স্ট্রিম সংবাদদাতা

ফেনীতে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ-বিভ্রাটে (লোডশেডিং) দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে জনজীবন। শহর-গ্রামে কখনোই বিদ্যুতের স্থিতিশীল সরবরাহ নেই। এর মধ্যেই জেলায় সরবরাহের ১০ শতাংশ বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা রিচার্জে। এদিকে লোডশেডিংয়ের কারণে নিয়মিত কাজকর্মের ব্যাঘাত ঘটায় ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ী, শ্রমজীবী, নাগরিক ও শিক্ষার্থীরা।
জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কয়েক সপ্তাহ ধরে ফেনীতে অসহনীয় মাত্রায় লোডশেডিং চলছে। বিদ্যুৎ সরবরাহে নির্দিষ্ট সময়সূচি না থাকায় অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকতে হয় তাঁদের। অনেক এলাকায় ১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকার পর দেড়-দুই ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং চলে। কোনো কোনো এলাকায় এর মাত্রা আরও বেশি।
এদিকে বিদ্যুৎ বিভ্রাটে বিপাকে পড়েছেন জেলার ব্যবসায়ীরা। অনেক দাপ্তরিক কাজও আটকে থাকছে এ কারণে। ইতিমধ্যে দেশে এসএসসি পরীক্ষার শুরু হওয়ায় কেন্দ্রগুলোতে শিক্ষার্থীদের নাভিশ্বাস উঠে যাচ্ছে। পরীক্ষার প্রস্তুতিও ঠিকমতো নিতে পারছে না তারা। অনেককে ঘুমহীন রাত কাটাতে হচ্ছে। এর মধ্যেই জেলার ১০ শতাংশই চলে যাচ্ছে অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জ দিতে।
ফেনীতে বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, জেলায় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৯৩ হাজার। তাদের বিদ্যুতের মোট চাহিদা ৪৫-৫০ মেগাওয়াট। তবে সরবরাহ করা হয়েছে ৩০-৩৫ মেগাওয়াট। এ ছাড়া ফেনীতে পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৪ লাখ ২৭ হাজার। এখানে চাহিদার ১০৯ মেগাওয়াটের মধ্যে ৯০-৯৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। ফলে বিপিডিবি ও পল্লী বিদ্যুতের চাহিদার তুলনায় প্রায় ৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতি থেকে যাচ্ছে।
এর মধ্যেই ফেনীতে প্রাপ্ত বিদ্যুতের একটি বড় অংশ চলে যাচ্ছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চার্জিংয়ে। তবে জেলায় কত সংখ্যক অটোরিকশা রয়েছে তার সঠিক পরিসংখ্যান নেই প্রশাসনের কাছে। জেলায় ট্রাফিক বিভাগ ও বিভিন্ন সূত্রের মাধ্যমে জানা গেছে, প্রায় ২০ হাজার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল করছে।
এদিকে অটোরিকশার কোনোটিতে ৪টি, কোনোটিতে ৫-৬টি করে ব্যাটারি লাগানো রয়েছে। এসব ব্যাটারি সাধারণত ২০০ ওয়াট বা ১২ ভোল্টের হয়ে থাকে। দিনে ব্যাটারি রিচার্জ হতে ৫ থেকে ৭ ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগে। প্রতিটি রিকশার ব্যাটারি চার্জের জন্য দিনে অন্তত ৪-৬ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হয়। সেই হিসেবে প্রায় ১০-১২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চার্জিং এ চলে যায়। যা প্রাপ্ত বিদ্যুতের প্রায় ১০ শতাংশ। এ কারণে ফেনীতে লোডশেডিং বেশি হচ্ছে বলে জানান জেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল মোহাম্মদ নুরুল হোসাইন।
এদিকে জেলার সোনাগাজী পৌর কর্তৃপক্ষ ১ হাজারের ৫০০ অটোরিকশা অনুমোদন সাপেক্ষে ১ হাজার ১০৭টির লাইসেন্স দিয়েছে। প্রতিটি লাইসেন্স বাবদ অটোরিকশা মালিকের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে ১,৫০০ থেকে ২,৫০০ টাকা। কাগজে-কলমে অটোরিকশার বৈধতা না থাকলেও একে বৈধ আয় প্রথা চালু করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা।

সোনাগাজী পল্লী বিদ্যুতের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মোস্তফা কামাল বলেন, উপজেলায় ৫৯ হাজার গ্রাহকের জন্য বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে ১৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। আমরা সরবরাহ পাচ্ছি ৮-৯ থেকে মেগাওয়াট। প্রায় ৬ হাজার অটোরিকশার বিপরীতে প্রতিদিন সোনাগাজীতে খরচ হচ্ছে বরাদ্দের ২ মেগাওয়াটের ওপরে বিদ্যুৎ।
বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্টদের মতে, বরাদ্দের ১০ শতাংশ বিদ্যুৎ অটোরিকশার চার্জ দিতে খরচ হয়ে যাওয়াতে গরমে লোডশেডিং করা ছাড়া কর্তৃপক্ষের কোনো উপায় থাকে না। এছাড়া প্রতিদিন নতুন নতুন অটোরিকশা রাস্তায় নামছে। সরবরাহ চাহিদের অর্ধেকে নেমে এলেও রিকশার ব্যাটারি চার্জ দিতে বিদ্যুতের খরচ বাড়ছে।
শিক্ষক নজরুল ইসলাম মনে করেন এ বিষয়ে সরকারের দ্রুত নীতিমালা তৈরি করে প্রয়োজনের অতিরিক্ত অটোরিকশা জব্দ করা উচিত। অধিকাংশ অটোরিকশাচালক অপ্রাপ্তবয়স্ক, তাদের নেই কোনো প্রশিক্ষণ। এতে সড়কে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা।
জাহিদ হোসেন নামে অটোরিকশাচালক বলেন, বেকারত্বের কারণে অনেকে উপায়হীন হয়ে অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে। বিকল্প কর্মসংস্থানের পথ তৈরি না হলে অটোরিকশার সংখ্যা বাড়তেই থাকবে।
নাম প্রকাশ না শর্তে রাজনৈতিক এক নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, বিদ্যুতের অপচয় রোধে অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। একই সঙ্গে বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না করা গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। তবে অটোরিকশা ব্যবসায় স্থানীয় অনেক রাজনৈতিক নেতাও জড়িত বলে তিনি স্বীকার করেন।
বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) তথ্য বলছে, প্রতিদিন জাতীয় গ্রিড থেকে অন্তত ৭৫০ থেকে ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে শুধু অটোরিকশারগুলোর ব্যাটারি চার্জ দিতেই। এসব চার্জিং স্টেশনের বেশিরভাগই অবৈধ উপায়ে বৈদ্যুতিক সংযোগ নেওয়া হয়েছে। এতে বছরে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার, যা বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় ‘সিস্টেম লস’ হিসেবে যুক্ত হচ্ছে।
ফেনীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রোমেন শর্মা বলেন, অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে পৌর শহরের প্রধান সড়কে অটোরিকশা চলাচল করতে দেওয়া হবে না। কিছু বিকল্প পরিবহন চালু করা হবে। অনেক ক্ষেত্রে প্রশাসন মানবিক দিক বিবেচনায় নিলেও অটোরিকশার চার্জ দিতে বরাদ্দের বড় অংশ বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে।
বিপিডিবি ফেনীর নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ কান্তি মজুমদার জানান, জনগণের জন্য বরাদ্দকৃত বিদ্যুৎ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় চলে যাচ্ছে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে রাখতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে শপিংমলসহ দোকানপাট বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। অন্যদিকে সরকারি-বেসরকারি অফিস সময় এক ঘণ্টা কমিয়ে সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

ফেনীতে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ-বিভ্রাটে (লোডশেডিং) দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে জনজীবন। শহর-গ্রামে কখনোই বিদ্যুতের স্থিতিশীল সরবরাহ নেই। এর মধ্যেই জেলায় সরবরাহের ১০ শতাংশ বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা রিচার্জে। এদিকে লোডশেডিংয়ের কারণে নিয়মিত কাজকর্মের ব্যাঘাত ঘটায় ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ী, শ্রমজীবী, নাগরিক ও শিক্ষার্থীরা।
জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কয়েক সপ্তাহ ধরে ফেনীতে অসহনীয় মাত্রায় লোডশেডিং চলছে। বিদ্যুৎ সরবরাহে নির্দিষ্ট সময়সূচি না থাকায় অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকতে হয় তাঁদের। অনেক এলাকায় ১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকার পর দেড়-দুই ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং চলে। কোনো কোনো এলাকায় এর মাত্রা আরও বেশি।
এদিকে বিদ্যুৎ বিভ্রাটে বিপাকে পড়েছেন জেলার ব্যবসায়ীরা। অনেক দাপ্তরিক কাজও আটকে থাকছে এ কারণে। ইতিমধ্যে দেশে এসএসসি পরীক্ষার শুরু হওয়ায় কেন্দ্রগুলোতে শিক্ষার্থীদের নাভিশ্বাস উঠে যাচ্ছে। পরীক্ষার প্রস্তুতিও ঠিকমতো নিতে পারছে না তারা। অনেককে ঘুমহীন রাত কাটাতে হচ্ছে। এর মধ্যেই জেলার ১০ শতাংশই চলে যাচ্ছে অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জ দিতে।
ফেনীতে বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, জেলায় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৯৩ হাজার। তাদের বিদ্যুতের মোট চাহিদা ৪৫-৫০ মেগাওয়াট। তবে সরবরাহ করা হয়েছে ৩০-৩৫ মেগাওয়াট। এ ছাড়া ফেনীতে পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৪ লাখ ২৭ হাজার। এখানে চাহিদার ১০৯ মেগাওয়াটের মধ্যে ৯০-৯৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। ফলে বিপিডিবি ও পল্লী বিদ্যুতের চাহিদার তুলনায় প্রায় ৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতি থেকে যাচ্ছে।
এর মধ্যেই ফেনীতে প্রাপ্ত বিদ্যুতের একটি বড় অংশ চলে যাচ্ছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চার্জিংয়ে। তবে জেলায় কত সংখ্যক অটোরিকশা রয়েছে তার সঠিক পরিসংখ্যান নেই প্রশাসনের কাছে। জেলায় ট্রাফিক বিভাগ ও বিভিন্ন সূত্রের মাধ্যমে জানা গেছে, প্রায় ২০ হাজার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল করছে।
এদিকে অটোরিকশার কোনোটিতে ৪টি, কোনোটিতে ৫-৬টি করে ব্যাটারি লাগানো রয়েছে। এসব ব্যাটারি সাধারণত ২০০ ওয়াট বা ১২ ভোল্টের হয়ে থাকে। দিনে ব্যাটারি রিচার্জ হতে ৫ থেকে ৭ ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগে। প্রতিটি রিকশার ব্যাটারি চার্জের জন্য দিনে অন্তত ৪-৬ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হয়। সেই হিসেবে প্রায় ১০-১২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চার্জিং এ চলে যায়। যা প্রাপ্ত বিদ্যুতের প্রায় ১০ শতাংশ। এ কারণে ফেনীতে লোডশেডিং বেশি হচ্ছে বলে জানান জেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল মোহাম্মদ নুরুল হোসাইন।
এদিকে জেলার সোনাগাজী পৌর কর্তৃপক্ষ ১ হাজারের ৫০০ অটোরিকশা অনুমোদন সাপেক্ষে ১ হাজার ১০৭টির লাইসেন্স দিয়েছে। প্রতিটি লাইসেন্স বাবদ অটোরিকশা মালিকের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে ১,৫০০ থেকে ২,৫০০ টাকা। কাগজে-কলমে অটোরিকশার বৈধতা না থাকলেও একে বৈধ আয় প্রথা চালু করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা।

সোনাগাজী পল্লী বিদ্যুতের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মোস্তফা কামাল বলেন, উপজেলায় ৫৯ হাজার গ্রাহকের জন্য বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে ১৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। আমরা সরবরাহ পাচ্ছি ৮-৯ থেকে মেগাওয়াট। প্রায় ৬ হাজার অটোরিকশার বিপরীতে প্রতিদিন সোনাগাজীতে খরচ হচ্ছে বরাদ্দের ২ মেগাওয়াটের ওপরে বিদ্যুৎ।
বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্টদের মতে, বরাদ্দের ১০ শতাংশ বিদ্যুৎ অটোরিকশার চার্জ দিতে খরচ হয়ে যাওয়াতে গরমে লোডশেডিং করা ছাড়া কর্তৃপক্ষের কোনো উপায় থাকে না। এছাড়া প্রতিদিন নতুন নতুন অটোরিকশা রাস্তায় নামছে। সরবরাহ চাহিদের অর্ধেকে নেমে এলেও রিকশার ব্যাটারি চার্জ দিতে বিদ্যুতের খরচ বাড়ছে।
শিক্ষক নজরুল ইসলাম মনে করেন এ বিষয়ে সরকারের দ্রুত নীতিমালা তৈরি করে প্রয়োজনের অতিরিক্ত অটোরিকশা জব্দ করা উচিত। অধিকাংশ অটোরিকশাচালক অপ্রাপ্তবয়স্ক, তাদের নেই কোনো প্রশিক্ষণ। এতে সড়কে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা।
জাহিদ হোসেন নামে অটোরিকশাচালক বলেন, বেকারত্বের কারণে অনেকে উপায়হীন হয়ে অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে। বিকল্প কর্মসংস্থানের পথ তৈরি না হলে অটোরিকশার সংখ্যা বাড়তেই থাকবে।
নাম প্রকাশ না শর্তে রাজনৈতিক এক নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, বিদ্যুতের অপচয় রোধে অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। একই সঙ্গে বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না করা গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। তবে অটোরিকশা ব্যবসায় স্থানীয় অনেক রাজনৈতিক নেতাও জড়িত বলে তিনি স্বীকার করেন।
বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) তথ্য বলছে, প্রতিদিন জাতীয় গ্রিড থেকে অন্তত ৭৫০ থেকে ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে শুধু অটোরিকশারগুলোর ব্যাটারি চার্জ দিতেই। এসব চার্জিং স্টেশনের বেশিরভাগই অবৈধ উপায়ে বৈদ্যুতিক সংযোগ নেওয়া হয়েছে। এতে বছরে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার, যা বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় ‘সিস্টেম লস’ হিসেবে যুক্ত হচ্ছে।
ফেনীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রোমেন শর্মা বলেন, অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে পৌর শহরের প্রধান সড়কে অটোরিকশা চলাচল করতে দেওয়া হবে না। কিছু বিকল্প পরিবহন চালু করা হবে। অনেক ক্ষেত্রে প্রশাসন মানবিক দিক বিবেচনায় নিলেও অটোরিকশার চার্জ দিতে বরাদ্দের বড় অংশ বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে।
বিপিডিবি ফেনীর নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ কান্তি মজুমদার জানান, জনগণের জন্য বরাদ্দকৃত বিদ্যুৎ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় চলে যাচ্ছে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে রাখতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে শপিংমলসহ দোকানপাট বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। অন্যদিকে সরকারি-বেসরকারি অফিস সময় এক ঘণ্টা কমিয়ে সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে।
.png)

বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি দেওয়ার প্রথম দিন তিনটি স্থলবন্দর দিয়ে প্রায় ১৫৬ টন কাঁচামরিচ আমদানি হয়েছে। সোমবার (৩ আগস্ট) সাতক্ষীরার ভোমরা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ ও দিনাজপুরের হিলি সীমান্ত দিয়ে এসব মরিচের চালান দেশে আসে।
২ ঘণ্টা আগে
দেশে চলমান গ্যাস সরবরাহ সংকটের কারণে ব্যাহত হচ্ছে বিদ্যুৎ উৎপাদন। এতে গ্যাসভিত্তিক বেশ কয়েকটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ রয়েছে এবং চালু থাকা কেন্দ্রগুলোও চলছে আংশিক সক্ষমতায়।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর জলসিঁড়ি আবাসন এলাকায় আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউটের (এআইআইআই) উদ্বোধন করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গা শরণার্থী ও কক্সবাজারের আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর জন্য প্রায় ১ কোটি ৭৭ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। সোমবার (৩ আগস্ট) অস্ট্রেলিয়া সরকার ও জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) যৌথভাবে এ ঘোষণা দেয়।
৪ ঘণ্টা আগে