স্ট্রিম প্রতিবেদক

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায় জালিয়াতিসহ পাঁচ মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। হাইকোর্টের জামিন আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিলের শুনানি শেষে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন। তবে আরও দুই মামলায় জামিন না পাওয়ায় এখনই মুক্তি পাচ্ছে না তিনি।
এদিন আদালতে খায়রুল হকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কামরুল হক সিদ্দিকী ও অ্যাডভোকেট মোতাহার হোসেন সাজু। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আবদুল জব্বার ভূঁইয়া।
শুনানিতে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল জামিনের বিরোধিতা করে বলেন, খায়রুল হকের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা রয়েছে। তদন্ত শেষ করতে আরও ৬ মাস লাগবে। তাই তাকে জামিন দেওয়া সমীচীন হবে না।
আর খায়রুল হকের আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু স্ট্রিমকে জানান, আপিল বিভাগে জামিন বহাল থাকলেও এখনই কারাগার থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না সাবেক এই প্রধান বিচারপতি। নিম্ন আদালতে গ্রেপ্তার দেখানো আরও ২ মামলায় এখনও জামিন পাননি তিনি।
জামিন পাওয়া পাঁচ মামলা হলো– জুলাই আন্দোলনে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায় পরিবর্তন ও জালিয়াতির অভিযোগে ২০২৪ সালের ২৭ আগস্ট শাহবাগ থানায় করা মামলা, একই অভিযোগে ওই বছরের ২৫ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানায় এবং বন্দর থানায় করা পৃথক মামলা এবং প্লট জালিয়াতি ও দুর্নীতির অভিযোগে ৪ আগস্ট দুদকের মামলা।
এসব মামলায় নিম্ন আদালতে জামিন নাকচ হওয়ার পর হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন খায়রুল হক। এরপর ৮ মার্চ বিচারপতি খায়রুল আলম ও বিচারপতি সগীর হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ তাঁকে চার মামলায় জামিন দেন। আর ১১ মার্চ দুদকের মামলা জামিন পান তিনি।
সাবেক এই প্রধান বিচারপতিকে গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে আটক করে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। ওইদিন রাতেই তাকে যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী হত্যা মামলায় কারাগারে পাঠান আদালত।
২০১০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান খায়রুল হক। ২০১১ সালের ১৭ মে তিনি অবসরে যান। তার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেন, যার ফলে দেশে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অবৈধ হয়ে যায়।
অবসরে যাওয়ার পর ২০১৩ সালের ২৩ জুলাই খায়রুল হককে ৩ বছরের জন্য আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয় তৎকালীন সরকার। এরপর কয়েক দফায় তাঁকে পুনর্নিয়োগ দেওয়া হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট আইন কমিশন থেকে পদত্যাগ করেন খায়রুল হক। এরপরই তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা হয়।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায় জালিয়াতিসহ পাঁচ মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। হাইকোর্টের জামিন আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিলের শুনানি শেষে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন। তবে আরও দুই মামলায় জামিন না পাওয়ায় এখনই মুক্তি পাচ্ছে না তিনি।
এদিন আদালতে খায়রুল হকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কামরুল হক সিদ্দিকী ও অ্যাডভোকেট মোতাহার হোসেন সাজু। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আবদুল জব্বার ভূঁইয়া।
শুনানিতে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল জামিনের বিরোধিতা করে বলেন, খায়রুল হকের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা রয়েছে। তদন্ত শেষ করতে আরও ৬ মাস লাগবে। তাই তাকে জামিন দেওয়া সমীচীন হবে না।
আর খায়রুল হকের আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু স্ট্রিমকে জানান, আপিল বিভাগে জামিন বহাল থাকলেও এখনই কারাগার থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না সাবেক এই প্রধান বিচারপতি। নিম্ন আদালতে গ্রেপ্তার দেখানো আরও ২ মামলায় এখনও জামিন পাননি তিনি।
জামিন পাওয়া পাঁচ মামলা হলো– জুলাই আন্দোলনে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায় পরিবর্তন ও জালিয়াতির অভিযোগে ২০২৪ সালের ২৭ আগস্ট শাহবাগ থানায় করা মামলা, একই অভিযোগে ওই বছরের ২৫ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানায় এবং বন্দর থানায় করা পৃথক মামলা এবং প্লট জালিয়াতি ও দুর্নীতির অভিযোগে ৪ আগস্ট দুদকের মামলা।
এসব মামলায় নিম্ন আদালতে জামিন নাকচ হওয়ার পর হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন খায়রুল হক। এরপর ৮ মার্চ বিচারপতি খায়রুল আলম ও বিচারপতি সগীর হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ তাঁকে চার মামলায় জামিন দেন। আর ১১ মার্চ দুদকের মামলা জামিন পান তিনি।
সাবেক এই প্রধান বিচারপতিকে গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে আটক করে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। ওইদিন রাতেই তাকে যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী হত্যা মামলায় কারাগারে পাঠান আদালত।
২০১০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান খায়রুল হক। ২০১১ সালের ১৭ মে তিনি অবসরে যান। তার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেন, যার ফলে দেশে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অবৈধ হয়ে যায়।
অবসরে যাওয়ার পর ২০১৩ সালের ২৩ জুলাই খায়রুল হককে ৩ বছরের জন্য আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয় তৎকালীন সরকার। এরপর কয়েক দফায় তাঁকে পুনর্নিয়োগ দেওয়া হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট আইন কমিশন থেকে পদত্যাগ করেন খায়রুল হক। এরপরই তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা হয়।

দেশে জঙ্গিবাদ ইস্যুর অতিরঞ্জিত উপস্থাপন অথবা একেবারেই নেই বলা বাস্তবতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের একটা প্রবণতা ছিল, এখনও আছে। তবে এটাকে অতিরঞ্জিত করাও যেমন ভুল, একেবারে নেই বলাও ভুল।
৪০ মিনিট আগে
ফেনীতে তীব্র গরমের মধ্যে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ-বিভ্রাটে (লোডশেডিং) দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে জনজীবন। শহর-গ্রামে কখনোই বিদ্যুতের স্থিতিশীল সরবরাহ নেই। এর মধ্যেই জেলায় সরবরাহের ১০ শতাংশ বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা রিচার্জে। এর প্রভাবে কমছে না লোডশেডিংয়ের মাত্রা।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর বাড্ডায় শিশু সন্তানকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক বাবার বিরুদ্ধে। শিশুটির নাম মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ হাবিব (৩)। সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
১ ঘণ্টা আগে
প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে কার্যকর অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার মাধ্যমে আঞ্চলিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ।
২ ঘণ্টা আগে