্রমে ১২৮ কোটি এবং ১২১ কোটি টাকার চুক্তি পুনরায় বহাল করা হয়।
বিভিন্ন সাইটে কর্মরত উপসহকারী প্রকৌশলীরা স্ট্রিমকে জানিয়েছেন, কাজের অগ্রগতি যাচাই ও বিল ছাড়ের প্রধান রেকর্ড ‘মেজারমেন্ট বুক’ (এমবি) পূরণ বা সই করার অনুমতি তাদের দেওয়া হয় না। এর বদলে পিডির ঘনিষ্ঠ সহযোগী ঢাকার অফিসে বসে সব জেলার পরিমাপ পূরণ করেন।
উত্তরাঞ্চলের একটি সাইটের উপসহকারী প্রকৌশলী বলেন, আমরা বিলে সই করি। কিন্তু এমবি লেখে ঢাকার বড় কর্তারা। তিনি আরও জানান, গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা না বলার জন্য কর্তৃপক্ষ তাঁকে কড়া নির্দেশ দিয়েছে।
যোগাযোগ করা হলে প্রকল্প পরিচালক মনজুরুল বলেন, ‘আমার মেয়াদে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি হয়নি। সব কাজ যে নিয়ম মেনেই হয়েছে, তা প্রমাণের জন্য সব নথিপত্র এবং ব্যাখ্যা রয়েছে।’
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘কৃষিকে অগ্রাধিকার দিতে সরকার কৃষক কার্ড এবং খাল খননের মতো প্রশংসনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও বাফার গুদাম প্রকল্পের দুর্নীতির মূল হোতাদের দায়মুক্তি দেওয়া সম্পূর্ণ স্ববিরোধী।’
তিনি প্রশ্ন রাখেন, ‘আমলাতান্ত্রিক, রাজনৈতিক এবং ব্যবসায়িক স্বার্থের ত্রিমাত্রিক আঁতাত ছাড়া প্রকল্প কর্মকর্তাদের একার পক্ষে এ ধরনের দুর্নীতি অসম্ভব। স্বৈরাচারী চৌর্যতন্ত্রের (ক্লেপ্টোক্রেসি) পতনের পর দুর্নীতিকে সুরক্ষা দেওয়া এবং দায়মুক্তির সংস্কৃতির আদৌ কি কোনো পরিবর্তন এসেছে?’

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১৮ সালে ৩৪ জেলায় সার সংরক্ষণের জন্য ৩৪টি বাফার গুদাম নির্মাণের প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। আড়াই হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্পের পদে পদে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অন্তর্বর্তী সরকার বিদায় নেওয়ার পরও এসব অভিযোগের সুরাহা হয়নি। উল্টো অনিয়মে জড়িতদের দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
নিরবচ্ছিন্ন সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) প্রকল্পটি নিয়েছিল। কিন্তু ভূমি অধিগ্রহণ থেকে শুরু করে সন্দেহজনকভাবে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো—সব মিলে প্রকল্পের নানা অনিয়ম বারবার সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছে।
প্রকল্প কর্মকর্তাদের মতে, ২০২৪ সালের ৯ জানুয়ারি থেকে প্রকল্প পরিচালকের (পিডি) দায়িত্বে থাকা মনজুরুল হকের পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ দিতে গিয়ে নিয়মকানুন উপেক্ষা করা হয়েছে। এমনকি কাজ পাওয়া এক ঠিকাদারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একাধিক মামলা রয়েছে।
গুরুতর অভিযোগগুলোর একটি হলো, ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর মুন্সীগঞ্জ ও মানিকগঞ্জ সাইটের জন্য কোনো ধরনের ড্রয়িং বা নকশা ছাড়াই দরপত্র আহ্বান করা হয়। এসব সাইটের কাজ দেওয়া হয় ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্সকে (এনডিই)।
গত বছরের ১১ অক্টোবর এনডিই পিডি বরাবর একটি চিঠি পাঠায়। এতে বলা হয়, ২০২৫ সালের এপ্রিলের মধ্যেই তারা জনবল ও যন্ত্রপাতি প্রস্তুত করেছিল। কিন্তু কোনো নকশা না পাওয়ায় কাজ শুরু করতে পারেনি। চুক্তির সাধারণ শর্তাবলীর ৬৭.১(গ) ধারা অনুযায়ী এই বিলম্ব ‘ক্ষতিপূরণযোগ্য’।
মাসের পর মাস নকশা দেওয়া হয়নি। শেষ পর্যন্ত ২০২৫ সালের ১১ সেপ্টেম্বর এনডিই নকশা চেয়ে পিডি মনজুরুলকে আরেকটি চিঠি পাঠায়। স্ট্রিমের কাছে ওই চিঠির একটি কপি রয়েছে।
ড্রয়িং, নকশা যাচাই-বাছাই এবং তদারকির দায়িত্ব পালনের কথা ছিল বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এবং বিসিআইসির সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর। আগের প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে এই পদ্ধতি মানা হয়েছে। কিন্তু এই প্রকল্পে বুয়েটকে বাদ দিয়ে ‘ইনোভেট ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’ নামে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
বিসিআইসির একাধিক সূত্র জানায়, ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক প্রকল্পের এক শীর্ষ কর্মকর্তার ঘনিষ্ঠ। উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে (ডিপিপি) ‘ডাইরেক্ট প্রকিউরমেন্ট মেথড’ (ডিপিএম) বা সরাসরি ক্রয় পদ্ধতির বাধ্যবাধকতা ছিল। তবে ‘ইনোভেট ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’-কে কাজ পাইয়ে দিতে নিয়ম ভেঙে ‘কোয়ালিটি অ্যান্ড কস্ট-বেজড সিলেকশন’ (কিউসিবিএস) পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
মাগুরা, চাঁদপুর, যশোর, নড়াইল, ময়মনসিংহ এবং নেত্রকোনায় গুদাম নির্মাণে ‘সালাম কনস্ট্রাকশন লিমিটেড’ ও ‘অ্যারোনেস ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড’কে যৌথভাবে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে বিমানবন্দর উন্নয়ন প্রকল্প থেকে ৮১২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অ্যারোনেসের পরিচালক লুৎফুল্লাহ মাজেদ ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুব আনামকে চারটি মামলায় আসামি করে দুদক।
৩৪ বাফার গুদাম প্রকল্পের প্যাকেজ ৩-এর লট-০৩-এর দরপত্রের শর্তে আইএসও ৯০০১ সনদের বাধ্যবাধকতা ছিল। অ্যারোনেস এই সনদ ব্যবহারের জন্য ‘মডার্ন স্ট্রাকচার লিমিটেড’-এর সঙ্গে অংশীদ্বারত্ব করে। অথচ পিপিএ নথিপত্র থেকে জানা যায়, মডার্ন স্ট্রাকচার লিমিটেড সরকারি যেকোনো কেনাকাটার ক্ষেত্রে ২০৩৩ সাল পর্যন্ত কালো তালিকাভুক্ত।
স্টিল সামগ্রী প্রস্তুতকারক ও সরবরাহকারীর তথ্য না থাকায় ‘এআইএল-এসসিএল (জেভি)’র কাছে পিপিআর-২০০৮-এর বিধি অনুযায়ী ব্যাখ্যা চাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি।
অভিযোগ উঠেছে, হাসিনা সরকারের পতনের পর ওই বছরের সেপ্টেম্বরে সংশ্লিষ্ট কমিটির অনুমোদন করিয়ে নেন পিডি।
ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্স (এনডিই) এবং মীর আক্তার হোসেন লিমিটেডের ক্ষেত্রেও একই প্যাটার্ন বা ধরন দেখা গেছে। অনিয়মের কারণে শুরুতে তাদের দরপত্র বাতিল হলেও পরে ‘সমঝোতা’য় যথাক্রমে ১২৮ কোটি এবং ১২১ কোটি টাকার চুক্তি পুনরায় বহাল করা হয়।
বিভিন্ন সাইটে কর্মরত উপসহকারী প্রকৌশলীরা স্ট্রিমকে জানিয়েছেন, কাজের অগ্রগতি যাচাই ও বিল ছাড়ের প্রধান রেকর্ড ‘মেজারমেন্ট বুক’ (এমবি) পূরণ বা সই করার অনুমতি তাদের দেওয়া হয় না। এর বদলে পিডির ঘনিষ্ঠ সহযোগী ঢাকার অফিসে বসে সব জেলার পরিমাপ পূরণ করেন।
উত্তরাঞ্চলের একটি সাইটের উপসহকারী প্রকৌশলী বলেন, আমরা বিলে সই করি। কিন্তু এমবি লেখে ঢাকার বড় কর্তারা। তিনি আরও জানান, গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা না বলার জন্য কর্তৃপক্ষ তাঁকে কড়া নির্দেশ দিয়েছে।
যোগাযোগ করা হলে প্রকল্প পরিচালক মনজুরুল বলেন, ‘আমার মেয়াদে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি হয়নি। সব কাজ যে নিয়ম মেনেই হয়েছে, তা প্রমাণের জন্য সব নথিপত্র এবং ব্যাখ্যা রয়েছে।’
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘কৃষিকে অগ্রাধিকার দিতে সরকার কৃষক কার্ড এবং খাল খননের মতো প্রশংসনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও বাফার গুদাম প্রকল্পের দুর্নীতির মূল হোতাদের দায়মুক্তি দেওয়া সম্পূর্ণ স্ববিরোধী।’
তিনি প্রশ্ন রাখেন, ‘আমলাতান্ত্রিক, রাজনৈতিক এবং ব্যবসায়িক স্বার্থের ত্রিমাত্রিক আঁতাত ছাড়া প্রকল্প কর্মকর্তাদের একার পক্ষে এ ধরনের দুর্নীতি অসম্ভব। স্বৈরাচারী চৌর্যতন্ত্রের (ক্লেপ্টোক্রেসি) পতনের পর দুর্নীতিকে সুরক্ষা দেওয়া এবং দায়মুক্তির সংস্কৃতির আদৌ কি কোনো পরিবর্তন এসেছে?’
.png)

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় নিখোঁজের ১০ দিন পর উদ্ধার হয়েছে আবু রায়হান তালুকদার (৪০) নামে এক ব্যক্তির খণ্ডিত মরদেহ। রোববার (২ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নের সোয়াইতপুর উত্তরপাড়া গ্রামে পরিত্যক্ত একটি পুকুর থেকে তিনটি ট্রাভেল ব্যাগ ও একটি বস্তাভর্তি অবস্থায় নিহতের শরীরের খণ্ডিত অংশ উদ্বার করে পুল
১ ঘণ্টা আগে
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার দুর্গাসাগর দিঘির হরিণশালা থেকে হরিণ চুরির ঘটনায় এক বছর পর দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত হওয়ার পর গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। হরিণটি জবাই করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তদন্তে এই বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে
শেখ হাসিনার সরকার জাতীয় সম্পদ লুণ্ঠনে মার্কিন কোম্পানির সঙ্গে বোঝাপড়া করছিল। বর্তমান সরকারের মধ্যেও একই চিন্তাধারা দেখা যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থনীতিবিদ ও লেখক আনু মুহাম্মদ।
২ ঘণ্টা আগে
লাইসেন্স হালনাগাদ না থাকাসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে দুটি বেসরকারি ক্লিনিক বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের নির্দেশের পর এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
২ ঘণ্টা আগে